গল্পের পরিচিতি ও সারমর্ম
লেখিকা: লীলা মজুমদার
সারসংক্ষেপ:
'বুনো হাঁস' গল্পটিতে লেখিকা লীলা মজুমদার জোয়ানদের একটি ঘাঁটিতে দুটি বুনো হাঁসের আশ্রয় নেওয়ার কথা বলেছেন। শীতের শুরুতে একঝাঁক বুনো হাঁস শীতের হাত থেকে বাঁচতে উত্তর থেকে দক্ষিণের গরম দেশে উড়ে যাচ্ছিল। তাদের মধ্যে একটি হাঁসের ডানা জখম হওয়ায় সে লাডাকের বরফে ঢাকা এক নির্জন ঘাঁটিতে নেমে পড়ে। তাকে দেখে তার সঙ্গের আরেকটি হাঁসও নেমে আসে। জোয়ানরা তাদের উদ্ধার করে তাঁবুতে মুরগি রাখার জায়গায় পরম যত্নে রাখে। তারা হাঁস দুটিকে টিনের মাছ, তরকারি, ভুট্টা ইত্যাদি খেতে দেয়। সারা শীতকাল তারা জোয়ানদের আনন্দের সঙ্গী হয়ে থাকে। এরপর শীত শেষে বরফ গলে গেলে এবং ডানা সেরে উঠলে হাঁস দুটি আবার নিজেদের দেশে উড়ে যায়।
শব্দার্থ (Word Meanings)
| শব্দ | অর্থ |
|---|---|
| ফলা | তীক্ষ্ণ প্রান্ত |
| সয় না | সহ্য হয় না |
| হিমালয় | পর্বতমালার নাম |
| দ্বীপ | চারদিকে জলবেষ্টিত স্থান |
| নিরাপদ | যেখানে আপদ বা বিপদ নেই এমন |
| নির্জন | যেখানে লোকজন নেই |
| তাঁবু | কাপড়ে তৈরি বা ছাওয়া অস্থায়ী বাসস্থান |
| জখম | আহত |
| বেচারি | নিরীহ / অসহায় / নিরুপায় |
হাতে কলমে - প্রশ্ন ও উত্তর (Textbook Exercises)
১. ঠিক শব্দটি বেছে নিয়ে বাক্যটি আবার লেখো:
১.১ আকাশের দিকে তাকালে তুমি দেখ _____ (ঘরবাড়ি / গাছপালা / পোকামাকড় / মেঘ-রোদ্দুর)।
উত্তর: আকাশের দিকে তাকালে তুমি দেখ মেঘ-রোদ্দুর।
১.২ হিমালয় ছাড়া ভারতবর্ষের আরো একটি পর্বতের নাম হলো _____ (কিলিমাঞ্জারো / আরাবল্লী / আন্দিজ / রকি)।
উত্তর: হিমালয় ছাড়া ভারতবর্ষের আরো একটি পর্বতের নাম হলো আরাবল্লী।
১.৩ এক রকমের হাঁসের নাম হলো _____ (সোনা / কুনো / কালি / বালি) - হাঁস।
উত্তর: এক রকমের হাঁসের নাম হলো বালি-হাঁস।
১.৪ পাখির ডানার _____ (শোঁ শোঁ / শন্ শন্ / বৌঁ বৌঁ / গঁাঁক গঁাঁক) শব্দ শোনা যায়।
উত্তর: পাখির ডানার শোঁ শোঁ শব্দ শোনা যায়।
উত্তর: আকাশের দিকে তাকালে তুমি দেখ মেঘ-রোদ্দুর।
১.২ হিমালয় ছাড়া ভারতবর্ষের আরো একটি পর্বতের নাম হলো _____ (কিলিমাঞ্জারো / আরাবল্লী / আন্দিজ / রকি)।
উত্তর: হিমালয় ছাড়া ভারতবর্ষের আরো একটি পর্বতের নাম হলো আরাবল্লী।
১.৩ এক রকমের হাঁসের নাম হলো _____ (সোনা / কুনো / কালি / বালি) - হাঁস।
উত্তর: এক রকমের হাঁসের নাম হলো বালি-হাঁস।
১.৪ পাখির ডানার _____ (শোঁ শোঁ / শন্ শন্ / বৌঁ বৌঁ / গঁাঁক গঁাঁক) শব্দ শোনা যায়।
