চিঠি

পল্লীকবি জসীমউদ্দীন রচিত 'চিঠি' কবিতার সম্পূর্ণ প্রশ্নোত্তর, সারাংশ, শব্দার্থ ও ব্যাকরণ সমাধান | ষষ্ঠ শ্রেণি (WBBSE)

Shilpi Mondal
Shilpi Mondal
Uploaded: 20 November 2025 Last Update: 03 June 2026

✉️ চিঠি

জসীমউদ্দীন কবিতা

পাঠ্যবই: সাহিত্য মেলা (ষষ্ঠ শ্রেণি, WBBSE) • অষ্টম পাঠ

লাল মোরগ বর্ষার প্রকৃতি খোকা ভাই পল্লীপ্রকৃতি

জসীমউদ্দীন (১৯০৪ - ১৯৭৬)

অধুনা বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলায় তাঁর জন্ম। কুমুদরঞ্জন মল্লিকের পরে গ্রাম-বাংলাকে কেন্দ্র করে কাব্যচর্চার ধারাটি তিনিই বজায় রেখেছিলেন। একান্ত সহজ সরল ভাষায় পল্লী প্রকৃতির অনাড়ম্বর রূপটিকে ফুটিয়ে তুলতে পারতেন বলে বাংলা কাব্যজগতে তাঁকে 'পল্লীকবি' হিসেবে অভিহিত করা হয়। তাঁর উল্লেখযোগ্য কবিতার বইগুলি হলো: 'রাখালী', 'নক্সী কাঁথার মাঠ', 'বালুচর', 'সোজন বাদিয়ার ঘাট', 'মাটির কান্না' প্রভৃতি। সাহিত্যের অসামান্য অবদানের জন্য তিনি রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সাম্মানিক ডি.লিট. উপাধি প্রাপ্ত হন।

📖

কবিতা

চিঠি

✍️

কবি

জসীমউদ্দীন

🌿

মূলভাব

প্রকৃতি ও মানুষের বন্ধন

📚

পাঠ

অষ্টম পাঠ

কবিতার সারাংশ

পল্লীকবি জসীমউদ্দীন তাঁর "চিঠি" কবিতায় প্রকৃতির বিভিন্ন উপাদানের কাছ থেকে পাওয়া অলিখিত চিঠির বর্ণনা দিয়েছেন। প্রকৃতির প্রতিটি রূপ ও শব্দ যেন কবির কাছে এক একটি বার্তার মতো এসে পৌঁছায়। ভোরের লাল মোরগের ডাক, নদীর চরের চখাচখি, গাঙশালিক, বাবুই পাখির বোনা বাসা, বর্ষার মেঘের ডাক এবং বৃষ্টির জলে মেতে ওঠা সবুজ পাতা—সবাই যেন কবিকে চিঠি পাঠিয়েছে। কিন্তু এই সমস্ত প্রাকৃতিক বার্তার পাশাপাশি যখন তিনি তাঁর আদরের খোকা ভাইয়ের লেখা একটি স্নেহের চিঠি পান, তখন তাঁর মন আনন্দে ভরে ওঠে। খোকা ভাইয়ের সেই চিঠিটি তাঁর কাছে শীতের ভোরের মিষ্টি রোদের মতো আরামদায়ক মনে হয়। সেই চিঠির আনন্দ কবির নিরালা বা নির্জন মনে খুশির নূপুরের মতো বাজতে থাকে।

শব্দার্থ (Word Meanings)

শব্দঅর্থ
চখাচখিস্ত্রী ও পুরুষ চক্রবাক একত্রে, হাঁস জাতীয় পরিযায়ী পাখিবিশেষ।
গাঙনদী।
সোঁতেস্রোতে (এই কবিতায়)।
কোড়াকুড়ীস্ত্রী ও পুরুষ জলচর পাখি একত্রে।
দেয়ামেঘ।
নিরালানির্জন।
ঊষাভোর।

হাতে কলমে (অনুশীলনীর সম্পূর্ণ উত্তর)

