মেঘ-চোর
পাঠ্যবই: সাহিত্য মেলা (সপ্তম শ্রেণি, WBBSE) • চতুর্থ পাঠ
গল্প
মেঘ-চোর
লেখক
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
পাঠ
চতুর্থ পাঠ (সাহিত্য মেলা)
ধরন
কল্পবিজ্ঞান (Science Fiction)
গল্পের সারাংশ ও মূলভাব
গল্পের সারসংক্ষেপ: "মেঘ-চোর" সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের একটি চমৎকার কল্পবিজ্ঞানমূলক গল্প। বিশিষ্ট বিজ্ঞানী পূর্ণেন্দু চৌধুরী (ডাকনাম পূরণ) পৃথিবীর জলবায়ু নিয়ে গবেষণা করছেন। সাহারা মরুভূমিতে কৃত্রিম বৃষ্টিপাত ঘটিয়ে তিনি বিশ্বজোড়া খ্যাতি অর্জন করেছেন। তাঁর পরবর্তী পরিকল্পনা আরও উচ্চাভিলাষী—অ্যান্ডিজ পর্বতমালার মাউন্ট চিম্বোরাজোর বিশাল হিমবাহ (গ্লেসিয়ার) গলিয়ে এক বিশাল মেঘের সৃষ্টি করে সেটিকে উড়িয়ে নিয়ে গিয়ে সাইবেরিয়ায় বৃষ্টি ঘটানো।
এই পরীক্ষার সঙ্গী হয় অসীমা, যে নিজেকে ইতিহাসের ছাত্রী বলে পরিচয় দেয়। আকাশে উড়ন্ত রকেটে বসে পূরণ অসীমাকে তার সম্পূর্ণ পরিকল্পনা বুঝিয়ে বলে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দেখা যায়, অসীমা আসলে কার্পভ নামক অপর এক বিজ্ঞানীর মেয়ে এবং কিছুটার বিশেষজ্ঞ। সে পূরণের পুরো পরিকল্পনাটাই নস্যাৎ করে দেয় এবং বলে—"পৃথিবীর জল যেমন আছে তেমনই থাকুক।"
মূলভাব: বিজ্ঞানের অপব্যবহার মানব সভ্যতার জন্য কতটা ভয়ংকর হতে পারে, এই গল্পে তা কল্পনার মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। প্রকৃতিকে নিজের ইচ্ছেমতো নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে ভয়ানক বিপর্যয় নেমে আসতে পারে।
৫. 'ওয়ালা' এবং 'দার' অনুসর্গ যোগে নতুন শব্দ
| 'ওয়ালা' যোগে | 'দার' যোগে |
|---|---|
| ফেরিওয়ালা | ব্যবসাদার |
| দোকানওয়ালা | জমিদার |
| রিকশাওয়ালা | দোকানদার |
| ছবিওয়ালা | হিসাবদার |
| দুধওয়ালা | বাড়িওয়ালা / ক্ষমতাদার |
৬. শব্দবন্ধের শ্রেণিবিভাগ
| শ্রেণি | উদাহরণ |
|---|---|
| দ্বিরুক্তি-অর্থে | মেঘ-মেঘ, হা-হা, সত্য-সত্য, মাঝে মাঝে, উড়িয়ে উড়িয়ে, কিছু কিছু |
| উচ্চরিত অর্থে/সাদৃশ্য | ইই, হইচই, চাঁচামেচি, মুচকি-মুচকি |
| প্রকৃত শব্দ + বিকৃত শব্দ | গাছ পালা, বোমা-টোমা, জানলাটালা, জন্ননা-কন্ননা |
| সমার্থক শব্দবর্গ | খোঁজাখুঁজি, খোঁড়াখুঁড়ি, আত্মীয়স্বজন |
| বিপরীতার্থক শব্দবর্গ | যোগ-বিয়োগ, কমে-বাড়ে, এদিক-ওদিক |
| ধ্বন্যাত্মক/অনুকারাত্মক | হা-হা, হিহি, ঝকঝক |
