আকাশের দুই বন্ধু (Akasher Dui Bondhu) Class 5 Bengali Question Answer

Complete textbook solutions, summary, and grammar notes for WBBSE Class 5 Bengali (পাতাবাহার) story 'আকাশের দুই বন্ধু' by Sailen Ghosh.

Shilpi Mondal
Shilpi Mondal
Uploaded: 18 April 2026 Last Update: 09 June 2026

গল্পের পরিচিতি ও সারমর্ম

সারসংক্ষেপ: শিশুসাহিত্যিক শৈলেন ঘোষের লেখা 'আকাশের দুই বন্ধু' গল্পটিতে একটি চাঁদিয়াল এবং একটি পেটকাটা ঘুড়ির বন্ধুত্বের সুন্দর কাহিনি বলা হয়েছে।

ঘুড়ি হলো মানুষের হাতে গড়া কাগজের খেলনা। উৎসবের দিনে মানুষ আকাশে ঘুড়ি ওড়ায় এবং তাদের মধ্যে প্যাঁচের লড়াই লাগিয়ে আনন্দ পায়। লড়াইয়ে হেরে যাওয়া ঘুড়িটি কেটে গেলে মানুষের কাছে তা নিছকই একটি আবর্জনা হয়ে যায়। একদিন আকাশে উড়তে উড়তে চাঁদিয়াল ও পেটকাটা নামের দুটি ঘুড়ির পরিচয় হয়। তারা বুঝতে পারে মানুষের হাতে তারা কতটা অসহায় এবং পরাধীন। তাই তারা দুজনে ঠিক করে যে, লড়াইয়ের সময় তারা একে অপরের সুতো জড়িয়ে প্রাণপণে টান মারবে। এই বুদ্ধিতে তারা তাদের ভাগ্য-নিয়ন্ত্রক সুতোটি ছিঁড়ে ফেলতে সক্ষম হয় এবং মানুষের গোলামি থেকে মুক্তি পেয়ে স্বাধীনভাবে আকাশে ভেসে যায়। গল্পটি আমাদের একতা ও স্বাধীনতার গুরুত্ব শেখায়।

শব্দার্থ (Word Meanings)

শব্দঅর্থ
কুঁড়িমুকুল
বাহাররূপ বা সৌন্দর্য
গোলামভৃত্য বা চাকর
সাধ্যক্ষমতা
নিস্তারঅব্যাহতি বা মুক্তি
হতভম্ববুদ্ধি ঘুলিয়ে গেছে এমন / অবাক
মুক্তস্বাধীন

হাতে কলমে - প্রশ্ন ও উত্তর (Textbook Exercises)

১. নির্দেশ অনুসারে উত্তর দাও :

১.১ আকাশের দিকে তাকিয়ে তুমি কী কী দেখতে পাও?
উত্তর: আকাশের দিকে তাকিয়ে আমি মেঘ, সূর্য, চাঁদ, তারা, পাখি, উড়োজাহাজ এবং ঘুড়ি দেখতে পাই।

১.২ আকাশে তুমি কী কী উড়তে দেখেছ?
উত্তর: আকাশে আমি পাখি, ঘুড়ি, উড়োজাহাজ, হেলিকপ্টার, বেলুন এবং মেঘ উড়তে বা ভাসতে দেখেছি।

১.৩ কোন কোন উৎসবে তুমি ঘুড়ি উড়তে দেখেছ?
উত্তর: আমি বিশ্বকর্মা পুজো, মকর সংক্রান্তি, এবং স্বাধীনতা দিবসের মতো উৎসবে ঘুড়ি উড়তে দেখেছি।

১.৪ আকাশ কেমন থাকলে ঘুড়ি ওড়াতে সুবিধা হয়? ঘুড়ি ওড়াতে গেলেই বা কী কী লাগে?
উত্তর: আকাশ মেঘমুক্ত পরিষ্কার থাকলে এবং সুন্দর হাওয়া দিলে ঘুড়ি ওড়াতে সুবিধা হয়। ঘুড়ি ওড়াতে গেলে একটি ঘুড়ি, লাটাই এবং মাঞ্জা দেওয়া সুতো লাগে।