উত্তর: পাখির ডানার শোঁ শোঁ শব্দ শোনা যায়।
২. 'ক' এর সঙ্গে 'খ' স্তম্ভ মিলিয়ে লেখো:
| ক | খ (উত্তর) |
|---|---|
| বরফ | হিমানী |
| বুনো | বন্য |
| কুঁড়ি | কলি |
| চঞ্চল | অধীর |
| আরম্ভ | শুরু |
৩. সঙ্গী — (ঙ্ + গ) — এমন 'ঙ্গ' রয়েছে — এরকম পাঁচটি শব্দ লেখো:
উত্তর: বঙ্গ, গঙ্গা, দাঙ্গা, অঙ্গ, জঙ্গল। (এছাড়া লবঙ্গ, মঙ্গল ইত্যাদিও লেখা যায়)।
৪. ঘটনাক্রম সাজিয়ে লেখো:
(৪.১ দেশে ফিরে ওরা বাসা বাঁধবে, বাচ্চা তুলবে। ৪.২ হাঁসের ডানা জখম হল। ৪.৩ সারা শীত কেটে গেল। ৪.৪ বুনো হাঁস দক্ষিণ দিকে উড়ে যেত। ৪.৫ আরেকটা বুনো হাঁসও নেমে এসে এটার চারদিকে উড়ে বেড়াচ্ছে।)
সঠিক ঘটনাক্রম:১. (৪.৪) বুনো হাঁস দক্ষিণ দিকে উড়ে যেত।
২. (৪.২) হাঁসের ডানা জখম হল।
৩. (৪.৫) আরেকটা বুনো হাঁসও নেমে এসে এটার চারদিকে উড়ে বেড়াচ্ছে।
৪. (৪.৩) সারা শীত কেটে গেল।
৫. (৪.১) দেশে ফিরে ওরা বাসা বাঁধবে, বাচ্চা তুলবে।
৫. শূন্যস্থান পূরণ করো:
৫.১ লাডাকের একটা বরফে ঢাকা নির্জন জায়গাতে আমাদের জোয়ানদের একটা ঘাঁটি ছিল।
৫.২ জোয়ানদের মুরগি রাখার খালি জায়গা ছিল।
৫.৩ আস্তে আস্তে হাঁসের ডানা সারল।
৫.৪ দলে দলে বুনো হাঁস তিরের ফলার আকারে, কেবলই উত্তর দিকে উড়ে চলেছে।
৫.৫ ন্যাড়া গাছে পাতার আর ফুলের কুঁড়ি ধরল।
৫.২ জোয়ানদের মুরগি রাখার খালি জায়গা ছিল।
৫.৩ আস্তে আস্তে হাঁসের ডানা সারল।
৫.৪ দলে দলে বুনো হাঁস তিরের ফলার আকারে, কেবলই উত্তর দিকে উড়ে চলেছে।
৫.৫ ন্যাড়া গাছে পাতার আর ফুলের কুঁড়ি ধরল।
৬. শব্দঝুড়ি থেকে বিশেষ্য ও বিশেষণ আলাদা করে লেখো:
বিশেষ্য
লাডাক
শীতকাল
বরফ
তাঁবু
সঙ্গী
শীতকাল
বরফ
তাঁবু
সঙ্গী
বুনো, জখম, লাডাক,
শীতকাল, বরফ, তাঁবু,
গরম, ন্যাড়া, সঙ্গী, নির্জন,
বেচারি, চঞ্চল
শীতকাল, বরফ, তাঁবু,
গরম, ন্যাড়া, সঙ্গী, নির্জন,
বেচারি, চঞ্চল
বিশেষণ
বুনো
জখম
গরম
ন্যাড়া
নির্জন
বেচারি
চঞ্চল
জখম
গরম
ন্যাড়া
নির্জন
বেচারি
চঞ্চল
৭. ক্রিয়ার নীচে দাগ দাও:
৭.১ বাড়ির জন্য ওদের মন কেমন করত।
৭.২ পাখিরা আবার আসতে আরম্ভ করল।
৭.৩ দেশে ফিরে ওরা বাসা বাঁধবে।
৭.৪ সেখানে বুনো হাঁসরা রইল।
৭.۵ নিরাপদে তাদের শীত কাটে।
৭.২ পাখিরা আবার আসতে আরম্ভ করল।
৭.৩ দেশে ফিরে ওরা বাসা বাঁধবে।
৭.৪ সেখানে বুনো হাঁসরা রইল।
৭.۵ নিরাপদে তাদের শীত কাটে।
৮. বাক্য বাড়াও:
৮.১ একদিন একটা বুনো হাঁস দল ছেড়ে নীচে নেমে পড়ল। (কোথায় নেমে পড়ল?)