| অন্যান্য | খালবিল, জীবজন্তু, একটু একটু, নিজে নিজে, পের পের, কোথাও কোথাও |
৭. সমার্থক শব্দ লেখো
| শব্দ | সমার্থক শব্দ |
|---|---|
| জল | বারি, নীর, সলিল, পানি, উদক |
| নির্দেশ | আদেশ, নির্দেশনা, হুকুম, আজ্ঞা |
| কারবার | ব্যবসা, ধান্দা, রোজগার |
| লুপ্ত | বিলীন, অন্তর্হিত, অদৃশ্য, ধ্বংসপ্রাপ্ত |
| নিখুঁত | নির্ভুল, নিখাদ, একদম ঠিক |
| কৃত্রিম | নকল, বানানো, অপ্রাকৃতিক |
| ধ্বংস | বিনাশ, সর্বনাশ, নিপাত, বিলয় |
| শ্রদ্ধা | ভক্তি, সম্মান, মর্যাদা |
| অনুগ্রহ | দয়া, কৃপা, করুণা, প্রসাদ |
| স্থির | অচল, নিশ্চল, অনড়, থির |
৮. শব্দগুলির ভিন্নার্থে বাক্য রচনা
| শব্দ | প্রথম অর্থে বাক্য | দ্বিতীয় অর্থে বাক্য |
|---|---|---|
| কাণ্ড | এটি একটি অভূতপূর্ব কাণ্ড। (ঘটনা) | গাছটির কাণ্ড খুব মোটা। (গুঁড়ি) |
| বল | তোমার হাতে অনেক বল। (শক্তি) | খেলার বলটি হারিয়ে গেছে। (খেলনা) |
| যোগ | অঙ্কে যোগ খুব সহজ। (গণিত) | তার সঙ্গে আমার যোগাযোগ নেই। (সংযোগ) |
| আলাপ | তোমার সঙ্গে আলাপ করে ভালো লাগলো। (পরিচয়) | গায়ক রাগ আলাপ করছেন। (সঙ্গীত) |
| ব্যাপার | ব্যাপারটা কী বুঝিয়ে বলো। (বিষয়) | বড়ো ব্যাপার হয়ে গেছে। (ঘটনা) |
| অঙ্ক | আমার অঙ্ক ভীষণ প্রিয়। (গণিত) | তার অঙ্ক কষা শেষ হয়নি। (হিসাব) |
| পর | পরের জিনিস নিতে নেই। (অন্যের) | তার পর কী হল? (পরে/বাংলা ক্রিয়াবাচক) |
| ধার | ছুরিটার ধার খুব ধারালো। (অগ্রভাগ) | আমি টাকাটা ধার নিয়েছি। (ঋণ) |
| ছলে | ছলনায় ভরা তার কথা। (ছলনা) | এই জমিতে কোন ছলে দাগা। (গাছ) |
| জল | গ্লাসে জল ঢেলে দাও। (পানি) | মুখে জল চলে এসেছে। (লালা/ক্ষুধার্থে) |
৯. সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দে বাক্য
| শব্দ জোড়া | প্রথম বাক্য | দ্বিতীয় বাক্য |
|---|---|---|
| চাপা - ঠাপা | মাটি চাপা পড়েছে ধন। | তারে ঠাপা দিয়ে এগিয়ে চলো। |
| যোগ - যুগ | যোগ করো শীঘ্র। | এটি আধুনিক যুগ। |
| লক্ষ - লক্ষ্য | তিনি লক্ষ টাকা দান করেছেন। | আমার লক্ষ্য ডাক্তার হওয়া। |
| ছেশ - দেশ | তার কাজে ছেশ নেই। (ছল/অন্ত) | ভারত আমার দেশ। |
| চুরি - চুড়ি | চুরি করা মহাপাপ। | মেয়েটি চুড়ি পরে এসেছে। |
| কাটা - কাঁটা | আঙুলটা কাটা পড়েছে। | গোলাপ গাছে কাঁটা আছে। |
১০. কারক-বিভক্তি নির্ণয়
| বাক্য | আন্ডারলাইনকৃত পদ | কারক | বিভক্তি |
|---|---|---|---|
| আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সেই ইতিহাস নিয়ে গবেষণা করে। | বিশ্ববিদ্যালয়ে | অধিকরণ কারক | 'এ' (সপ্তমী) |
| অসীমা ইতিহাসের ছাত্রী হলেও ভূগোলও বেশ ভালোই জানে। | ইতিহাসের | সম্বন্ধ কারক | 'র' (ষষ্ঠী) |
| তার মধ্যে আশি হাজার কিউবিক মাইলই যায় সমুদ্র থেকে। | সমুদ্র থেকে | অপাদান কারক | 'থেকে' (পঞ্চমী) |
| সাইবেরিয়ায় বড়জোর এক ইঞ্চি বেশি বরফ জমবে। | সাইবেরিয়ায় | অধিকরণ কারক | 'য়' (সপ্তমী) |
| তাঁর নিজস্ব রকেট নিয়ে অসীমাকে নিয়ে তিনি জায়গায় ঘুরছেন। | অসীমাকে | কর্ম কারক | 'কে' (দ্বিতীয়া) |
১১. এক-দুটি বাক্যে উত্তর দাও
১২. আট-দশটি বাক্যে উত্তর দাও
৬ টিউত্তর: পূর্ণেন্দু চৌধুরী বা পূরণকে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী বিজ্ঞানী কার্পভ 'মেঘ-চোর' বলে সম্বোধন করেন। কারণ পূরণ এক দেশের মেঘ কেড়ে (প্রকৃতির জলচক্র পরিবর্তন করে) অন্য দেশে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেন।
তার মেঘ চুরির কৌশল:
- প্রথমে অ্যান্ডিজ পর্বতের মাউন্ট চিম্বোরাজোর বিশাল হিমবাহকে বিশেষ গোলকের (অ্যালয়) সাহায্যে গলানো।
- গলিত জল থেকে এক বিশাল কৃত্রিম মেঘ তৈরি করা, যা সম্পূর্ণ এয়ারটাইট গোলকে রাখা।
- ওই মেঘভর্তি গোলকটি রকেটে করে আকাশে তুলে নিয়ে যাওয়া।
- তারপর সেটিকে উড়িয়ে নিয়ে গিয়ে সাইবেরিয়ায় বৃষ্টি ঘটানো।
এইভাবে পূরণ দশ হাজার বছরের প্রাকৃতিক জলচক্রকে মাত্র পাঁচ মিনিটে সম্পন্ন করতে চেয়েছিলেন, যা ছিল এক চরম ঝুঁকিপূর্ণ ও অমানবিক পরিকল্পনা।
উত্তর: এ উক্তিটি গল্পের কেন্দ্রীয় বক্তব্যকেই তুলে ধরে।
বিজ্ঞানের অমিত ক্ষমতা: পূরণ চৌধুরী যে কল্পবিজ্ঞানের আশ্রয় নিয়েছেন, তাতে তিনি মাত্র পাঁচ মিনিটে দশ হাজার বছরের জলচক্র সম্পন্ন করতে পারছেন। এটি বিজ্ঞানের এক ভয়ংকর ক্ষমতা—যা তাত্ত্বিকভাবে মানুষকে প্রকৃতির ওপর প্রভুত্ব দিতে পারে।
অযোগ্য হাতে বিপদ: কিন্তু পূরণের মধ্যে ছিল এক ধরনের পাগলামি ও প্রতিহিংসা—কার্পভের 'মেঘ-চোর' অপবাদ শোধ করতে তিনি সাইবেরিয়ায় বৃষ্টি পাঠাতে চান। প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট করে এক দেশকে জল দিয়ে আরেক দেশকে শুকিয়ে মারার চিন্তা বিজ্ঞানের অপব্যবহার ছাড়া কিছু নয়।
গল্পের শিক্ষা: অসীমাই শেষ পর্যন্ত এই অমানবিক পরীক্ষা নস্যাৎ করে দিয়ে প্রমাণ করে—প্রকৃতিকে ধ্বংস করা এক মারাত্মক অপরাধ। বিজ্ঞানের অগ্রগতি তখনই সার্থক যখন তা মানব কল্যাণে ব্যবহার হয়। অযোগ্য, স্বার্থান্বেষী বা পাগল কারও হাতে এলে তা হতে পারে ভয়াবহ ধ্বংসের কারণ।
