নোট বই

সুকুমার রায় রচিত 'নোট বই' কবিতার সম্পূর্ণ প্রশ্নোত্তর, সারাংশ, শব্দার্থ ও ব্যাকরণ সমাধান | সপ্তম শ্রেণি

Shilpi Mondal
Shilpi Mondal
Uploaded: 19 December 2025 Last Update: 31 May 2026

নোট বই

সুকুমার রায় কবিতা (ছড়া)

পাঠ্যবই: সাহিত্য মেলা (সপ্তম শ্রেণি, WBBSE) • চতুর্থ পাঠ

নোটবুক কৌতূহল প্রশ্ন হাস্যরস

সুকুমার রায় (১৮৮৭ - ১৯২৩)

'আবোল তাবোল', 'হ-য-ব-র-ল', 'পাগলা দাশু' ইত্যাদির প্রণেতা সুকুমার রায়। পিতা উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী। প্রত্যেক বাঙালির শৈশব জড়িয়ে আছেন এই ব্যঙ্গ সাহিত্যিক। চিত্রশিল্পী, ফটোগ্রাফার, সরস ও কৌতুককর কাহিনী এবং ছড়া রচনায় সুকুমার রায় অতুলনীয়। তাঁর রচিত অন্যান্য বই—'খাই খাই', 'অবাক জলপান', 'ঝালাপালা', 'লক্ষ্মীর শক্তিশেল' ইত্যাদি। স্বল্পদিনের জীবনে তিনি যা সৃষ্টি করে গেছেন তা থেকে বাঙালি জাতি চিরদিন অনাবিল আনন্দের স্বাদ পাবে।

📝

কবিতা

নোট বই

👤

কবি

সুকুমার রায়

📚

পাঠ

চতুর্থ পাঠ (সাহিত্য মেলা)

🎯

ধরন

হাস্যরসাত্মক ছড়া

সম্পূর্ণ কবিতা

নোট বই

✍️ নোট বই

এই দেখো পেনসিল, নোটবুক এ হাতে, এই দেখো ভরা সব কিলবিল লেখাতে। ভালো কথা শুনেই যে চটপট লিখি তায়— ফড়িঙের কাঁট ঠ্যাং, আরশুলা কী কী খায়; আঙুলেতে আঠা দিলে কেন লাগে চটচট, কাতুকৃতু দিলে গরু কেন করে ছটফট। দেখে শিখে পড়ে শুনে বসে মাথা ঘামিয়ে নিজে নিজে আগাগাড়া লিখে গেছি আমি এ। কান করে কটকট ফাঁড়া করে টন টন— ওরে রামা ছুটে আয়, নিয়ে আয় লণ্ঠন। কাল থেকে মনে মোর লেগে আছে খটকা বেলাগুড় কিসে দেয়? সাবান না পটকা? এই বেলা প্রশ্নটা লিখে রাখি গুছিয়ে জবাবটা জেনে নেব মেজদাকে খুঁচিয়ে। পিঁপড়ে কেন কামড়ায়, বেলা দেখি পাড়ে কে? বেলা দেখি বাঁশ কেন জোয়ানের আরেকে? তেজপাতে তেজ কেন? ঝাল কেন লঙ্কায়? নাকে কেন ডাকে আর পিলে কেন চমকায়? কার নাম দুন্দুভি? কাকে বলে অরণি? বলবে কী, তোমরাও নোট বই পড়োনি!

কবিতার সারাংশ ও মূলভাব

সারসংক্ষেপ: সুকুমার রায়ের "নোট বই" একটি চমৎকার হাস্যরসাত্মক ছড়া। এখানে কবি একটি শিশুর নোট বইয়ের বর্ণনা দিয়েছেন। ছোট্ট শিশুটি তার নোট বইয়ে নানা মজার মজার প্রশ্ন লিখে রাখে—যেমন: ফড়িঙের পা কাঁটা কেন, আরশুলা কী খায়, আঙুলে আঠা দিলে চটচট করে কেন, কাতুকুতু দিলে গরু ছটফট করে কেন, বেলাগুড় কিসে দেয়—সাবান না পটকা? পিঁপড়ে কামড়ায় কেন, তেজপাতে তেজ কেন, ঝাল লঙ্কায় কেন—ইত্যাদি।

শিশুটি তার মনের অজানা সব প্রশ্নের উত্তর জানতে চায়, খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে বড়োদের কাছ থেকে উত্তর জেনে নিতে চায়। শেষ পর্যন্ত কবি পাঠকদেরও জিজ্ঞেস করেন—"বলবে কী, তোমরাও নোট বই পড়োনি!" অর্থাৎ, তোমাদেরও কি নোট বই পড়ার আগ্রহ হয়নি?

