কবিতার পরিচিতি ও সারমর্ম
কবি: আল মাহমুদ
সারসংক্ষেপ:
'পাখির কাছে, ফুলের কাছে' কবিতাটিতে কবি আল মাহমুদ রাতের এক মায়াবী পরিবেশ ও প্রকৃতির প্রতি কবির ভালোবাসার কথা তুলে ধরেছেন। এক রাতে নারকেল গাছের মাথায় ডাবের মতো ঠান্ডা ও গোলগাল চাঁদ উঠতে দেখে কবি মুগ্ধ হয়ে যান। তিনি বাড়ির সবাইকে না জাগিয়ে চুপিচুপি ছিটকিনি খুলে বাইরে বেরিয়ে পড়েন।
বাইরে এসে কবি দেখেন, সারা শহর থরথর করে কাঁপছে। মিনার, গির্জা পেরিয়ে যেতেই তিনি দেখতে পান জোনাকিদের দরবার বসেছে লালদিঘির পাড়ে। দিঘির কালো জল কবিকে অনুরোধ করে পকেট থেকে ছড়ার বই বের করে পদ্য শোনাতে। তখন ফুল আর পাখিরাও হেসে ওঠে এবং কলরব জুড়ে দেয়। অবশেষে কবি পকেট থেকে তাঁর ছড়ার বই বের করে পাখির কাছে আর ফুলের কাছে নিজের মনের কথা কবিতার ছন্দে বলতে শুরু করেন।
বাইরে এসে কবি দেখেন, সারা শহর থরথর করে কাঁপছে। মিনার, গির্জা পেরিয়ে যেতেই তিনি দেখতে পান জোনাকিদের দরবার বসেছে লালদিঘির পাড়ে। দিঘির কালো জল কবিকে অনুরোধ করে পকেট থেকে ছড়ার বই বের করে পদ্য শোনাতে। তখন ফুল আর পাখিরাও হেসে ওঠে এবং কলরব জুড়ে দেয়। অবশেষে কবি পকেট থেকে তাঁর ছড়ার বই বের করে পাখির কাছে আর ফুলের কাছে নিজের মনের কথা কবিতার ছন্দে বলতে শুরু করেন।
শব্দার্থ (Word Meanings)
| শব্দ | অর্থ |
|---|---|
| গোলগাল | ভরাট |
| ছিটকিনি | দরজা-জানলা বন্ধ করার হুক, হুড়কো |
| ঝিমধরা | অবসন্ন |
| মিনার | সৌধ |
| গির্জে | গির্জা, খ্রিষ্টানদের উপাসনালয় |
| দরগাতলা | পিরের কবর ও তার সংলগ্ন স্মৃতিমন্দির |
| উটকো | অপরিচিত |
| দরবার | সভা |
| দিঘি | বড়ো পুকুর |
| কলরব | কোলাহল / বহু লোকের সমবেত আওয়াজ |
| ছড়া | শিশু-ভোলানো কবিতা |
হাতে কলমে - প্রশ্ন ও উত্তর (Textbook Exercises)
১. ঠিক শব্দটি/শব্দগুলি বেছে নিয়ে বাক্যটি আবার লেখো:
১.১ জোনাকি এক ধরনের (পাখি / মাছ / পোকা / খেলনা)।
উত্তর: জোনাকি এক ধরনের পোকা।
১.২ 'মোড়' বলতে বোঝানো হয় (গোল / বাঁক / যোগ / চওড়া)।
উত্তর: 'মোড়' বলতে বোঝানো হয় বাঁক।
১.৩ 'দরবার' শব্দটির অর্থ হলো (দরজা / সভা / দরগা / দোকান)।
উত্তর: 'দরবার' শব্দটির অর্থ হলো সভা।
