কবিতার পরিচিতি ও সারমর্ম
কবি: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সারসংক্ষেপ:
'বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর' কবিতায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক বাদলা বা বৃষ্টির দিনের অপরূপ সুন্দর স্মৃতিচারণা করেছেন। মেঘলা দিনে যখন দিনের আলো নিভে আসে এবং আকাশে মেঘেরা ভিড় করে, তখন নদীর এপার-ওপার এক মায়াবী রূপ ধারণ করে। মেঘের গুরুগুরু ডাক আর টাপুর টুপুর বৃষ্টির শব্দে কবির মনে পড়ে যায় তাঁর হারিয়ে যাওয়া ছেলেবেলার দিনগুলো।
কবির মনে পড়ে যায় তাঁর মায়ের সেই হাসিমুখ, ঘরে শুয়ে থাকা ছোটো খোকার দুষ্টুমি এবং রূপকথার সুয়োরানি ও দুয়োরানির গল্প। সেই সাথে শিবঠাকুরের বিয়ের কথা এবং ছেলেবেলার সেই বিখ্যাত ছড়া "বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর নদেয় এল বান"— বারবার কবির মনের কোণে ফিরে আসে। বৃষ্টির এই স্নিগ্ধ পরিবেশ যেন কবিকে তাঁর শৈশবের মধুর স্মৃতিতে ফিরিয়ে নিয়ে যায়।
কবির মনে পড়ে যায় তাঁর মায়ের সেই হাসিমুখ, ঘরে শুয়ে থাকা ছোটো খোকার দুষ্টুমি এবং রূপকথার সুয়োরানি ও দুয়োরানির গল্প। সেই সাথে শিবঠাকুরের বিয়ের কথা এবং ছেলেবেলার সেই বিখ্যাত ছড়া "বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর নদেয় এল বান"— বারবার কবির মনের কোণে ফিরে আসে। বৃষ্টির এই স্নিগ্ধ পরিবেশ যেন কবিকে তাঁর শৈশবের মধুর স্মৃতিতে ফিরিয়ে নিয়ে যায়।
শব্দার্থ (Word Meanings)
| শব্দ | অর্থ |
|---|---|
| ঝাপসা | অস্পষ্ট |
| মানিক | চুনি, মূল্যবান রত্ন |
| বাদলা | মেঘলা বা বৃষ্টির দিন |
| পল | মুহূর্ত বা ক্ষণ |
| দৌরাত্ম্য | দুরন্তপনা বা দুষ্টুমি |
| গুরুগুরু | মেঘ ডাকার গম্ভীর শব্দ |
হাতে কলমে - প্রশ্ন ও উত্তর (Textbook Exercises)
১. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো :
১.১ কোন কোন বাংলা মাসে সাধারণত বৃষ্টি হয়?
উত্তর: সাধারণত আষাঢ় এবং শ্রাবণ মাসে বৃষ্টি হয়। (তবে বর্ষাকাল ছাড়া অন্য সময়েও বৃষ্টি হতে পারে)।
১.২ মেঘলা দিনে আকাশ ও তোমার চারপাশের প্রকৃতি কেমন রূপ ধারণ করে?
উত্তর: মেঘলা দিনে আকাশ ঘন কালো মেঘে ঢাকা থাকে। দিনের বেলাতেও চারপাশ অন্ধকার হয়ে আসে। মাঝে মাঝে বিদ্যুৎ চমকায় এবং মেঘের গম্ভীর ডাক শোনা যায়। চারপাশের গাছপালা স্থির ও শান্ত হয়ে থাকে, আর একটা স্নিগ্ধ ও মনোরম পরিবেশ তৈরি হয়।
১.৩ বৃষ্টির সঙ্গে জড়িয়ে আছে—তোমার জীবনে মনে রাখার মতো এমন কোনো ঘটনার কথা লেখো।
উত্তর: (ছাত্রছাত্রীরা নিজেদের অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পারে। উদাহরণস্বরূপ:) একবার স্কুল থেকে ফেরার পথে খুব জোরে বৃষ্টি শুরু হয়েছিল। আমার কাছে ছাতা ছিল না বলে আমি একটা পুরোনো মন্দিরের বারান্দায় আশ্রয় নিই। সেখানে আরও কয়েকটি ছেলেমেয়ে দাঁড়িয়েছিল। আমরা সবাই মিলে খুব মজা করে বৃষ্টির গান গেয়েছিলাম এবং কাগজের নৌকো বানিয়ে জলে ভাসিয়েছিলাম। দিনটি আমার খুব মনে পড়ে।
১.৪ পুকুরে, টিনের চালে, গাছের পাতায়—বৃষ্টি পড়ার শব্দগুলো কেমন হয় লেখো।
উত্তর: পুকুরের জলে বৃষ্টি পড়লে টুপটাপ বা ঝমঝম শব্দ হয়। টিনের চালে বৃষ্টি পড়লে টাপুর-টুপুর বা খুব জোরে ঝনঝন শব্দ হয়। আর গাছের পাতায় বৃষ্টি পড়লে পটর-পটর বা টুপটাপ শব্দ হয়।
উত্তর: সাধারণত আষাঢ় এবং শ্রাবণ মাসে বৃষ্টি হয়। (তবে বর্ষাকাল ছাড়া অন্য সময়েও বৃষ্টি হতে পারে)।
১.২ মেঘলা দিনে আকাশ ও তোমার চারপাশের প্রকৃতি কেমন রূপ ধারণ করে?