মূলভাব: শিশুদের সরল কৌতূহল ও জানার আগ্রহই এই কবিতার মূল সুর। সবকিছু নিয়ে প্রশ্ন করা, উত্তর খোঁজা, নোট করে রাখা—একজন শিক্ষার্থীর এটাই হওয়া উচিত প্রকৃত স্বভাব।

১. একটি বাক্যে উত্তর দাও

১.১ নোট বই কী ধরনের লেখাতে ভরা?
নোট বইটি কিলবিল লেখাতে ভরা (অর্থাৎ নানা প্রশ্ন, কৌতূহল ও তথ্যে ঠাসা)।
১.২ বক্তা কী করে নিজে নিজে নোট বইটি লিখেছেন?
দেখে, শিখে, পড়ে, শুনে, বসে মাথা ঘামিয়ে নিজে নিজে আগাগাড়া লিখে গেছেন।

২. ধ্বন্যাত্মক/অনুকার শব্দ ও বাক্য

২ চটপট, চটচট, ছটফট, কটকট — এই শব্দগুলি কী ধরনের শব্দ? চটপট আর ছটফট দিয়ে দুটি করে বাক্য লেখো।

শব্দের ধরন: এগুলি ধ্বন্যাত্মক/অনুকার শব্দ।

চটপট দিয়ে বাক্য:

  • খোকা চটপট খাবারটা খেয়ে নিল।
  • শিক্ষকের কথা শুনে চটপট উত্তরটা লিখে ফেললাম।

ছটফট দিয়ে বাক্য:

  • বন্দি পাখিটা খাঁচায় ছটফট করছে।
  • পরীক্ষার আগে মনটা ছটফট করছিল।

৩. বিশেষ্যগুলির আগে উপযুক্ত বিশেষণ বসাও

বিশেষ্যউপযুক্ত বিশেষণ
লণ্ঠনজ্বলন্ত লণ্ঠন / পুরনো লণ্ঠন
লঙ্কাঝাল লঙ্কা / কাঁচা লঙ্কা
আঠাআঠালো আঠা / সাদা আঠা

৪. একই অর্থবস্তু আরেকটি শব্দ কবিতা থেকে খুঁজে লেখো

অর্থকবিতা থেকে শব্দ
পাঠ্যাং
উত্তরজবাব
অস্থিরতার ভাবছটফট
তীক্ষ্ণতাঝাল / তেজ

৫. শূন্যস্থান পূরণ (বিশেষ্য-বিশেষণ)

বিশেষ্যবিশেষণ
আঠাআঠালো / চটচটে
মনমানসিক

৬. নিজের ভাষায় উত্তর দাও

৩ টি
৬.১ 'ভালো কথা শুনেই যে চটপট লিখি তায়'—বক্তা কোন কোন ভালো কথা নোট বইয়ে লিখে রেখেছেন?

উত্তর: বক্তা তাঁর নোট বইয়ে যেসব "ভালো কথা" লিখে রেখেছেন:

  • ফড়িঙের পায়ে কাঁটা থাকে কেন?
  • আরশুলা কী কী খায়?
  • আঙুলে আঠা দিলে কেন চটচট করে?
  • কাতুকুতু দিলে গরু কেন ছটফট করে?
  • বেলাগুড় কিসে দেয়—সাবান না পটকা?
  • পিঁপড়ে কামড়ায় কেন?
  • বেলা দেখি পাড়ে কে?
  • বাঁশ কেন জোয়ানের আরেকে?
  • তেজপাতে তেজ কেন?
  • ঝাল কেন লঙ্কায়?
  • নাকে কেন ডাকে?
  • পিলে কেন চমকায়?
  • কার নাম দুন্দুভি?
  • কাকে বলে অরণি?