১.৪ প্রকৃতির সুন্দর চেহারা যে অংশটিতে ফুটে উঠেছে সেটি হলো — (কাব্য হবে / মোড় ফিরেছি / কালো জল / ডাবের মতো চাঁদ উঠেছে)।
উত্তর: প্রকৃতির সুন্দর চেহারা যে অংশটিতে ফুটে উঠেছে সেটি হলো — ডাবের মতো চাঁদ উঠেছে।
উত্তর: জোনাকি এক ধরনের পোকা।
১.২ 'মোড়' বলতে বোঝানো হয় (গোল / বাঁক / যোগ / চওড়া)।
উত্তর: 'মোড়' বলতে বোঝানো হয় বাঁক।
১.৩ 'দরবার' শব্দটির অর্থ হলো (দরজা / সভা / দরগা / দোকান)।
উত্তর: 'দরবার' শব্দটির অর্থ হলো সভা।
১.৪ প্রকৃতির সুন্দর চেহারা যে অংশটিতে ফুটে উঠেছে সেটি হলো — (কাব্য হবে / মোড় ফিরেছি / কালো জল / ডাবের মতো চাঁদ উঠেছে)।
উত্তর: প্রকৃতির সুন্দর চেহারা যে অংশটিতে ফুটে উঠেছে সেটি হলো — ডাবের মতো চাঁদ উঠেছে।
২. 'ক' সঙ্গে 'খ' স্তম্ভ মিলিয়ে লেখো:
| ক | খ (উত্তর) |
|---|---|
| চাঁদ | শশী |
| ঠান্ডা | শীতল |
| পাহাড় | গিরি |
| জোনাকি | খদ্যোত |
| দিঘি | জলাশয় / দীর্ঘিকা |
| জল | নীর |
| ফুল | পুষ্প |
৩. শব্দঝুড়ি থেকে নিয়ে বিশেষ্য ও বিশেষণ আলাদা করে লেখো:
বিশেষ্য
চাঁদ
শহর
দরগাতলা
জোনাকি
কলরব
শহর
দরগাতলা
জোনাকি
কলরব
ঠান্ডা, চাঁদ, লাল, শহর,
দরগাতলা, জোনাকি, মস্ত,
গোলগাল, উটকো, কলরব
দরগাতলা, জোনাকি, মস্ত,
গোলগাল, উটকো, কলরব
বিশেষণ
ঠান্ডা
লাল
মস্ত
গোলগাল
উটকো
লাল
মস্ত
গোলগাল
উটকো
৪.১ 'থরথর' শব্দে 'র' বর্ণটি দুবার রয়েছে। এরকম 'ল' বর্ণটি দুবার আছে, এমন পাঁচটি শব্দ লেখো (যেমন—টলটল):
উত্তর: ঝলমল, ছলছল, খলখল, কলকল, ঢলঢল।
৪.২ 'কাছে' শব্দটিকে 'নিকটে' এবং 'দেখা করা' এই দুই অর্থে ব্যবহার করে দুটি বাক্য লেখো।
নিকটে: আমার বাড়ির কাছেই একটি সুন্দর খেলার মাঠ আছে।
দেখা করা: আজ বিকেলে আমি প্রধান শিক্ষকমশাইয়ের কাছে যাব।
দেখা করা: আজ বিকেলে আমি প্রধান শিক্ষকমশাইয়ের কাছে যাব।
৫. ক্রিয়ার নীচে দাগ দাও:
৫.১ ছিটকিনিটা আস্তে খুলে পেরিয়ে গেলাম ঘর।
৫.২ নারকোলের ঐ লম্বা মাথায় হঠাৎ দেখি কাল।
৫.৩ এসো, আমরা সবাই না ঘুমানোর দল।
৫.৪ কাব্য হবে, কাব্য কবে — জুড়ল কলরব। (এখানে 'কবে' মানে বলবে)
৫.৫ পাখির কাছে, ফুলের কাছে মনের কথা কই।
৫.২ নারকোলের ঐ লম্বা মাথায় হঠাৎ দেখি কাল।
৫.৩ এসো, আমরা সবাই না ঘুমানোর দল।