১. কবি পরিচিতি থেকে প্রশ্ন:

১.১ কবি জসীমউদ্দীনকে বাংলা কাব্য জগতে কোন অভিধায় অভিহিত করা হয়েছে?
কবি জসীমউদ্দীনকে বাংলা কাব্য জগতে \'পল্লী কবি\' অভিধায় অভিহিত করা হয়েছে।
১.২ তাঁর লেখা দুটি কবিতার বইয়ের নাম লেখো।
তাঁর লেখা দুটি কবিতার বই হলো— \'রাখালী\' এবং \'নক্সী কাঁথার মাঠ\'।

২. নীচের প্রশ্নগুলির সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও:

২.১ কবি কার কার থেকে চিঠি পেয়েছেন?
কবি লাল মোরগ, চখাচখি, গাঙশালিক, বাবুই পাখি, কোড়াকুড়ী, মেঘ, বাতাস এবং তাঁর আদরের খোকা ভাই-এর কাছ থেকে চিঠি পেয়েছেন।
২.২ লাল মোরগের পাঠানো চিঠিটি কেমন?
লাল মোরগের পাঠানো চিঠিটি ভোর-জাগানো সুরে ভরা এবং তার পাখার গায়ে যেন ভোরের (শিশু ঊষার) রঙিন হাসি মাখানো রয়েছে।
২.৩ চখাচখি কেমন চিঠি পাঠিয়েছে?
চখাচখি বালুচরের ঝিকিমিকি এবং বর্ষার ঢেউয়ে ঢেউয়ে লেখা চিঠি পাঠিয়েছে।
২.৪ গাঙশালিক তার চিঠিতে কী বলেছে?
গাঙশালিক তার চিঠিতে নদীর পাড়ের মোড়ল হওয়ার ইচ্ছার কথা বলেছে।
২.৫ বাবুই পাখির বাসার থেকে আসা চিঠিটি কেমন?
বাবুই পাখির বাসা থেকে আসা চিঠিটি ধান ও তালের পাতায় সুন্দর নকশা বুনে তৈরি করা।
২.৬ কোড়াকুড়ীর পাঠানো চিঠিটির বর্ণনা দাও।
কোড়াকুড়ীর পাঠানো চিঠিটি বর্ষাকালের ফসলখেতে সবুজ পাতার আসরে বৃষ্টির জলধারায় মেতে ওঠার আনন্দের বার্তা বহন করে।
২.৭ কার চিঠি পাওয়ায় কবির মনে হয়েছে নিখিল বিশ্ব তাঁকে চিঠি পাঠিয়েছে?
স্নেহের খোকা ভাইয়ের চিঠি পাওয়ায় কবির মন এতটাই আনন্দে ভরে ওঠে যে, তাঁর মনে হয়েছে সমগ্র প্রকৃতি বা নিখিল বিশ্ব যেন তাঁকে ছড়া ও গল্প লিখে চিঠি পাঠিয়েছে।
২.৮ এই কবিতায় কোন ঋতুর প্রসঙ্গ রয়েছে?
এই কবিতায় মূলত বর্ষা ঋতুর প্রসঙ্গ রয়েছে (যেমন— 'বর্ষাকালের ফসল-খেতে', 'মেঘের কাঁদন', 'জল-ধারায় মেতে')।
২.৯ কবিতায় অন্য ঋতুর পটভূমি সত্ত্বেও খোকাভাই-এর চিঠির লেখনখানি 'শীতের ভোরের রোদের মতো' মিঠে মনে হওয়ার তাৎপর্য বুঝিয়ে দাও।
বর্ষার মেঘলা ও বিষণ্ণ দিনে চারপাশ যখন অন্ধকার থাকে, তখন খোকা ভাইয়ের চিঠিটি কবির মনে এক অসীম আনন্দ ও উষ্ণতা এনে দেয়। শীতের সকালে যেমন কুয়াশা ভেদ করে ওঠা রোদ শরীর ও মনকে আরাম দেয়, ঠিক তেমনই খোকা ভাইয়ের স্নেহের চিঠিটিও কবির মনে এক মিষ্টি ও আরামদায়ক অনুভূতির সৃষ্টি করেছে।
২.১০ 'খুশির নূপুর ঝুমুর-ঝামুর বাজছে আমার নিরালাতে'- পঙ্ক্তিটির অর্থ বুঝিয়ে দাও।
খোকা ভাইয়ের চিঠি পড়ে কবির নির্জন বা নিরালা মন আনন্দে ভরে উঠেছে। নির্জন পরিবেশে নূপুরের ধ্বনি যেমন মনকে এক অদ্ভুত আনন্দে ভরিয়ে তোলে, ঠিক তেমনি খোকা ভাইয়ের চিঠির কথাগুলোও কবির একাকী মনে খুশির ঝংকার বা নূপুরের শব্দ সৃষ্টি করেছে।