উত্তর: একদিন একটা বুনো হাঁস দল ছেড়ে একটা ঝোপের উপর নেমে পড়ল।
৮.২ ওরা গরম দেশে শীত কাটিয়ে আবার ফিরে যাচ্ছে। (কোথায় এবং কখন ফিরে যাচ্ছে?)
উত্তর: ওরা গরম দেশে শীত কাটিয়ে শীতের শেষে আবার নিজেদের দেশে ফিরে যাচ্ছে।
৮.৩ পাহাড়ের বরফ গলতে শুরু করল। (কোথাকার পাহাড়?)
উত্তর: নীচের পাহাড়ের বরফ গলতে শুরু করল।
৮.৪ আবার ঝোপঝাপ দেখা গেল। (কেমন ঝোপঝাপ?)
উত্তর: আবার সবুজ ঝোপঝাপ দেখা গেল।
৮.৫ গাছে পাতার আর ফুলের কুঁড়ি ধরল। (কেমন গাছে?)
উত্তর: ন্যাড়া গাছে পাতার আর ফুলের কুঁড়ি ধরল।
উত্তর: একদিন একটা বুনো হাঁস দল ছেড়ে একটা ঝোপের উপর নেমে পড়ল।
৮.২ ওরা গরম দেশে শীত কাটিয়ে আবার ফিরে যাচ্ছে। (কোথায় এবং কখন ফিরে যাচ্ছে?)
উত্তর: ওরা গরম দেশে শীত কাটিয়ে শীতের শেষে আবার নিজেদের দেশে ফিরে যাচ্ছে।
৮.৩ পাহাড়ের বরফ গলতে শুরু করল। (কোথাকার পাহাড়?)
উত্তর: নীচের পাহাড়ের বরফ গলতে শুরু করল।
৮.৪ আবার ঝোপঝাপ দেখা গেল। (কেমন ঝোপঝাপ?)
উত্তর: আবার সবুজ ঝোপঝাপ দেখা গেল।
৮.৫ গাছে পাতার আর ফুলের কুঁড়ি ধরল। (কেমন গাছে?)
উত্তর: ন্যাড়া গাছে পাতার আর ফুলের কুঁড়ি ধরল।
৯. বাক্য রচনা করো — রেডিও, চিঠিপত্র, থরথর, জোয়ান, তাঁবু।
রেডিও: আমরা রোজ সকালে রেডিওতে খবর শুনি।
চিঠিপত্র: এখন আর আগের মতো ডাকঘরে চিঠিপত্র আসে না।
থরথর: ঠান্ডায় রাস্তার কুকুরছানাটি থরথর করে কাঁপছে।
জোয়ান: আমাদের দেশের জোয়ানরা খুব সাহসী হয়।
তাঁবু: পাহাড়ে বেড়াতে গিয়ে আমরা রাতে তাঁবু খাটিয়ে ছিলাম।
চিঠিপত্র: এখন আর আগের মতো ডাকঘরে চিঠিপত্র আসে না।
থরথর: ঠান্ডায় রাস্তার কুকুরছানাটি থরথর করে কাঁপছে।
জোয়ান: আমাদের দেশের জোয়ানরা খুব সাহসী হয়।
তাঁবু: পাহাড়ে বেড়াতে গিয়ে আমরা রাতে তাঁবু খাটিয়ে ছিলাম।
১০. তোমার বইতে যে বুনো হাঁসের ছবি দেওয়া আছে, সেটি দেখে আঁকো ও রং করো।
উত্তর: (ছাত্রছাত্রীরা নিজেদের কল্পনায় বা বইয়ের পাতা দেখে হাঁসের ছবিটি খাতায় আঁকবে ও রং করবে।)
১১. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো:
১১.১ জোয়ানদের ঘাঁটি কোথায় ছিল?
