ননীদা নট আউট

মতি নন্দী রচিত 'ননীদা নট আউট' গল্পের সম্পূর্ণ প্রশ্নোত্তর, সারাংশ, শব্দার্থ ও ব্যাকরণ সমাধান | ষষ্ঠ শ্রেণি (WBBSE)

Shilpi Mondal
Shilpi Mondal
Uploaded: 20 November 2025 Last Update: 03 June 2026

🏏 ননীদা নট আউট

মতি নন্দী গল্প

পাঠ্যবই: সাহিত্য মেলা (ষষ্ঠ শ্রেণি, WBBSE) • চতুর্থ পর্যায়ক্রমিক • গল্প

ক্রিকেট রম্য কিশোর ক্লাব প্রতিযোগিতা কৌতুক

মতি নন্দী (১৯৩১-২০১৭)

বাংলা সাহিত্যের এক বিশিষ্ট ক্রীড়া লেখক ও কথাকার। তিনি দীর্ঘদিন আনন্দবাজার পত্রিকার ক্রীড়া-সাংবাদিক হিসেবে কাজ করেছেন। ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস খেলার গল্প-কাহিনি লিখে তরুণ প্রজন্মের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়েছিলেন। 'ননীদা নট আউট', 'কনি' প্রভৃতি তাঁর অমর সৃষ্টি।

📖

গল্প

ননীদা নট আউট

✍️

লেখক

মতি নন্দী

🎨

ধরন

রম্যরচনা / ক্রীড়া-কাহিনি

📚

পাঠ

চতুর্থ পর্যায় (সাহিত্য মেলা)

গল্পের সারাংশ ও মূলভাব

সারাংশ: "ননীদা নট আউট" একটি রম্যরচনাধর্মী ক্রীড়াগল্প। গল্পটির প্রেক্ষাপট একটি কিশোর ক্রিকেট ক্লাবের (সি.সি.এইচ.) ম্যাচ। গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র ননীদা (ননীগোপাল), যে নিজেকে একজন দুর্দান্ত ক্রিকেটার হিসেবে দাবি করলেও আসলে সে এক অদ্ভুত কাণ্ডকারখানা ঘটায়। প্রথম ইনিংসে তার দল মাত্র ১৪ রানে অল আউট হয়ে যায়। কিন্তু ননীদা তার বুদ্ধি ও বাগ্মিতার জোরে উদ্ভট সব ক্রিকেটীয় আইনের ব্যাখ্যা দিতে থাকে এবং মাঠে নানান হাস্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। গল্পটি শেষ পর্যন্ত হাস্যরস ও কৌতুকময়তায় ভরপুর।

কেন্দ্রীয় চেতনা: ক্রিকেটের মতো জনপ্রিয় খেলাকে কেন্দ্র করে তরুণসমাজের সরল উচ্ছ্বাস, প্রতিযোগিতার মানসিকতা, এবং এক অদ্ভুত চরিত্রের মাধ্যমে লেখক এখানে ফুটিয়ে তুলেছেন বিশুদ্ধ হাস্যরস। ননীদার মিথ্যাবাদিতা নয়, বরং তার অভিনব কল্পনাশক্তি ও সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসার কৌশলই গল্পটির প্রাণ।

সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

৫ টি
৬.৩ সি সি এইচ-এর খেলোয়াড়দের মুখ শুকনো হয়ে গিয়েছিল কেন?
সি সি এইচ দল প্রথমে ব্যাট করে মাত্র ১৪ রানে সবাই আউট হয়ে যায়। এই লজ্জাজনক পারফরম্যান্সের ফলে সকলের মন খারাপ হয়ে যায় এবং খেলোয়াড়দের মুখ শুকনো হয়ে গিয়েছিল।
৬.৪ বোলিং করার সময় সৌমেন কী কাণ্ড করেছিল?
বোলিং করার সময় সৌমেন অদ্ভুত কাণ্ড করেছিল। সে বল করার আগে ক্রমাগত ছুটে আসছিল কিন্তু বল ডেলিভারি না করেই বারবার থেমে যাচ্ছিল। এভাবে সে ছোঁড়াছুড়ি করছিল, যাতে ব্যাটসম্যান বিরক্ত ও বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে।
৬.৫ ব্যাটসম্যান বল ছাড়ছিল না কেন?
ব্যাটসম্যান বল ছাড়ছিল না কারণ সৌমেনের অদ্ভুত বোলিং অ্যাকশনের জন্য সে আউট হয়ে যাওয়ার ভয় পাচ্ছিল। বোলার এভাবে ছোঁড়াছুড়ি করলে ব্যাটসম্যানের পক্ষে বলের গতিবিধি বোঝা কঠিন হয়ে যায়, তাই সে সাবধানে বল ছাড়ছিল।
৬.৬ ফিল্ডাররা মাঠে কী করছিল?
ফিল্ডাররা মাঠে পড়ে শুয়েছিল বা বসে ছিল। কেউ কোনোরকম ফিল্ডিং করছিল না, কারণ সৌমেনের বোলিং এতই ধীরগতির এবং অদ্ভুত ছিল যে, তাদের সক্রিয় থাকার কোনো প্রয়োজন অনুভব করছিল না।
৬.৭ সবার মুখ যখন শুকনো তখন ননীদার মুখে কোনো বিকৃতি ছিল না কেন?
সি সি এইচ-এর ব্যাটিং বিপর্যয়ের পরেও ননীদা সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাসী ছিল। সে জানত যে পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, সে তার বুদ্ধি ও ক্রিকেট-আইনের জ্ঞান দিয়ে সব সামলে নিতে পারবে। তাই সবার মুখ শুকনো থাকলেও ননীদার মুখে কোনো চিন্তা বা হতাশার ছাপ ছিল না।