উত্তর: মেঘলা দিনে আকাশ ঘন কালো মেঘে ঢাকা থাকে। দিনের বেলাতেও চারপাশ অন্ধকার হয়ে আসে। মাঝে মাঝে বিদ্যুৎ চমকায় এবং মেঘের গম্ভীর ডাক শোনা যায়। চারপাশের গাছপালা স্থির ও শান্ত হয়ে থাকে, আর একটা স্নিগ্ধ ও মনোরম পরিবেশ তৈরি হয়।
১.৩ বৃষ্টির সঙ্গে জড়িয়ে আছে—তোমার জীবনে মনে রাখার মতো এমন কোনো ঘটনার কথা লেখো।
উত্তর: (ছাত্রছাত্রীরা নিজেদের অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পারে। উদাহরণস্বরূপ:) একবার স্কুল থেকে ফেরার পথে খুব জোরে বৃষ্টি শুরু হয়েছিল। আমার কাছে ছাতা ছিল না বলে আমি একটা পুরোনো মন্দিরের বারান্দায় আশ্রয় নিই। সেখানে আরও কয়েকটি ছেলেমেয়ে দাঁড়িয়েছিল। আমরা সবাই মিলে খুব মজা করে বৃষ্টির গান গেয়েছিলাম এবং কাগজের নৌকো বানিয়ে জলে ভাসিয়েছিলাম। দিনটি আমার খুব মনে পড়ে।
১.৪ পুকুরে, টিনের চালে, গাছের পাতায়—বৃষ্টি পড়ার শব্দগুলো কেমন হয় লেখো।
উত্তর: পুকুরের জলে বৃষ্টি পড়লে টুপটাপ বা ঝমঝম শব্দ হয়। টিনের চালে বৃষ্টি পড়লে টাপুর-টুপুর বা খুব জোরে ঝনঝন শব্দ হয়। আর গাছের পাতায় বৃষ্টি পড়লে পটর-পটর বা টুপটাপ শব্দ হয়।
২. 'ক' স্তম্ভের সঙ্গে 'খ' স্তম্ভ মেলাও :
| ক | খ (উত্তর) |
|---|---|
| ঝাপসা | অস্পষ্ট |
| ছেলেবেলা | শৈশব |
| বিছানা | শয্যা |
| দুরন্ত | দামাল |
| বান | বন্যা |
৩. বেমানান শব্দের তলায় দাগ দাও :
৩.১ সূর্য, মেঘ, বৃষ্টি, আকাশ, বাড়ি। (বাকিগুলো প্রকৃতির অঙ্গ, বাড়ি মানুষের তৈরি)
৩.২ ডোবে ডোবে, লোভে লোভে, পলে পলে, দেশে দেশে, টাপুর টুপুর। (বাকিগুলো একই শব্দের পুনরাবৃত্তি, টাপুর টুপুর হলো ধ্বন্যাত্মক শব্দ)
৩.৩ গাছপালা, মেঘ, হাওয়া, বাদল, মানিক। (বাকিগুলো প্রকৃতির সাথে যুক্ত, মানিক হলো রত্ন)
৩.৪ মা, খোকা, দৌরাত্ম্য, হাসিমুখ, শিবঠাকুর। (বাকিগুলো শিশু ও মায়ের সাথে যুক্ত)
৩.৫ মেঘের খেলা, লুকোচুরি, টাপুর টুপুর, নদী, সুয়োরানি। (সুয়োরানি রূপকথার চরিত্র, বাকিগুলো প্রকৃতির খেলা বা ছড়া)
৩.২ ডোবে ডোবে, লোভে লোভে, পলে পলে, দেশে দেশে, টাপুর টুপুর। (বাকিগুলো একই শব্দের পুনরাবৃত্তি, টাপুর টুপুর হলো ধ্বন্যাত্মক শব্দ)
৩.৩ গাছপালা, মেঘ, হাওয়া, বাদল, মানিক। (বাকিগুলো প্রকৃতির সাথে যুক্ত, মানিক হলো রত্ন)
৩.৪ মা, খোকা, দৌরাত্ম্য, হাসিমুখ, শিবঠাকুর। (বাকিগুলো শিশু ও মায়ের সাথে যুক্ত)
৩.৫ মেঘের খেলা, লুকোচুরি, টাপুর টুপুর, নদী, সুয়োরানি। (সুয়োরানি রূপকথার চরিত্র, বাকিগুলো প্রকৃতির খেলা বা ছড়া)
৪. বিপরীতার্থক শব্দ কবিতা থেকে বেছে নিয়ে লেখো :
রাত ➔ দিন
বার্ধক্য ➔ ছেলেবেলা
খরা ➔ বান (বা বৃষ্টি)
পুরোনো ➔ নতুন
শান্ত ➔ দুরন্ত
বার্ধক্য ➔ ছেলেবেলা