উত্তর: পূর্ণেন্দু চৌধুরী বা পূরণের চরিত্র একইসঙ্গে মেধাবী বিজ্ঞানী ও উন্মাদ প্রায় মানুষ।
- মেধা ও প্রতিভা: তিনি সারাজীবন জলবায়ু নিয়ে গবেষণা করেছেন। পৃথিবীর প্রতিটি পাহাড়, নদী, পুকুরের জলের হিসাব জানতেন। সাহারায় কৃত্রিম বৃষ্টি ঘটিয়ে বিশ্বসেরা হয়েছেন।
- অহংকার ও আত্মম্ভরিতা: নিজেকে তিনি 'ইন্দ্র' অর্থাৎ বৃষ্টির দেবতা ভাবতে শুরু করেন। নিজের নাম 'পূরণ' নিয়ে অহংকার ছিল—ইনি বৃষ্টি দেওয়া-না-দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন।
- প্রতিহিংসা ও পাগলামি: কার্পভের সমালোচনায় ক্ষিপ্ত হয়ে সাইবেরিয়ায় বৃষ্টি পাঠানোর প্রতিজ্ঞা করেন—এটা নিছক মানবকল্যাণ নয়, ছিল শোধ তোলার মনোভাব।
- বিজ্ঞানের প্রতি অগাধ আস্থা (কিন্তু প্রকৃতির প্রতি অবহেলা): প্রকৃতিকে ধ্বংস করলেই যে কী ভয়াবহ বিপর্যয় আসতে পারে, তা তিনি বুঝতে পারেননি।
শেষ পর্যন্ত অসীমার কাছে তাঁর পরাজয় ঘটে—যা প্রমাণ করে যে প্রকৃতি বিজ্ঞানীর চেয়েও শক্তিশালী এবং প্রকৃতিকে কেউ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না।
উত্তর: অসীমা চরিত্রটি অত্যন্ত বুদ্ধিমতী, সাহসী ও দূরদর্শী।
- বুদ্ধিমত্তা: সে নিজেকে ইতিহাসের ছাত্রী বলে পরিচয় দিলেও বাস্তবে ভূগোল, আবহাওয়া-বিজ্ঞান ও কিছুটা নিয়ে বিশেষ জ্ঞান রাখে। পূরণের কোনো কথাতেই সে বিচলিত হয়নি, বরং তর্ক করে গেছে পূর্ণ বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে।
- পূর্ব-প্রস্তুতি: অসীমার সবচেয়ে বড়ো গুণ ছিল অগ্রিম প্রস্তুতি। আগে থেকেই কম্পিউটার প্রোগ্রাম করে রাখায় সে পূরণের পুরো পরীক্ষাটাই ব্যর্থ করে দিতে সমর্থ হয়।
- সাহস: একজন সুন্দরী তরুণী, রকেটে একজন বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানীর সঙ্গে একা, তবু কোনো ভয় তার মধ্যে ছিল না। বরং পূরণের গোলক কেড়ে নিয়ে মহাকাশে ফেলে দিয়ে সে আপন ঝুঁকি নিয়েছে।
- প্রকৃতি-প্রেম ও দায়িত্ববোধ: শেষ পর্যন্ত তার বক্তব্য ছিল—"পৃথিবীর জল যেমন আছে তেমন থাকুক।" অর্থাৎ, প্রকৃতির সঙ্গে খেলতে নেই এবং বিজ্ঞান অপব্যবহারের আগেই তা রুখে দেওয়া কর্তব্য।
অসীমা চরিত্রের মাধ্যমেই গল্পকার দেখিয়েছেন—প্রকৃতির সুরক্ষাই সবচেয়ে বড়ো দায়িত্ব।
উত্তর: পূরণ ও অসীমা প্রকৃতপক্ষে দুই বিপরীত বিজ্ঞান-চেতনার প্রতিনিধি।