শব্দার্থ ও টীকা

গুরুত্বপূর্ণ শব্দ
শব্দঅর্থ
অধুনাসম্প্রতি, বর্তমানে
তর্কাতর্কিবচসা, বাদানুবাদ
উত্তেজনাউত্তেজনা, চাঞ্চল্য
মঞ্জুরঅনুমোদিত, গৃহীত

নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো

৯ টি
৭.১ 'এটাকে শিবরাম চক্রবর্তীর লেখা গল্প বলেই ধরেই নিতাম।' — বক্তার এমন মনে করার কারণ কী? শিবরামের গল্পের কোন বিশেষ গুণ তাঁর এমন মনে করিয়েছে?
গল্পের ঘটনা এতই অদ্ভুত এবং অবাস্তব যে, বক্তার মনে হয়েছিল এটি নিশ্চয়ই শিবরাম চক্রবর্তীর লেখা কোনো রম্যরচনা। শিবরাম চক্রবর্তী তাঁর লেখায় অদ্ভুতুড়ে কাণ্ড, হাস্যরস এবং উদ্ভট চরিত্র সৃষ্টি করার জন্য বিখ্যাত ছিলেন। সি সি এইচ-এর ১৪ রানে অল আউট হয়ে যাওয়া এবং ননীদার ক্রিকেট আইন নিয়ে কারসাজি করার মতো ঘটনাগুলো তাঁর লেখার সঙ্গেই মানানসই।
৭.২ 'সারা মাঠ অবাক, শুধু ননীদা ছাড়া।' — সারা মাঠকে অবাক করে দেওয়ার মতো কোন ঘটনা ঘটেছিল? ননীদা সেই ঘটনায় অবাক হলেন না কেন?
প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে সি সি এইচ দল মাত্র ১৪ রানে অল আউট হয়ে যায়। কোনো দলের এত কম রানে আউট হয়ে যাওয়া অত্যন্ত অস্বাভাবিক ও অপ্রত্যাশিত একটি ঘটনা, যা সারা মাঠের সকলকে অবাক করে দিয়েছিল। কিন্তু ননীদা এই ঘটনায় অবাক হয়নি কারণ সে আগে থেকেই জানত যে দলের ব্যাটিং দুর্বল। তাছাড়া সে নিজের বুদ্ধিমত্তা দিয়ে যেকোনো পরিস্থিতি সামলে নেওয়ার আত্মবিশ্বাস রাখত।
৭.৩ 'যখন খেলা শেষ হয়ে যাবে।' — খেলা শেষের পর কোন ঘটনা ঘটবে?
বোলিং করার সময় সৌমেন যখন বারবার বল না করে থেমে যাচ্ছিল, তখন সবাই বিরক্ত হয়ে প্রশ্ন করছিল যে এই বোলিং কবে শেষ হবে। ননীদা তখন বলেছিল যে, পাঁচটার সময় খেলা শেষ হবে। অর্থাৎ পাঁচটা বাজার পরই খেলা শেষ হয়ে যাবে, তার আগে নয়।
৭.৪ 'ক্রিকেট আইনের বই বার করে দেখিয়ে দিলেন...' — তোমার জানা ক্রিকেটের কিছু আইন যোগ করো। সেইসঙ্গে অন্য কোনো ঘরের/বাইরের খেলার আইনকানুনও যোগ করতে পারো।
ক্রিকেটের কিছু আইন:
• বল পিচে পড়ার পর ব্যাটসম্যানের প্যাডে লাগলে এবং আম্পায়ার মনে করলে সেটি উইকেটে লাগত, তবেই এলবিডব্লিউ আউট দেওয়া যায়।
• বল যদি সরাসরি সীমানার বাইরে যায় তাহলে ৪ রান, মাটিতে না পড়ে বাইরে গেলে ৬ রান দেওয়া হয়।
• একজন বোলার একটানা কতক্ষণ বল করতে পারবে তার কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম নেই, তবে ওভারপ্রতি ৬টি বল করতে হবে।
• ফিল্ডার বল ধরার সময় বল মাটি স্পর্শ করলে ক্যাচ আউট হয় না।