১.৫ ঘুড়ি সাধারণত কোন কোন জিনিস দিয়ে তৈরি হয়? সুতোয় মাঞ্জা দিতে কী কী লাগে?
উত্তর: ঘুড়ি সাধারণত পাতলা কাগজ এবং বাঁশের সরু কাঠি (বাখারি) দিয়ে তৈরি হয়। সুতোয় মাঞ্জা দিতে মিহি কাঁচের গুঁড়ো, আঠা (ভাতের ফ্যান বা সিরিষ), সাবু এবং রং লাগে।

১.৬ 'আকাশের দুই বন্ধু' গল্পে দুটি জিনিস নিজেদের মধ্যে কথাবার্তা বলেছে। অপ্রাণীবাচক দুটি জিনিস নিজেদের মধ্যে কথা বলেছে, এমন আর কোন গল্প তুমি জানো?
উত্তর: অপ্রাণীবাচক জিনিস নিজেদের মধ্যে কথা বলছে, এমন একটি গল্প হলো হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান অ্যান্ডারসনের 'টিনের সেপাই' (The Steadfast Tin Soldier)। এছাড়া সুকুমার রায়ের অনেক গল্প বা ছড়াতেও এমন দেখা যায়।

২. নীচের এলোমেলো শব্দগুলো সাজিয়ে লেখো :

ঠিপকাঁকা ➔ কাঁপকাঠি
নিনিনাচোকাবা ➔ নাকানিচোবানি
নার্জ আব ➔ আবর্জনা
করঘুপা ➔ ঘুরপাক

৩. 'ক' আর 'খ'-স্তম্ভ মিলিয়ে লেখো :

ক খ (সঠিক উত্তর)
মা-পাখিডিমে তা দেয়
ছানাপোনাকিচিরমিচির করে
চোখপিটপিটিয়ে দেখে
বাজনাবাজে
ফুলফোটে
নদীবয়ে যায়

৪. ঠিক উত্তরটা বেছে নিয়ে প্রতিটি বাক্য আবার লেখো :

৪.১ এমনি করে পৃথিবী রোজ (নতুন / পুরোনো) হচ্ছে।
উত্তর: এমনি করে পৃথিবী রোজ নতুন হচ্ছে।

৪.২ বুকের (ঝাঁপকাঠি / কাঁপকাঠি) ছিটকে গেলে, সে তখন একটা কাগজের টুকরো।
উত্তর: বুকের কাঁপকাঠি ছিটকে গেলে, সে তখন একটা কাগজের টুকরো।

৪.৩ একসঙ্গে লড়াই না করলে কেউ বোধহয় (বিস্তার / নিস্তার) পায় না।
উত্তর: একসঙ্গে লড়াই না করলে কেউ বোধহয় নিস্তার পায় না।

৫. নীচের অনুচ্ছেদের বাক্যগুলিতে দেখো কোন কোন শব্দে মনে হচ্ছে কাজ শেষ হয়ে গেছে (সমাপিকা), আর কোন কোন শব্দে মনে হচ্ছে কাজ শেষ হয়নি (অসমাপিকা), সেগুলি আলাদা করে লেখো :

(অনুচ্ছেদ: ওদের কিনে আনা হয়েছে... কেউ চোখ ফিরিয়ে দেখবে না তাকে।)

যে শব্দে মনে হচ্ছে কাজ শেষ হয়নি (অসমাপিকা ক্রিয়া): কিনে, খেতে, হয়ে, গড়িয়ে, পড়তে, লুটিয়ে, খেয়ে, ছিটকে, ফিরিয়ে।

যে শব্দে মনে হচ্ছে কাজ শেষ হয়ে গেছে (সমাপিকা ক্রিয়া): আনা হয়েছে, উড়বে, করবে, পড়বে, জানে না, পারে, দেখবে না।

৬. চাঁদিয়াল আর পেটকাটা- গল্পে ঘুড়ি দুটোর নাম পেলে। আরো অনেকরকম নাম হয় ঘুড়িদের, বড়োদের কাছে জেনে নাও, তারপর লেখো।