৩. ধ্বনির অনুকরণে তৈরি শব্দ (Onomatopoeia)

প্রশ্ন: কবিতা থেকে এমন তিনটি শব্দ খুঁজে বের করো যা কোনও ধ্বনির অনুকরণে তৈরি। একটি উদাহরণ দেওয়া হলো। যেমন - কল কল।

কিচিরমিচির (পাখির ডাকের শব্দ)
গুরু গুরু (মেঘ ডাকার শব্দ)
ঝুমুর-ঝামুর (নূপুর বাজার শব্দ)

৪. শব্দঝুড়ি থেকে ঠিক শব্দ নিয়ে শূন্যস্থানে বসাও

প্রদত্ত শব্দ: রঙিন, গঙ্গা, ক্রন্দন, সোঁতে | শব্দঝুড়ি: স্রোতে, রঙ্গিন, কাঁদন, গাঙ

মূল শব্দশব্দঝুড়ি থেকে নেওয়া শব্দ
রঙিনরঙ্গিন
গঙ্গাগাঙ
ক্রন্দনকাঁদন
সোঁতেস্রোতে

৫. বহুবচনের ভাব বোঝাতে শব্দের দ্বিত্ব প্রয়োগ

প্রশ্ন: 'ঢেউ-এ ঢেউ-এ' এখানে একই শব্দ পরপর দু'বার ব্যবহারে বহু বচনের ভাব তৈরি হয়েছে। এই কবিতাটি থেকে এমন আরও তিনটি অংশ উদ্ধৃত করো।

  • লিখে গেছে কত কী কী! (বহু সংখ্যক বিষয় বোঝাতে)
  • পাখিরা সব ঝাঁকে ঝাঁকে (অনেক পাখির ঝাঁক বোঝাতে)
  • আকাশ জুড়ে মেঘের কাঁদন গুরু গুরু দেয়ার ডাকে (একটানা মেঘের গর্জন বোঝাতে)

৬. সম্বন্ধ পদের প্রয়োগ (পরপর দু'বার 'র' বা 'এর' বিভক্তি)

প্রশ্ন: 'গাঙের পাড়ের মোড়ল' - শব্দবন্ধটিতে পরপর দু'বার '-এর' সম্বন্ধ বিভক্তি এসেছে। কবিতা থেকে এমন আরও শব্দবন্ধ খুঁজে বের করো।

বাবুই পাখির বাসার (বাবুই+এর, পাখি+র, বাসা+র)
শীতের ভোরের রোদের (শীত+এর, ভোর+এর, রোদ+এর)