উত্তর: লাডাকের একটা বরফে ঢাকা নির্জন জায়গাতে জোয়ানদের ঘাঁটি ছিল।
১১.২ জোয়ানরা কী কাজ করে?
উত্তর: জোয়ানরা দেশের সীমানা পাহারা দেয় এবং শত্রুর হাত থেকে দেশের নিরাপত্তা রক্ষা করে।
১১.৩ দুটো বুনো হাঁস দলছুট হয়েছিল কেন?
উত্তর: প্রথম বুনো হাঁসটির ডানা জখম হওয়ায় সে উড়তে না পেরে দলছুট হয়ে নীচে নেমে পড়েছিল। তাকে সঙ্গ দিতে ও তাকে রক্ষা করতে দ্বিতীয় হাঁসটিও তার সঙ্গে নীচে নেমে আসে, ফলে দুজনেই দলছুট হয়।
১১.৪ বুনো হাঁসেরা জোয়ানদের তাঁবুতে কী খেত?
উত্তর: বুনো হাঁসেরা জোয়ানদের তাঁবুতে টিনের মাছ, তরকারি, ভুট্টা, ভাত, ফলের কুচি প্রভৃতি খেত।
১১.৫ হাঁসেরা আবার কোথায়, কখন ফিরে গেল?
উত্তর: শীতকাল শেষ হলে যখন নীচের পাহাড়ের বরফ গলতে শুরু করল এবং গাছে সবুজ পাতা ও ফুলের কুঁড়ি ধরল, তখন হাঁসেরা আবার তাদের নিজেদের দেশে ফিরে গেল।
১১.৬ 'এমনি করে সারা শীত দেখতে দেখতে কেটে গেল'— কেমন করে সারা শীতকাল কাটল? এরপর কী ঘটনা ঘটল?
উত্তর: জখম হওয়া বুনো হাঁস এবং তার সঙ্গী হাঁসটি সারা শীতকাল জোয়ানদের তাঁবুতে মুরগি রাখার খালি জায়গায় আনন্দে কাটাল। জোয়ানরা পরম মমতায় তাদের দেখাশোনা করত। এভাবেই সারা শীতকাল কেটে গেল।
এরপর শীত শেষে বরফ গলতে শুরু করলে এবং গাছে পাতা গজালে, হাঁসটি একটু একটু করে উড়তে চেষ্টা করত। একদিন জোয়ানরা সকালে কাজ সেরে এসে দেখল বুনো হাঁস দুটি উড়ে তাদের দেশের দিকে চলে গেছে।
উত্তর: লাডাকের একটা বরফে ঢাকা নির্জন জায়গাতে জোয়ানদের ঘাঁটি ছিল।
১১.২ জোয়ানরা কী কাজ করে?
উত্তর: জোয়ানরা দেশের সীমানা পাহারা দেয় এবং শত্রুর হাত থেকে দেশের নিরাপত্তা রক্ষা করে।
১১.৩ দুটো বুনো হাঁস দলছুট হয়েছিল কেন?
উত্তর: প্রথম বুনো হাঁসটির ডানা জখম হওয়ায় সে উড়তে না পেরে দলছুট হয়ে নীচে নেমে পড়েছিল। তাকে সঙ্গ দিতে ও তাকে রক্ষা করতে দ্বিতীয় হাঁসটিও তার সঙ্গে নীচে নেমে আসে, ফলে দুজনেই দলছুট হয়।
১১.৪ বুনো হাঁসেরা জোয়ানদের তাঁবুতে কী খেত?