উত্তর: চাঁদিয়াল ও পেটকাটা ছাড়াও আরও কয়েক রকম ঘুড়ির নাম হলো— মুখপোড়া, বগ্গা, চারকোণা, সাপঘুড়ি, চিলঘুড়ি, সতরঞ্জি এবং পতেঙ্গা।

৭. ঘুড়িদের প্যাঁচের লড়াইয়ে একটা অদ্ভুত ফল হয়েছে গল্পে... সচরাচর এমন লড়াইয়ে যেটা হয়, সেটা চার-পাঁচ লাইনে লেখো।

উত্তর: সচরাচর আকাশে প্যাঁচের লড়াইয়ে দুটি ঘুড়ির মধ্যে সুতোর ভীষণ ঘষাঘষি হয়। যার সুতোয় মাঞ্জা বেশি ধারালো, সে অন্য ঘুড়ির সুতো কেটে দেয়। হেরে যাওয়া ঘুড়িটি তখন ভোঁকাট্টা হয়ে হাওয়ায় ভাসতে ভাসতে দূরে কোথাও ছাদ, গাছ বা ইলেকট্রিক তারে আটকে যায়, বা নদীর জলে পড়ে নষ্ট হয়ে যায়। আর যে ঘুড়িটি জেতে, তার মালিকরা আনন্দে উল্লাসে চিৎকার করে ওঠে।

৮. চাঁদিয়াল আর পেটকাটা- এই দুই ঘুড়ি আকাশ থেকে নীচের পৃথিবীকে দেখে অনেক গল্প করেছে। মনে করো, তুমি উড়ে যেতে পেরেছ আকাশে, সঙ্গে তোমার বন্ধুও আছে। আকাশ থেকে নীচের পৃথিবীকে দেখে কী গল্প করবে তোমরা, সেটা লেখো।

উত্তর: আকাশে বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে উড়তে পারলে আমি বলতাম, "দেখ বন্ধু, ওপর থেকে নীচের বড়ো বড়ো বাড়িগুলোকে কেমন ছোটো দেশলাই বাক্সের মতো লাগছে! আর ওই নদীটাকে দেখ, ঠিক যেন একটা রুপোলি ফিতে এঁকেবেঁকে চলে গেছে।" বন্ধু হয়তো বলত, "হ্যাঁ রে, আর ওই সবুজ বনটাকে দেখে মনে হচ্ছে যেন একটা সবুজ কার্পেট পাতা আছে। ইস, পাখিদের মতো স্বাধীনভাবে আকাশে উড়তে কী মজাই না লাগে!"
Advertisement

৯. অর্থ লেখো :

কুঁড়ি: মুকুল
বাহার: রূপ বা সৌন্দর্য
গোলাম: দাস বা চাকর
মুক্ত: স্বাধীন বা বাঁধনহীন

১০. সমার্থক শব্দ লেখো :

নদী: তটিনী, স্রোতস্বিনী
আকাশ: গগন, নভঃ, অম্বর
গাছ: তরু, বৃক্ষ, উদ্ভিদ
বন্ধু: সখা, মিত্র
সাগর: সমুদ্র, পারাবার, জলধি

১১. বিপরীতার্থক শব্দ লেখো :

চিৎকার — ফিসফিস / চুপ
আনন্দ — নিরানন্দ / দুঃখ
ঠিক — ভুল / বেঠিক
অসহায় — সনাথ / সহায়
সাধ্য — অসাধ্য

১২. বাক্য রচনা করো :

বন্ধুত্ব: ছোটোবেলা থেকে রাম ও শ্যামের মধ্যে গভীর বন্ধুত্ব রয়েছে।
চোখ: মেয়েটির ডাগর ডাগর চোখ দুটি দেখতে খুব সুন্দর।
দয়া: বিপদে পড়া গরিব মানুষটিকে দয়া করা আমাদের কর্তব্য।
ভোঁকাট্টা: প্যাঁচে হেরে গিয়ে লাল ঘুড়িটা ভোঁকাট্টা হয়ে বহুদূরে উড়ে গেল।
উল্লাস: ফুটবল ম্যাচে জেতার পর পাড়ার ছেলেরা আনন্দে উল্লাসে মেতে উঠল।

১৩. কোনটি কোন প্রকারের বাক্য লেখো :