খরা ➔ বান (বা বৃষ্টি)
পুরোনো ➔ নতুন
শান্ত ➔ দুরন্ত
৫. বিশেষ্য ও বিশেষণ খুঁজে নিয়ে লেখো :
(শব্দগুলি: একশো মানিক, দুরন্ত ছেলে, বাদলা হাওয়া, গুরুগুরু বুক, ঝাপসা গাছপালা)
বিশেষ্য (Noun)
মানিক, ছেলে, হাওয়া, বুক, গাছপালা।
বিশেষণ (Adjective)
একশো, দুরন্ত, বাদলা, গুরুগুরু, ঝাপসা।
৬. ক্রিয়ার তলায় দাগ দাও :
৬.১ কাঁসর ঘণ্টা বাজল ঠঙ্ ঠঙ্।
৬.২ কত খেলা পড়ে মনে।
৬.৩ শুনেছিলেম গান।
৬.৪ বিষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর।
৬.৫ বাইরেতে মেঘ ডেকে ওঠে।
৬.২ কত খেলা পড়ে মনে।
৬.৩ শুনেছিলেম গান।
৬.৪ বিষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর।
৬.৫ বাইরেতে মেঘ ডেকে ওঠে।
৭. 'বৃষ্টি'—এমন 'ষ্ট' রয়েছে—এরকম পাঁচটি শব্দ লেখো :
উত্তর: সৃষ্টি, দৃষ্টি, মিষ্টি, তুষ্ট, কৃষ্টি।
৮. নীচের শব্দগুলোয় দুটো করে শব্দ লুকিয়ে আছে, আলাদা করে লেখো :
গাছপালা = গাছ + পালা
ছেলেবেলা = ছেলে + বেলা
হাসিমুখ = হাসি + মুখ
লেখাজোকা = লেখা + জোকা
ছেলেবেলা = ছেলে + বেলা
হাসিমুখ = হাসি + মুখ
লেখাজোকা = লেখা + জোকা
৯. সাজিয়ে লেখো :
লে ছে বে লা ➔ ছেলেবেলা
রি কো চু লু ➔ লুকোচুরি
রি কো চু লু ➔ লুকোচুরি
১০. শূন্যস্থান পূরণ করো :
১০.১ আকাশ ঘিরে মেঘ জুটেছে।
১০.২ বাদলা হাওয়ায় মনে পড়ে।
১০.৩ মনে পড়ে ঘরটি আলো।
১০.৪ ঘরেতে দুরন্ত ছেলে।
১০.৫ বাইরে কেবল জলের শব্দ।
১০.২ বাদলা হাওয়ায় মনে পড়ে।
১০.৩ মনে পড়ে ঘরটি আলো।
১০.৪ ঘরেতে দুরন্ত ছেলে।
১০.৫ বাইরে কেবল জলের শব্দ।
১১. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৬১-১৯৪১) সম্পর্কিত প্রশ্ন:
১১.১ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত সালে নোবেল পুরস্কার পান?
উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
১১.২ কোন বইয়ের জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার পান?
উত্তর: তিনি 'Song Offerings' (গীতাঞ্জলি) বইয়ের জন্য নোবেল পুরস্কার পান।
১১.৩ 'বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর' কবিতাটি তাঁর কোন কবিতার বই থেকে নেওয়া হয়েছে?
উত্তর: 'বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর' কবিতাটি তাঁর 'শিশু' নামক কাব্যাগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।
উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
১১.২ কোন বইয়ের জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার পান?
উত্তর: তিনি 'Song Offerings' (গীতাঞ্জলি) বইয়ের জন্য নোবেল পুরস্কার পান।
১১.৩ 'বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর' কবিতাটি তাঁর কোন কবিতার বই থেকে নেওয়া হয়েছে?