৭. 'কর্তা-কর্ম-ক্রিয়া'- পদক্রম অনুসারে বাক্য পুনর্গঠন

প্রদত্ত বাক্য (কবিতার লাইন)কর্তা-কর্ম-ক্রিয়া পদক্রমে সজ্জিত বাক্য
৭.১ লিখে গেছে গাঙশালিকে গাঙের পাড়ের মোড়ল হ'তে।গাঙশালিকে গাঙের পাড়ের মোড়ল হ'তে লিখে গেছে।
৭.২ ইহার সাথে পেলুম আজি খোকা ভাই-এর একটি চিঠি।আজি ইহার সাথে খোকা ভাই-এর একটি চিঠি পেলুম।
৭.৩ সবুজ পাতার আসরগুলি নাচছে জল-ধারায় মেতে।সবুজ পাতার আসরগুলি জল-ধারায় মেতে নাচছে।
৭.৪ উদাস বাতাস আছড়ে বলে কে যেন বা চাইছে কাকে।উদাস বাতাস আছড়ে বলে কে যেন বা কাকে চাইছে।
৭.৫ শীতের ভোরের রোদের মতো লেখনখানি লাগছে মিঠি।লেখনখানি শীতের ভোরের রোদের মতো মিঠি লাগছে।

৮. বাক্য ভেঙে দুটি বাক্যে পরিণত করো

প্রদত্ত বাক্যদুটি পৃথক বাক্য
৮.১ চিঠি পেলুম লাল মোরগের ভোর-জাগানোর সুরভরা।লাল মোরগ চিঠি পাঠিয়েছে। সেই চিঠি ভোর-জাগানোর সুরভরা।
৮.২ সবুজ পাতার আসরগুলি নাচছে জল-ধারায় মেতে।সবুজ পাতার আসরগুলি বসেছে। তারা জল-ধারায় মেতে নাচছে।
৮.৩ শীতের ভোরের রোদের মতো লেখনখানি লাগছে মিঠি।লেখনখানি শীতের ভোরের রোদের মতো। তা বড়ো মিঠি লাগছে।
৮.৪ আকাশ জুড়ে মেঘের কাঁদন গুরু গুরু দেয়ার ডাকে।আকাশ জুড়ে গুরু গুরু দেয়ার ডাক শোনা যাচ্ছে। তা যেন মেঘের কাঁদন।
৮.৫ লিখে গেছে গাঙশালিকে গাঙের পাড়ের মোড়ল হ'তে।গাঙশালিক গাঙের পাড়ের মোড়ল হবে। এই কথা লিখে গেছে।

৯. নিজের ভাষায় বড়ো প্রশ্নের উত্তর লেখো

৯.১ কবি প্রকৃতির কোন-কোন প্রতিনিধির কাছ থেকে কেমন সমস্ত চিঠি পেয়েছিলেন, বিশদে লেখো।
উত্তর: কবি জসীমউদ্দীন প্রকৃতির নানা উপাদানের কাছ থেকে বিভিন্ন অলিখিত বার্তা বা চিঠি পেয়েছিলেন।
• লাল মোরগ: লাল মোরগের চিঠিটি ছিল ভোর-জাগানো সুরে ভরা এবং তার পাখায় যেন ভোরের হাসির রং মাখানো।
• চখাচখি: চখাচখিরা বালুচরের ঝিকিমিকি এবং বর্ষার ঢেউয়ে লেখা চিঠি পাঠিয়েছে।
• গাঙশালিক: গাঙশালিকের চিঠিতে নদীর পাড়ের মোড়ল হওয়ার বার্তা ছিল।
• বাবুই পাখি: বাবুই পাখির চিঠিটি ছিল ধান ও তালের পাতায় সুন্দর নকশা করে বোনা।
• কোড়াকুড়ী: বর্ষার ফসল-খেতে সবুজ পাতার আসরে বৃষ্টির জলধারায় মেতে ওঠার বার্তা এনেছে কোড়াকুড়ীর চিঠি।
• মেঘ ও বাতাস: আকাশ জুড়ে গুরু গুরু মেঘের ডাক যেন তার কান্নার চিঠি, এবং উদাস বাতাস আছড়ে পড়ে জানিয়েছে যেন কেউ কাউকে খুঁজছে।
৯.২ খোকা ভাই-এর চিঠিটির প্রসঙ্গে কবি যে সমস্ত উপমা ও তুলনাবাচক শব্দ ব্যবহার করেছেন তাদের ব্যবহারের সার্থকতা বুঝিয়ে দাও।
উত্তর: কবি খোকা ভাইয়ের চিঠির মাধুর্য বোঝাতে গিয়ে বলেছেন— 'শীতের ভোরের রোদের মতো লেখনখানি লাগছে মিঠি' এবং 'খুশির নূপুর ঝুমুর-ঝামুর বাজছে আমার নিরালাতে'।
শীতকালে সকালবেলার রোদ যেমন মানুষের শরীর ও মনকে আরাম দেয়, তেমনি বর্ষার মেঘলা দিনে খোকা ভাইয়ের স্নেহের চিঠি কবির মনকে শান্ত ও উষ্ণ করেছে। আবার, একাকী নির্জনতায় নূপুরের মিষ্টি শব্দ যেমন আনন্দ এনে দেয়, খোকা ভাইয়ের রঙিন হাতের লেখা সেই চিঠিটিও কবির নিরালা বা একাকী জীবনে চরম খুশির ঝংকার তুলেছে। এই উপমাগুলি চিঠির পবিত্রতা, আনন্দ ও মাধুর্যকে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।
৯.৩ তোমার প্রিয় বন্ধুকে তোমার জীবনের সবচেয়ে আনন্দের ঘটনাটি জানিয়ে একটি চিঠি লেখো।
উত্তর:
কল্যাণী, নদীয়া
তারিখ: ২০ জুন ২০২৪
প্রিয় বন্ধু সুমিত,