১৩.১ মনে মনে বলব, বাঃ! ➔ বিস্ময়বোধক বাক্য (বা আবেগসূচক বাক্য)।
১৩.২ তুই কেমন করে জানলি? ➔ প্রশ্নবোধক বাক্য।
১৩.৩ বরফ নাকি খুব ঠান্ডা! ➔ বিস্ময়বোধক বাক্য।
১৩.৪ জানে শুধু আকাশ। ➔ বিবৃতিমূলক বাক্য (বা নির্দেশক বাক্য)।
১৩.৫ খাবার চাইছে মায়ের কাছে। ➔ বিবৃতিমূলক বাক্য।

১৪. কোনটি কোন ধরনের শব্দ আলাদা করে লেখো :

(শব্দ: দেখা, বড়, প্রাণ, নতুন, কে, ওদের, ঠান্ডা, শক্ত, ভয়, সবুজ, ভাবছে, মুক্ত, কেউ, সুতো, যে, লড়াই, আর, ওই, ডাক, ওর, আমরা, রক্ষা, টান, রাখে।)

পদের প্রকারশব্দগুলি
বিশেষ্য (Noun)প্রাণ, ভয়, সুতো, লড়াই, ডাক, রক্ষা, টান।
বিশেষণ (Adjective)বড়, নতুন, ঠান্ডা, শক্ত, সবুজ, মুক্ত।
সর্বনাম (Pronoun)কে, ওদের, কেউ, যে, ওই, ওর, আমরা।
অব্যয় (Conjunction/Interjection)আর।
ক্রিয়া (Verb)দেখা, ভাবছে, রাখে।

১৫. ক্রিয়ার নীচে দাগ দাও :

১৫.১ কে জানত, একদিন হঠাৎ ওদের দেখা হবে।
১৫.২ আবর্জনা নিয়ে কে আর দয়া দেখায়!
১৫.৩ এমনি করে রোজ পৃথিবী নতুন হচ্ছে।
১৫.৪ উল্লাসে ভরে যায় চারিদিক।
১৫.৫ জানে শুধু আকাশ।

১৬. শৈলেন ঘোষ সম্পর্কিত প্রশ্ন :

১৬.১ 'অরুণ বরুণ কিরণমালা' বইটি কার লেখা?
উত্তর: 'অরুণ বরুণ কিরণমালা' শিশু নাটকটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক শৈলেন ঘোষের লেখা।

১৬.২ তাঁর অন্যান্য দুটি বইয়ের নাম লেখো?
উত্তর: তাঁর লেখা অন্যান্য দুটি বই হলো— 'মিতুল নামে পুতুলটি' এবং 'আমার নাম টায়রা'।

১৬.৩ তোমার পাঠ্য 'আকাশের দুই বন্ধু' গল্পটি কোন বই থেকে নেওয়া হয়েছে?
উত্তর: আমার পাঠ্য 'আকাশের দুই বন্ধু' গল্পটি তাঁর লেখা 'স্বপ্ন দেখি রূপকথায়' বই থেকে নেওয়া হয়েছে।

১৭. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো :

১৭.১ গল্পে প্রকৃতির বৈচিত্র্যময়, সুন্দর রূপ কীভাবে ফুটে উঠেছে?
উত্তর: গল্পটিতে প্রকৃতির এক অসামান্য সুন্দর রূপ বর্ণিত হয়েছে। মাটি খুঁড়ে বীজ থেকে গাছের জন্ম নেওয়া, তাতে সবুজ পাতা ছড়ানো ও হাওয়ায় দোলা, ফুলের কুঁড়ি থেকে সুন্দর ফুল ফোটা, গাছে পাখির বাসা, মা-পাখির ডিমে তা দেওয়া এবং ডিম ফুটে কিচিরমিচির করতে থাকা ছানাদের জন্ম নেওয়া— এই সমস্ত বর্ণনার মধ্য দিয়েই লেখক প্রকৃতির সজীব ও বৈচিত্র্যময় সুন্দর রূপকে ফুটিয়ে তুলেছেন।