৫.৪ কাব্য হবে, কাব্য কবে — জুড়ল কলরব। (এখানে 'কবে' মানে বলবে)
৫.৫ পাখির কাছে, ফুলের কাছে মনের কথা কই।
৬. অর্থ লেখো: ঝিমধরা, উটকো, দরবার, কলরব, মিনার।
ঝিমধরা: অবসন্ন
উটকো: অপরিচিত
দরবার: সভা
কলরব: কোলাহল বা বহু লোকের সমবেত আওয়াজ
মিনার: সৌধ বা গম্বুজ
উটকো: অপরিচিত
দরবার: সভা
কলরব: কোলাহল বা বহু লোকের সমবেত আওয়াজ
মিনার: সৌধ বা গম্বুজ
৭. সমার্থক শব্দ লেখো: চাঁদ, পাখি, ফুল, গাছ, জোনাকি।
চাঁদ: চন্দ্র, শশী, ইন্দু।
পাখি: পক্ষী, খেচর, বিহগ।
ফুল: পুষ্প, কুসুম।
গাছ: বৃক্ষ, তরু, পাদপ।
জোনাকি: খদ্যোত।
পাখি: পক্ষী, খেচর, বিহগ।
ফুল: পুষ্প, কুসুম।
গাছ: বৃক্ষ, তরু, পাদপ।
জোনাকি: খদ্যোত।
৮. বিপরীতার্থক শব্দ লেখো: লম্বা, ঠান্ডা, হেসে, পদ্য, মস্ত।
লম্বা ➔ বেঁটে / খাটো
ঠান্ডা ➔ গরম
হেসে ➔ কেঁদে
পদ্য ➔ গদ্য
মস্ত ➔ ক্ষুদ্র / ছোটো
ঠান্ডা ➔ গরম
হেসে ➔ কেঁদে
পদ্য ➔ গদ্য
মস্ত ➔ ক্ষুদ্র / ছোটো
৯. কবি আল মাহমুদ সম্পর্কিত প্রশ্ন:
৯.১ কবি আল মাহমুদ কোন দেশের মানুষ?
উত্তর: কবি আল মাহমুদ বাংলাদেশের মানুষ।
৯.২ তিনি কোন বিখ্যাত আন্দোলনে সামিল হয়েছিলেন?
উত্তর: তিনি ভাষা-বিদ্রোহ বা ভাষা আন্দোলনে সামিল হয়েছিলেন।
৯.৩ তাঁর লেখা একটি বিখ্যাত বইয়ের নাম লেখো।
উত্তর: তাঁর লেখা একটি বিখ্যাত বইয়ের নাম হলো 'সোনালি কাবিন' (এছাড়া 'লোক-লোকান্তর' বা 'কালের কলম' লেখা যেতে পারে)।
উত্তর: কবি আল মাহমুদ বাংলাদেশের মানুষ।
৯.২ তিনি কোন বিখ্যাত আন্দোলনে সামিল হয়েছিলেন?
উত্তর: তিনি ভাষা-বিদ্রোহ বা ভাষা আন্দোলনে সামিল হয়েছিলেন।
৯.৩ তাঁর লেখা একটি বিখ্যাত বইয়ের নাম লেখো।
উত্তর: তাঁর লেখা একটি বিখ্যাত বইয়ের নাম হলো 'সোনালি কাবিন' (এছাড়া 'লোক-লোকান্তর' বা 'কালের কলম' লেখা যেতে পারে)।
১০. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো:
১০.১ কবি ঘর থেকে বেরিয়ে পড়েছিলেন কেন?
উত্তর: রাতের বেলায় নারকেল গাছের লম্বা মাথায় ঠান্ডা ও গোলগাল ডাবের মতো চাঁদ উঠতে দেখে কবি মুগ্ধ হয়ে যান। এই মায়াবী প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্যই কবি ঘর থেকে বেরিয়ে পড়েছিলেন।
১০.২ কবি কেন ছিটকিনিটি আস্তে খুলে ঘর থেকে বেরিয়ে এলেন?