এসবই শিশু কৌতূহলের প্রশ্ন, যা কবি নোট বইয়ে টুকে রেখেছেন।

৬.২ 'কাল থেকে মনে মোর লেগে আছে খটকা'—কাল থেকে মনে কী খটকা লেগেছে? এই খটকা কীভাবে দূর হবে?

কী খটকা: "বেলাগুড় কিসে দেয়? সাবান না পটকা?"—এই প্রশ্নটাই মনের খটকা। অর্থাৎ, যে বেলাগুড় তেতো স্বাদের হয়, সেটা তৈরি করতে কী ব্যবহার করা হয়—সাবান নাকি পটকা (পটাশ)?

কীভাবে দূর হবে: খটকা দূর করতে বক্তা ঠিক করেছেন:

  • প্রথমে প্রশ্নটা গুছিয়ে লিখে রাখবেন নোট বইয়ে।
  • তারপর বড়ো ভাইকে (মেজদাকে) খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে জিজ্ঞেস করবেন।
  • তাঁর কাছ থেকে সঠিক উত্তর জেনে নেবেন।
৬.৩ 'বলবে কী, তোমরাও নোট বই পড়োনি?'—নোট বই পড়লে আর কী কী জানা যাবে?

উত্তর: নোট বই পড়লে যা যা জানা যাবে:

  • ঝাল কেন লঙ্কায় হয়
  • তেজপাতে তেজ কেন থাকে
  • নাকে কেন ডাকে (সর্দি-কাশি হয়)
  • পিলে কেন চমকায়
  • পিঁপড়ে কেন কামড়ায়
  • বাঁশ কেন জোয়ানের আরেকে
  • দুন্দুভি কার নাম
  • অরণি কী এবং কাকে বলে
  • আরও অজস্র মজার তথ্য ও প্রশ্নের উত্তর।

অর্থাৎ, নোট বই আসলে একটি জিজ্ঞাসু মনের পরিচয়বাহী খাতা, যা পড়লে অনেক অজানা তথ্য জানতে পারা যায়।