১৭.২ পেটকাটা ও চাঁদিয়ালের কীভাবে দেখা হয়েছিল? তাদের বন্ধুত্বই বা কীভাবে গড়ে উঠল?
উত্তর: উৎসবের দিন ছাদ বা ফাঁকা জমি থেকে পেটকাটা ও চাঁদিয়াল ঘুড়ি দুটিকে আকাশে ওড়ানো হয়েছিল। আকাশে উড়তে উড়তেই তাদের দুজনের প্রথম দেখা হয়।
একে অপরের দিকে তাকিয়ে তারা কথা বলতে শুরু করে। নদী, পাহাড়, ঝরনার সৌন্দর্য নিয়ে আলোচনা করতে করতে তারা নিজেদের অসহায়তার কথা বুঝতে পারে। তারা উপলব্ধি করে যে মানুষের হাতের সুতোই তাদের ভাগ্য নিয়ন্ত্রণ করছে। এই একই দুঃখ ও অসহায়তার অনুভূতি থেকেই তাদের মধ্যে গভীর বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে।

১৭.৩ বন্ধুত্বকে অটুট রাখতে তারা কী সিদ্ধান্ত নিয়েছিল?
উত্তর: তারা বুঝতে পেরেছিল যে, মানুষের প্যাঁচের খেলায় হেরে গেলে তাদের মধ্যে একজন নষ্ট হয়ে যাবে। তাই নিজেদের বন্ধুত্বকে অটুট রাখতে ও মানুষের গোলামি থেকে বাঁচতে তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে, প্যাঁচের সময় তারা কেউ কাউকে ছাড়বে না। তারা ইচ্ছে করে একে অপরের সুতো জড়িয়ে প্রাণপণে টান মারবে, যাতে সুতো ছিঁড়ে গিয়ে তারা দুজনেই রক্ষা পেতে পারে।

১৭.৪ তাদের পরিকল্পনা শেষ পর্যন্ত কীভাবে সফল হল?
উত্তর: দুই ঘুড়ির মালিক যখন তাদের মধ্যে প্যাঁচের লড়াই শুরু করল, তখন পেটকাটা ও চাঁদিয়াল লড়াই করার বদলে একে অপরের সুতো পেঁচিয়ে জোরে টান মারল। ফলে দুটি ঘুড়িরই সুতো ছিঁড়ে গেল এবং তারা দুজনেই মানুষের হাতের বাঁধন থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীনভাবে আকাশে ভেসে গেল। এভাবেই তাদের এক হওয়ার পরিকল্পনা শেষ পর্যন্ত সফল হয়েছিল।

১৭.৫ গল্পে আকাশ কীভাবে দুটি বন্ধু-ঘুড়ির বন্ধু হয়ে উঠল?
উত্তর: সুতো ছিঁড়ে যাওয়ার পর মুক্ত চাঁদিয়াল ও পেটকাটাকে বিশাল আকাশ সস্নেহে নিজের বুকে জায়গা দিয়েছিল। তারা ভাসতে ভাসতে কোথায় হারিয়ে যাবে তা পৃথিবীর কোনো মানুষ জানে না, তা জানে কেবল ওই আকাশ। কারণ, আকাশ তাদের মুক্ত ও স্বাধীন হওয়ার সুযোগ দিয়ে তাদের সত্যিকারের বন্ধু হয়ে উঠেছিল।
Sponsored Links

আকাশের দুই বন্ধু (Class 5 Bengali) - প্রশ্নোত্তর ও জিজ্ঞাস্য

আকাশের দুই বন্ধু গল্পটি লিখেছেন শিশুসাহিত্যিক শৈলেন ঘোষ।

গল্পের বন্ধু দুটি হলো কাগজের তৈরি দুটি ঘুড়ি, যাদের নাম চাঁদিয়াল এবং পেটকাটা।

মানুষের প্যাঁচের লড়াইয়ে ধ্বংস হওয়ার হাত থেকে বাঁচতে ঘুড়ি দুটি ইচ্ছে করে নিজেদের সুতো একে অপরের সঙ্গে জড়িয়ে প্রাণপণে টান মারে। ফলে সুতো ছিঁড়ে যায় এবং তারা স্বাধীনভাবে আকাশে উড়ে মুক্তি পায়।