উত্তর: গভীর রাতে বাড়ির সবাই তখন ঘুমোচ্ছিল। ছিটকিনি খোলার শব্দে যাতে বাড়ির কারো ঘুম ভেঙে না যায়, তাই কবি অত্যন্ত সন্তর্পণে আস্তে আস্তে ছিটকিনি খুলে ঘর থেকে বেরিয়ে এলেন।
১০.৩ বাইরে বেরিয়ে এসে কবি শহরকে কেমন অবস্থায় দেখলেন?
উত্তর: বাইরে বেরিয়ে এসে কবি দেখলেন, মস্ত শহরটা যেন ঝিম ধরে আছে এবং ঠান্ডায় থরথর করে কাঁপছে।
১০.৪ শহরে নেই, অথচ কবির মনে হল তিনি দেখছেন, এমন কোন কোন জিনিসের কথা কবিতায় রয়েছে?
উত্তর: সাধারণত ইট-কাঠ-পাথরের শহরে পাহাড় এবং লালদিঘি সচরাচর দেখতে পাওয়া যায় না। অথচ কবির মনে হয়েছিল তিনি একটি উটকো পাহাড় এবং জোনাকিদের দরবার বসা লালদিঘি দেখছেন। এই জিনিসগুলোর কথাই কবিতায় রয়েছে।
১০.৫ সেই রাতে জেগে থাকার দলে কারা কারা ছিল? তারা কবির কাছে কী আবদার জানিয়েছিল?
উত্তর: সেই রাতে জেগে থাকার দলে ছিল লালদিঘির জোনাকিরা, দিঘির কালো জল, আর চারপাশের ফুল ও পাখিরা।
তারা কবির কাছে পকেট থেকে ছড়ার বই বের করে পদ্য বা কাব্য শোনানোর আবদার জানিয়েছিল।
১০.৬ তাদের ডাকে সাড়া দিয়ে কবি কী করলেন?
উত্তর: দিঘির কালো জল, জোনাকি আর পাখিদের ডাকে সাড়া দিয়ে কবি পকেট থেকে তাঁর ছড়ার বই বের করলেন। এরপর তিনি নিজের মনের সমস্ত কথা পাখির আর ফুলের কাছে কবিতার ছন্দে বলতে লাগলেন।
১০.৭ রক্তজবার ঝোপের কাছে কাব্যের যে আসর বসেছিল, সেই পরিবেশটি কেমন, তা নিজের ভাষায় লেখো।
উত্তর: রাতের বেলায় লালদিঘির পাড়ে জোনাকিরা দরবার বসিয়েছিল। দিঘির কালো জল কবিকে দেখে বলেছিল, "এসো, আমরা সবাই না ঘুমানোর দল, পকেট থেকে পদ্য লেখার ভাঁজ খোলো।" রক্তজবার ঝোপের কাছে দিঘির এই কথায় ফুল আর পাখিরা হেসে উঠে কলরব জুড়েছিল কাব্য শোনার জন্য। চারপাশের এই পরিবেশটি ছিল অত্যন্ত মায়াবী, শান্ত এবং প্রকৃতির অনাবিল আনন্দে ভরপুর।
১০.৮ 'চাঁদ' কে নিয়ে তোমার পড়া বা শোনা একটি ছড়া লেখো।
উত্তর:
"আয় আয় চাঁদ মামা টিপ দিয়ে যা,
চাঁদের কপালে চাঁদ টিপ দিয়ে যা।
ধান ভানলে কুঁড়ো দেব,
মাছ কাটলে মুড়ো দেব,
কালো গোরুর দুধ দেব,
দুধ খাওয়ার বাটি দেব,
চাঁদের কপালে চাঁদ টিপ দিয়ে যা।"
উত্তর: রাতের বেলায় নারকেল গাছের লম্বা মাথায় ঠান্ডা ও গোলগাল ডাবের মতো চাঁদ উঠতে দেখে কবি মুগ্ধ হয়ে যান। এই মায়াবী প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্যই কবি ঘর থেকে বেরিয়ে পড়েছিলেন।
১০.২ কবি কেন ছিটকিনিটি আস্তে খুলে ঘর থেকে বেরিয়ে এলেন?