উত্তর: বুনো হাঁসেরা জোয়ানদের তাঁবুতে টিনের মাছ, তরকারি, ভুট্টা, ভাত, ফলের কুচি প্রভৃতি খেত।
১১.৫ হাঁসেরা আবার কোথায়, কখন ফিরে গেল?
উত্তর: শীতকাল শেষ হলে যখন নীচের পাহাড়ের বরফ গলতে শুরু করল এবং গাছে সবুজ পাতা ও ফুলের কুঁড়ি ধরল, তখন হাঁসেরা আবার তাদের নিজেদের দেশে ফিরে গেল।
১১.৬ 'এমনি করে সারা শীত দেখতে দেখতে কেটে গেল'— কেমন করে সারা শীতকাল কাটল? এরপর কী ঘটনা ঘটল?
উত্তর: জখম হওয়া বুনো হাঁস এবং তার সঙ্গী হাঁসটি সারা শীতকাল জোয়ানদের তাঁবুতে মুরগি রাখার খালি জায়গায় আনন্দে কাটাল। জোয়ানরা পরম মমতায় তাদের দেখাশোনা করত। এভাবেই সারা শীতকাল কেটে গেল।
এরপর শীত শেষে বরফ গলতে শুরু করলে এবং গাছে পাতা গজালে, হাঁসটি একটু একটু করে উড়তে চেষ্টা করত। একদিন জোয়ানরা সকালে কাজ সেরে এসে দেখল বুনো হাঁস দুটি উড়ে তাদের দেশের দিকে চলে গেছে।
১২. কোনো পশু বা পাখির প্রতি তোমার সহমর্মিতার একটা ছোট্ট ঘটনার কথা লেখো।
উত্তর: একবার বর্ষাকালে একটি ছোট্ট শালিখ পাখির ছানা গাছ থেকে আমাদের বাড়ির উঠোনে পড়ে গিয়েছিল। সে উড়তে পারছিল না এবং খুব ভয় পেয়েছিল। আমি আর আমার বোন মিলে ছানাটিকে তুলে এনে একটি ঝুড়িতে তুলো দিয়ে নরম বিছানা করে দিই। কিছুদিন তাকে আমরা নিয়ম করে ড্রপার দিয়ে জল ও খাবার খাইয়েছি। ধীরে ধীরে সে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠে এবং একদিন ডানা ঝাপটিয়ে আকাশে উড়ে যায়।
১৩. লীলা মজুমদার (১৯০৮-২০০৭) সম্পর্কিত প্রশ্ন:
১৩.১ লীলা মজুমদারের জন্ম কোন শহরে?
উত্তর: লীলা মজুমদারের জন্ম কলকাতা শহরে।
১৩.২ তাঁর শৈশব কোথায় কেটেছে?
উত্তর: তাঁর শৈশব কেটেছে শিলং পাহাড়ে।
১৩.৩ ছোটোদের জন্য লেখা তাঁর দুটি বইয়ের নাম লেখো।
উত্তর: ছোটোদের জন্য লেখা তাঁর দুটি বিখ্যাত বইয়ের নাম হলো ‘পদিপিসির বর্মিবাক্স’ এবং ‘হলদে পাখির পালক’।
উত্তর: লীলা মজুমদারের জন্ম কলকাতা শহরে।
১৩.২ তাঁর শৈশব কোথায় কেটেছে?
উত্তর: তাঁর শৈশব কেটেছে শিলং পাহাড়ে।
১৩.৩ ছোটোদের জন্য লেখা তাঁর দুটি বইয়ের নাম লেখো।
উত্তর: ছোটোদের জন্য লেখা তাঁর দুটি বিখ্যাত বইয়ের নাম হলো ‘পদিপিসির বর্মিবাক্স’ এবং ‘হলদে পাখির পালক’।
Sponsored Links