অন্য খেলা (ফুটবল):
• গোলকিপার ছাড়া কোনো খেলোয়াড় ইচ্ছাকৃতভাবে হাত দিয়ে বল ধরলে ফাউল হয়।
• অফসাইড অবস্থানে থাকা খেলোয়াড় বল পেলে পরোক্ষ ফ্রি-কিক দেওয়া হয়।
৭.৫ 'আম্পায়ারকে ঘিরে তর্কাতর্কি শুরু হলো।' — আম্পায়ারকে ঘিরে তর্কাতর্কি শুরু হয়েছিল কেন? মাঠে চূড়ান্ত অস্থিরতার সময় ননীদা কী ভূমিকা নিলেন?
সৌমেন যখন অদ্ভুতভাবে বল করছিল, তখন প্রতিপক্ষ দলের ব্যাটসম্যান ও অন্যান্য খেলোয়াড়েরা আম্পায়ারের কাছে এই বোলিং অ্যাকশন নিয়ে আপত্তি জানায়। কিন্তু আম্পায়ার কী সিদ্ধান্ত নেবেন তা নিয়ে সংশয় তৈরি হলে তর্কাতর্কি শুরু হয়। মাঠে চূড়ান্ত অস্থিরতা দেখা দেয়। এই সময় ননীদা পকেট থেকে ক্রিকেট আইনের বই বের করে দেখিয়ে দেয় যে, বোলার বল ডেলিভারির আগে কতখানি দূরত্ব ছুটে আসবে তা নিয়ে কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম নেই। সে সারাদিন ছুটতে পারে বল ডেলিভারির আগে পর্যন্ত।
৭.৬ 'নতুন এক সমস্যার উদ্ভব হলো।' — উদ্ভূত নতুন সমস্যাটি কী?
পাঁচটা বাজার সময় খেলা শেষ হবে ঠিক করা হয়েছিল। কিন্তু পাঁচটা বাজার সময় বোলার ছুটতে শুরু করেছিল, অথচ তখনো বল ডেলিভারি দেয়নি। তখন নতুন সমস্যা দেখা দেয় যে, বল ডেলিভারি দেওয়ার মাঝখানে খেলা শেষ করা যায় কিনা। দুই আম্পায়ার আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিলেন যে তা করা গেলে সেটা বেআইনি হবে।
৭.৭ 'এরপর বিষ্ণু বল ডেলিভারি দিল।' — বল ডেলিভারির আগে বিষ্ণু যা যা ঘটনা ঘটায় তা বিবৃত করো।
বল ডেলিভারি দেওয়ার আগে বিষ্ণু ক্রমাগত ছুটছিল কিন্তু বল করছিল না। মাঠের ধারের লোকজন বিরক্ত হয়ে বাড়ি চলে যাচ্ছিল। অনেকে খবর পেয়ে ঘটনা দেখতে আসছিল। ব্যাটসম্যান শক্তির সাথে উইকেট পাহারা দিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। ততক্ষণে সন্ধ্যা নেমে এসেছিল। চাঁদ উঠেছিল আকাশে। শিশির ভেজা সূর্য ছিল মাটিতে। ননীদা তখন বাই রান বাঁচানোর জন্য সবাইকে উইকেট কিপারের পিছনে দাঁড় করাল। তারপর অবশেষে বিষ্ণু বল ডেলিভারি দিল।
৭.৮ 'চটপট মঞ্জুর হয়ে গেল।' — কোন আবেদন মঞ্জুর হয়ে গেল? আবেদনকারী কে ছিলেন? তার এমন আবেদনের কারণ কী?
বিষ্ণুর বল ডেলিভারি দেওয়ার পর বুপোয়ালির ব্যাটসম্যান অশ্বকারে ব্যাট চালায় এবং বল ফস্কে যায়। বল স্লিপে দাঁড়ানো ফিল্ডারের হাতে লেগে জমে যায়। ননীদা তখন স্ট্যাম্প ছিঁড়ে 'ম্যাচ ড্র' বলে আবেদন জানায়। বুপোয়ালির ব্যাটসম্যান প্রতিবাদ জানালেও, শেষ পর্যন্ত অন্ধকারের কারণে ননীদা যে আপিল করেছিল সেটাই চটপট মঞ্জুর হয়ে যায়। আবেদনকারী ছিলেন ননীদা। সে তার দলকে হার থেকে বাঁচানোর জন্যই এই আবেদন করেছিল।
৭.৯ 'তারাও কখনো এই ঘটনার সত্যতা নিয়ে খুব বেশি প্রশ্ন তুলবে না।' — কোন ঘটনার কথা বলা হয়েছে? কী কারণে প্রশ্ন ওঠার সম্ভাবনা নেই বলেই বক্তার মনে হয়েছে? পাঠ্যাংশটি পড়ে তোমার মনে জাগা প্রশ্নগুলি লেখো।
যে ঘটনার কথা বলা হয়েছে: পুরো ক্রিকেট ম্যাচটির অদ্ভুত ঘটনা—বিশেষ করে সৌমেনের অদ্ভুত বোলিং, ননীদার ক্রিকেট আইনের বই দেখানো, এবং শেষ পর্যন্ত 'ম্যাচ ড্র' হওয়ার ঘটনা।