উত্তর: গভীর রাতে বাড়ির সবাই তখন ঘুমোচ্ছিল। ছিটকিনি খোলার শব্দে যাতে বাড়ির কারো ঘুম ভেঙে না যায়, তাই কবি অত্যন্ত সন্তর্পণে আস্তে আস্তে ছিটকিনি খুলে ঘর থেকে বেরিয়ে এলেন।
১০.৩ বাইরে বেরিয়ে এসে কবি শহরকে কেমন অবস্থায় দেখলেন?
উত্তর: বাইরে বেরিয়ে এসে কবি দেখলেন, মস্ত শহরটা যেন ঝিম ধরে আছে এবং ঠান্ডায় থরথর করে কাঁপছে।
১০.৪ শহরে নেই, অথচ কবির মনে হল তিনি দেখছেন, এমন কোন কোন জিনিসের কথা কবিতায় রয়েছে?
উত্তর: সাধারণত ইট-কাঠ-পাথরের শহরে পাহাড় এবং লালদিঘি সচরাচর দেখতে পাওয়া যায় না। অথচ কবির মনে হয়েছিল তিনি একটি উটকো পাহাড় এবং জোনাকিদের দরবার বসা লালদিঘি দেখছেন। এই জিনিসগুলোর কথাই কবিতায় রয়েছে।
১০.৫ সেই রাতে জেগে থাকার দলে কারা কারা ছিল? তারা কবির কাছে কী আবদার জানিয়েছিল?
উত্তর: সেই রাতে জেগে থাকার দলে ছিল লালদিঘির জোনাকিরা, দিঘির কালো জল, আর চারপাশের ফুল ও পাখিরা।
তারা কবির কাছে পকেট থেকে ছড়ার বই বের করে পদ্য বা কাব্য শোনানোর আবদার জানিয়েছিল।
১০.৬ তাদের ডাকে সাড়া দিয়ে কবি কী করলেন?
উত্তর: দিঘির কালো জল, জোনাকি আর পাখিদের ডাকে সাড়া দিয়ে কবি পকেট থেকে তাঁর ছড়ার বই বের করলেন। এরপর তিনি নিজের মনের সমস্ত কথা পাখির আর ফুলের কাছে কবিতার ছন্দে বলতে লাগলেন।
১০.৭ রক্তজবার ঝোপের কাছে কাব্যের যে আসর বসেছিল, সেই পরিবেশটি কেমন, তা নিজের ভাষায় লেখো।
উত্তর: রাতের বেলায় লালদিঘির পাড়ে জোনাকিরা দরবার বসিয়েছিল। দিঘির কালো জল কবিকে দেখে বলেছিল, "এসো, আমরা সবাই না ঘুমানোর দল, পকেট থেকে পদ্য লেখার ভাঁজ খোলো।" রক্তজবার ঝোপের কাছে দিঘির এই কথায় ফুল আর পাখিরা হেসে উঠে কলরব জুড়েছিল কাব্য শোনার জন্য। চারপাশের এই পরিবেশটি ছিল অত্যন্ত মায়াবী, শান্ত এবং প্রকৃতির অনাবিল আনন্দে ভরপুর।
১০.৮ 'চাঁদ' কে নিয়ে তোমার পড়া বা শোনা একটি ছড়া লেখো।
উত্তর:
"আয় আয় চাঁদ মামা টিপ দিয়ে যা,
চাঁদের কপালে চাঁদ টিপ দিয়ে যা।
ধান ভানলে কুঁড়ো দেব,
মাছ কাটলে মুড়ো দেব,
কালো গোরুর দুধ দেব,
দুধ খাওয়ার বাটি দেব,
চাঁদের কপালে চাঁদ টিপ দিয়ে যা।"
Sponsored Links