৭. নির্দেশ অনুসারে উত্তর দাও

৭.১ ভালো কোনো কথা শুনলে কবিতার বালকটি কী করে?
ভালো কোনো কথা শুনলেই বালকটি চটপট তা নোট বইয়ে লিখে ফেলে।
৭.২ তার শোনা কয়েকটি ভালো কথার নমুনা কবিতা থেকে খুঁজে নিয়ে লেখো।
ফড়িঙের কাঁটা ঠ্যাং থাকে, আরশুলা কী কী খায়, আঙুলেতে আঠা দিলে চটচট লাগে, কাতুকুতু দিলে গরু ছটফট করে—ইত্যাদি।
৭.৩ কিলবিল, ছটফট, কটকট, টনটন—এগুলি কী ধরনের শব্দ?
এগুলি ধ্বন্যাত্মক বা অনুকার শব্দ।
৭.৪ 'মাথা ঘামিয়ে' এই বিশেষণার্থক শব্দবন্ধের অর্থ কী?
মাথা ঘামিয়ে অর্থ—অনেক ভেবেচিন্তে, বুদ্ধি খাটিয়ে।
৭.৫ ভালো কোনো প্রশ্ন মনে এলে বক্তা কার সাহায্য নিয়ে সেগুলির উত্তর জেনে নেন?
বক্তা তাঁর মেজদাকে (বড়ো ভাই) খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে জিজ্ঞেস করে প্রশ্নগুলির উত্তর জেনে নেন।
৭.৬ মানুষের কাছে নোট বই থাকাকে কি তুমি জরুরি বলে মনে করো?
হ্যাঁ। কারণ নোট বইতে আমরা অজানা প্রশ্ন লিখে রাখতে পারি, পড়ার টুকরো তথ্য জমাতে পারি, যা পরে পরীক্ষা বা সাধারণ জ্ঞানের কাজে লাগে। তাছাড়া মনের চিন্তা লিখে রাখলে চিন্তার ধারাবাহিকতা বজায় থাকে।
৭.৭ তুমি যদি নোট বই কাছে রাখতে তাহলে কী ধরনের তথ্য লিখে রাখতে?
আমি লিখে রাখতাম—নতুন কোনো শব্দের অর্থ, কোনো প্রাণী বা উদ্ভিদের নাম, মহাকাশ নিয়ে মজার তথ্য, কিংবা বড়োদের কাছ থেকে শেখা কোনো নীতি কথা।
৭.৮ 'জোয়ান' শব্দটিকে দুই অর্থে ব্যবহার করে আলাদা বাক্য লেখো।
অর্থ ১ (যুবক): আমাদের গ্রামের জোয়ানেরা নবীন সঙ্ঘ গড়েছে।
অর্থ ২ (জোয়ার-ভাটা সম্পর্কিত?): অথবা "জোয়ানের আরে" বাগ্ধারায় বোঝায়—বাঁশ কেন জোয়ান/শক্তিশালী হয়?
৭.৯ 'আগাগাড়া' এমন বিপরীতার্থক শব্দের সমাবেশ করে পাঁচটি শব্দ লেখো।
উত্তর: আদি-অন্ত, উঠা-বসা, আসা-যাওয়া, ছোটো-বড়ো, দিন-রাত।
৭.১০ কবিতাটিতে কোন কোন পতঙ্গের উল্লেখ আছে?
ফড়িং ও আরশুলা। এছাড়া পিঁপড়ের কথাও বলা হয়েছে।
৭.১১ কবিতায় উল্লিখিত কোন কোন প্রশ্নের উত্তর তুমি জানো?
উদাহরণ: আঙুলে আঠা দিলে চটচট লাগে—কারণ আঠা আঠালো। বাঁশ জোয়ানের আরেকে—বাঁশের গায়ের চকচকে অংশ সূক্ষ্ম রোমের জন্য কাটা-কাটা লাগে। তেজপাতে তেজ—তেজপাতে ইউজেনল নামক রাসায়নিক থাকে।
৭.১২ কোন প্রশ্নগুলি পড়ে কবিতাটি তোমার কাছে খেয়ালি মনের সন্ধান বলে মনে হয়েছে?
"ফড়িঙের কাঁটা ঠ্যাং", "আরশুলা কী কী খায়"—এগুলো একটু খেয়ালি ও মজার প্রশ্ন। আবার "বেলাগুড় কিসে দেয়? সাবান না পটকা?"—এটিও অদ্ভুত কৌতূহলের পরিচয়।

৮. শব্দগুলির গদ্যরূপ লেখো

কাব্যিক/কথ্যরূপগদ্যরূপ
তায়তাতে
মোরআমার
তেজপাতেতেজপাতায়

৯. বিশেষ্য-বিশেষণ পরিবর্তন

শব্দপ্রকৃতিপরিবর্তিত রূপ
মনবিশেষ্যমানসিক (বিশেষণ)
চটচটবিশেষণচটচটানি (বিশেষ্য)
জবাববিশেষ্যজবাবদিহি / জবাবি (বিশেষণ)
পিঁপড়েবিশেষ্যপিঁপড়ের মতো (বিশেষণার্থক)

১০. সর্বনামগুলির বাক্যে প্রয়োগ

সর্বনামউদাহরণ বাক্য
আমিআমি রোজ সকালে উঠে পড়তে বসি।
মোর (আমার)মোর মনটা আজ খুব খুশি। / আমার বইটা কই?
কেকে তুমি বলো তো?
কারএই কলমটা কার?
কাকেকাকে তুমি ডাকছ?
তোমরাতোমরা কবে আসবে?
নিজেআমি নিজে এই কাজ করেছি।

১১. উদ্দেশ্য ও বিধেয় প্রসারণ

বাক্যউদ্দেশ্যবিধেয়
ওরে রামা ছুটে আয়, নিয়ে আয় লণ্ঠন।(তুই) রামাছুটে আয়, নিয়ে আয় লণ্ঠন
এই দেখো ভরা সব কিলবিল লেখাতে।সবকিলবিল লেখাতে ভরা দেখো
জবাবটা জেনে নেব মেজদাকে খুঁচিয়ে।(আমি)জবাবটা জেনে নেব মেজদাকে খুঁচিয়ে
বেলা দেখি পাড়ে কে?(আমি) বেলাদেখি পাড়ে কে
বলবে কী, তোমরাও নোট বই পড়োনি!তোমরাবলবে কী, নোট বই পড়োনি