পূরণের চেতনা: "বিজ্ঞানই সব, প্রকৃতি জয় করতে পারাই বিজ্ঞানীর কাজ।"
- তিনি প্রকৃতিকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণের পক্ষপাতী। দশ হাজার বছরের জলচক্র পাঁচ মিনিটে শেষ করতে চাওয়া উচিত।
অসীমার চেতনা: "প্রকৃতিকে ধ্বংস করা বিজ্ঞান নয়, অপরাধ।"
- বিজ্ঞানের কাজ প্রকৃতিকে ধ্বংস করা নয়, বরং তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চলা।
আমি অসীমাকে সমর্থন করি। কারণ:
- পরিবেশ রক্ষা: পূরণের পরীক্ষা সফল হলে সাইবেরিয়ায় বন্যা হত, অন্যান্য জায়গা শুকিয়ে মরুভূমি হত।
- নীতিবোধ: বিজ্ঞানের সীমা থাকে, প্রকৃতির প্রতি দায়িত্ব ভুলে গেলে বিজ্ঞান বিভ্রান্তি ছাড়া আর কিছুই দেয় না।
- সহযোগিতা: পূরণ ছিলেন প্রতিহিংসাপরায়ণ ও অহংকারী, অন্যদিকে অসীমা ছিল দায়িত্বশীল।
তাই অসীমার "পৃথিবীর জল যেমন আছে তেমন থাকুক" উক্তিটিই এ গল্পের আসল শিক্ষা।
উত্তর:
| স্থান | বর্ণনা |
|---|---|
| সাহারা মরুভূমি | উত্তর আফ্রিকার এক বিশাল মরুভূমি। পূরণ এখানে কৃত্রিম বৃষ্টি ঘটিয়েছিলেন। |
| অ্যান্ডিজ পর্বত | দক্ষিণ আমেরিকার দীর্ঘতম পর্বতমালা। মাউন্ট চিম্বোরাজো এখানেই অবস্থিত। |
| মাউন্ট চিম্বোরাজো | ইকুয়েডরের একটি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি, বরফাচ্ছন্ন চূড়া যা পূরণ গলাতে চেয়েছিলেন। |
| লেক শেরভা | তুষার যুগের এক কাল্পনিক হিমবাহগলিত হ্রদ। পূরণ এর জল শুকিয়ে মেঘ বানাতে চেয়েছিলেন। |
| সাইবেরিয়া | রাশিয়ারএশিয়ার সুবিশাল শীতল এলাকা; পূরণ এখানে বৃষ্টি পাঠাতে চেয়েছিলেন। |
| আমেরিকা (হার্ভার্ড) | বিশ্বের অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত। গল্পের চরিত্র এখানে পড়েছেন বা গবেষণা করেছেন। |
| আটলান্টিস | কথিত ডুবন্ত মহাদেশ বা দ্বীপ যা নিয়ে কিংবদন্তি আছে। পূরণের ধারণায় এটি লেকের তলায় আছে। |
গল্পের চরিত্র পরিচিতি
| চরিত্র | পরিচয় | গল্পে ভূমিকা |
|---|---|---|
| পূর্ণেন্দু চৌধুরী (পূরণ) | বিশ্ববিখ্যাত বৃষ্টিবিজ্ঞানী, বয়স ৫০, নীল চোখ, গোল মুখ | অ্যান্ডিজের হিমবাহ গলিয়ে মেঘ চুরির পরিকল্পনা করেন; 'মেঘ-চোর' নামে পরিচিত |
| অসীমা | কার্পভের মেয়ে, ইতিহাসের ছাত্রী হিসেবে পরিচয় দেয়, কিছুটা-বিশেষজ্ঞ | পূরণের পরিকল্পনা নস্যাৎ করে দিয়ে প্রকৃতিকে রক্ষা করে |
| কার্পভ | প্রতিদ্বন্দ্বী বিজ্ঞানী, অসীমার পিতা (নাম-মাত্র উল্লেখ) | পূরণকে 'মেঘ-চোর' বলে প্রতিবাদ জানান |