প্রশ্ন না ওঠার কারণ: বক্তার মনে হয়েছে, যারা ননীদাকে কাছ থেকে চেনে, তারা জানে যে ননীদা এমন অসম্ভব ও অদ্ভুত কাণ্ড ঘটাতেই পারে। ননীদার চরিত্রই এমন যে এসব ঘটনা তার পক্ষে স্বাভাবিক মনে হয়। তাই কেউ এসবের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলবে না।

আমার মনে জাগা প্রশ্নগুলি: (এখানে শিক্ষার্থী নিজের মতো করে প্রশ্ন লিখবে। যেমন— ক্রিকেটের সত্যিকারের নিয়মে কী এমন বোলিং করা সম্ভব? আম্পায়াররা আসলেই এভাবে সিদ্ধান্ত দিতে পারেন? পাঁচটা বাজার সময় খেলা শেষ করার নিয়ম কি আসলেই আছে?)

ক্রিকেট মাঠ ও খেলার বিভিন্ন ক্ষেত্র

নির্দেশ

প্রশ্ন ৫: ক্রিকেট মাঠ ও খেলায় ব্যবহৃত দ্রব্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রগুলি নীচের জায়গাটিতে নির্দেশ করো।

ক্ষেত্রউদাহরণ
খেলোয়াড়ব্যাটসম্যান, বোলার, উইকেটরক্ষক, ফিল্ডার, আম্পায়ার
সরঞ্জামব্যাট, বল, উইকেট, প্যাড, গ্লাভস, হেলমেট, স্ট্যাম্প
মাঠের অংশপিচ, বাউন্ডারি, সাইট স্ক্রিন, প্যাভিলিয়ন, স্লিপ, ক্রিজ
পরিভাষাইনিংস, ওভার, রান, আউট, ক্যাচ, এলবিডব্লিউ, মেডেন ওভার, ওয়াইড, বাই, লেগবাই, ড্র

গল্পের শিক্ষা

"ননীদা নট আউট" গল্পটি শুধু হাসির খোরাক নয়। এটি দেখায় যে, সংকটের মুহূর্তে আত্মবিশ্বাস আর বুদ্ধির জোরে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যায়। ননীদার মিথ্যা বা চালাকি নয়, বরং তার দলের প্রতি তার প্রচণ্ড ভালোবাসা, নিজের ওপর অগাধ আস্থা, আর কঠিন সময়েও মাথা ঠাণ্ডা রাখার ক্ষমতা আমাদের অনুপ্রাণিত করে। খেলাধুলা শুধু জয়-পরাজয়ের নয়, তা আনন্দ ও সৃজনশীলতারও নাম।

Sponsored Links

Frequently Asked Questions

'ননীদা নট আউট' গল্পটি বিশিষ্ট ক্রীড়া-সাহিত্যিক মতি নন্দী রচিত। এটি WBBSE ষষ্ঠ শ্রেণির 'সাহিত্য মেলা' বইয়ের চতুর্থ পর্যায়ক্রমিকের অন্তর্গত একটি জনপ্রিয় রম্য ক্রীড়াগল্প।

গল্পের মূল চরিত্র ননীগোপাল ওরফে ননীদা। সে সি.সি.এইচ. ক্লাবের একজন সদস্য এবং ক্রিকেটের অদ্ভুত ও মজাদার সব কাণ্ড ঘটিয়ে থাকে। নিজেকে ক্রিকেট আইনের বিশেষজ্ঞ বলে দাবি করে।

ননীদার দল সি.সি.এইচ. ক্লাব প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১৪ রানে অল আউট হয়ে যায়, যা ছিল অত্যন্ত লজ্জাজনক ও মজার ঘটনা।

এটি একটি রম্যরচনাধর্মী ক্রীড়াগল্প। এতে খেলাধুলার পাশাপাশি হাস্যরস, উদ্ভট পরিস্থিতি এবং চরিত্রের কৌতুকময় আচরণ ফুটে উঠেছে।