আশা করি তুই ভালো আছিস। আজ তোকে আমার জীবনের একটা খুব আনন্দের ঘটনার কথা জানাব। গত সপ্তাহে আমাদের স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ছিল। তুই তো জানিস দৌড়তে আমি কতটা ভালোবাসি! এবার আমি ২০০ মিটার দৌড়ে স্কুলের মধ্যে প্রথম হয়েছি। যখন মাইকে আমার নাম ঘোষণা করা হলো এবং প্রধান শিক্ষক মহাশয় আমার হাতে সোনার মেডেল তুলে দিলেন, তখন আমার চোখের জল বাঁধ মানছিল না। বাবা-মা গ্যালারিতে বসে হাততালি দিচ্ছিলেন। সেই মুহূর্তটা আমি জীবনেও ভুলতে পারব না।

তুই কেমন আছিস জানাস। পুজোর ছুটিতে তোর আসার অপেক্ষায় রইলাম।

ইতি,
তোর প্রিয় বন্ধু
অয়ন

কবিতার মূল সুর

"চিঠি" কবিতাটি মানুষ এবং প্রকৃতির এক অপূর্ব আত্মিক বন্ধনের গল্প বলে। প্রকৃতির ছোটোখাটো শব্দ ও পরিবর্তন কীভাবে মানুষের মনের গভীরে প্রভাব ফেলে, তা কবি অনবদ্যভাবে বুঝিয়েছেন। প্রকৃতির অপরূপ বার্তা এবং মানুষের দেওয়া ভালোবাসার চিঠি মিলেমিশে আমাদের জীবনকে আনন্দে ভরিয়ে তোলে।

Sponsored Links

Frequently Asked Questions

'চিঠি' কবিতাটি পল্লীকবি জসীমউদ্দীন রচিত। এটি পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের (WBBSE) ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলা 'সাহিত্য মেলা' বইয়ের অষ্টম পাঠের অন্তর্ভুক্ত।

কবিকে প্রকৃতির বিভিন্ন উপাদান যেমন— লাল মোরগ, চখাচখি, গাঙশালিক, বাবুই পাখি, কোড়াকুড়ী, মেঘ, বাতাস এবং তাঁর প্রিয় 'খোকা ভাই' চিঠি পাঠিয়েছে বলে উল্লেখ আছে।

কবি খোকা ভাইয়ের মিষ্টি চিঠিটিকে 'শীতের ভোরের আরামদায়ক রোদ' এবং 'খুশির নূপুরের শব্দের' সঙ্গে তুলনা করেছেন।

জসীমউদ্দীনের লেখা দুটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম হলো 'রাখালী' এবং 'নক্সী কাঁথার মাঠ'।