১২. কারক-বিভক্তি নির্ণয়

বাক্যস্থলাক্ষর অংশকারকবিভক্তি
কাল থেকে মনে মোর লেগে আছে খটকা।কাল থেকেঅধিকরণ কারক'থেকে'
ওরে রামা ছুটে আয়।রামাকর্তৃকারকশূন্য (সম্বোধন)
পিঁপড়ে কেন কামড়ায় বেলা দেখি পাড়ে কে?পিঁপড়েকর্তৃকারকশূন্য
নিজে নিজে আগাগাড়া লিখে গেছি আমি এ।আমিকর্তৃকারকশূন্য
এই বেলা প্রশ্নটা লিখে রাখি গুছিয়ে।প্রশ্নটাকর্মকারক'টা' (নির্দেশক)

গুরুত্বপূর্ণ শব্দার্থ

শব্দঅর্থ
চটপটতাড়াতাড়ি
ঠ্যাংপা
চটচটআঠালো
ছটফটঅস্থিরতার ভাব
খটকাসন্দেহ
পিলেপ্লীহা
দুন্দুভিঢাক (একটি বাদ্যযন্ত্র)
অরণিযে কাঠে আগুন জ্বলে বা চকমকি পাথর বা চিত্রক গাছ
মেজদাবড়ো ভাই (মেজো দাদা)
লণ্ঠনলন্ঠন, হারিকেন (আলো)
জোয়ানের আরেশরীরে জোর আনা (জোয়ান = সতেজ, বলবান)

কবিতার শিক্ষা

মনে রেখো: সুকুমার রায়ের "নোট বই" কবিতাটি ছোটোদের মনে প্রশ্ন করার আনন্দ ও কৌতূহল জাগিয়ে তোলে। আমাদের চারপাশের জগৎ অজানা বিস্ময়ে ভরা—ফড়িঙের পা কেন কাঁটায় ভরা, পিঁপড়ে কেন কামড়ায়, বাঁশ কেন ঝাড়ে-ঝাড়ে এমন সোজা হয়ে ওঠে? এসব প্রশ্ন করাটাই শিক্ষার প্রথম সোপান। নোট বই আমাদের শেখায়—যা-কিছু জানতে ইচ্ছে হয়, তা টুকে রাখো। পরে বড়োদের জিজ্ঞেস করো, বই পড়ে জেনে নাও। কৌতূহলী মনই পারে জগৎটাকে নতুন করে আবিষ্কার করতে!

Sponsored Links

Frequently Asked Questions

\'নোট বই\' কবিতাটি বাংলা শিশুসাহিত্যের কিংবদন্তি সুকুমার রায়ের লেখা। এটি WBBSE সপ্তম শ্রেণির \'সাহিত্য মেলা\' পাঠ্যপুস্তকের চতুর্থ পাঠে অন্তর্ভুক্ত একটি হাস্যরসাত্মক ছড়া।

কবিতাটিতে এক কৌতূহলী শিশুর নোট বইয়ের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। শিশুটি তার অজানা সব প্রশ্ন—যেমন ফড়িঙের পা কাঁটা কেন, আরশুলা কী খায়, নাকে কেন ডাকে—ইত্যাদি নোট বইয়ে লিখে রাখে এবং বড়োদের জিজ্ঞেস করে উত্তর জেনে নিতে চায়। কবিতাটি শিশুদের প্রশ্ন করার মানসিকতা ও জানার আগ্রহকে উৎসাহিত করে।

কবিতায় ফড়িং, আরশুলা, গরু ও পিঁপড়ে—এই প্রাণীগুলির উল্লেখ আছে। ফড়িঙের পা কাঁটা কেন, আরশুলা কী খায়, গরু কাতুকুতু দিলে ছটফট করে কেন, পিঁপড়ে কামড়ায় কেন—এসব প্রশ্নের মাধ্যমে এদের কথা বলা হয়েছে।