উত্তর: 'বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর' কবিতাটি তাঁর 'শিশু' নামক কাব্যাগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।
১২. মাঠে বা নদীতে বৃষ্টি পড়ছে এমন একটি ছবি আঁকো ও রং করো।
উত্তর: (ছাত্রছাত্রীরা নিজেদের কল্পনায় রংপেন্সিল দিয়ে নদীতে বা মাঠে বৃষ্টি পড়ার একটি সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্য আঁকবে।)
১৩. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো :
১৩.১ বৃষ্টির দিনে কবির মনে কোন গান ভেসে আসে?
উত্তর: বৃষ্টির দিনে কবির মনে ছেলেবেলার সেই বিখ্যাত ছড়ার গানটি ভেসে আসে— "বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর, নদেয় এল বান।"
১৩.২ বৃষ্টিতে নদীর এপার এবং ওপারের যে বর্ণনা কবি দিয়েছেন তা নিজের ভাষায় লেখো।
উত্তর: বৃষ্টিতে নদীর ওপারের গাছপালা সব ঝাপসা হয়ে গেছে। আর নদীর এপারের মেঘের মাথায় বিদ্যুতের চমকানি দেখে কবির মনে হয়েছে যেন একশো মানিক একসঙ্গে জ্বলছে।
১৩.৩ 'সেদিনও কি এমনিতরো / মেঘের ঘটাখানা'—কোন দিনের কথা বলা হয়েছে? সেদিনের প্রকৃতির বর্ণনা দাও।
উত্তর: এখানে রূপকথার শিবঠাকুরের বিয়ের দিনের কথা বলা হয়েছে।
সেই দিনটিতেও প্রকৃতির রূপ ছিল মেঘলা ও বৃষ্টির। আকাশে মেঘের ঘটাখানা ছিল ঠিক আজকের মতোই এবং মেঘের বুক চিরে থেকে থেকে বিদ্যুতের হানা বা চমকানি দেখা যাচ্ছিল।
১৩.৪ মেঘের খেলা কবির মনে কোন কোন স্মৃতি বয়ে আনে?
উত্তর: মেঘের খেলা কবির মনে তাঁর ফেলে আসা শৈশবের অনেক মধুর স্মৃতি বয়ে আনে। তাঁর মনে পড়ে যায় ঘরের কোণে লুকোচুরি খেলার কথা, মায়ের সেই স্নিগ্ধ হাসিমুখ এবং মায়ের উপর তাঁর দুরন্তপনা ও দুষ্টুমির কথা। এছাড়াও তাঁর মনে পড়ে রূপকথার সুয়োরানি-দুয়োরানির গল্প, শিবঠাকুরের বিয়ের কথা এবং ছেলেবেলার সেই মিষ্টি ছড়া— "বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর"।
উত্তর: বৃষ্টির দিনে কবির মনে ছেলেবেলার সেই বিখ্যাত ছড়ার গানটি ভেসে আসে— "বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর, নদেয় এল বান।"
১৩.২ বৃষ্টিতে নদীর এপার এবং ওপারের যে বর্ণনা কবি দিয়েছেন তা নিজের ভাষায় লেখো।
উত্তর: বৃষ্টিতে নদীর ওপারের গাছপালা সব ঝাপসা হয়ে গেছে। আর নদীর এপারের মেঘের মাথায় বিদ্যুতের চমকানি দেখে কবির মনে হয়েছে যেন একশো মানিক একসঙ্গে জ্বলছে।
১৩.৩ 'সেদিনও কি এমনিতরো / মেঘের ঘটাখানা'—কোন দিনের কথা বলা হয়েছে? সেদিনের প্রকৃতির বর্ণনা দাও।
উত্তর: এখানে রূপকথার শিবঠাকুরের বিয়ের দিনের কথা বলা হয়েছে।
সেই দিনটিতেও প্রকৃতির রূপ ছিল মেঘলা ও বৃষ্টির। আকাশে মেঘের ঘটাখানা ছিল ঠিক আজকের মতোই এবং মেঘের বুক চিরে থেকে থেকে বিদ্যুতের হানা বা চমকানি দেখা যাচ্ছিল।
১৩.৪ মেঘের খেলা কবির মনে কোন কোন স্মৃতি বয়ে আনে?
উত্তর: মেঘের খেলা কবির মনে তাঁর ফেলে আসা শৈশবের অনেক মধুর স্মৃতি বয়ে আনে। তাঁর মনে পড়ে যায় ঘরের কোণে লুকোচুরি খেলার কথা, মায়ের সেই স্নিগ্ধ হাসিমুখ এবং মায়ের উপর তাঁর দুরন্তপনা ও দুষ্টুমির কথা। এছাড়াও তাঁর মনে পড়ে রূপকথার সুয়োরানি-দুয়োরানির গল্প, শিবঠাকুরের বিয়ের কথা এবং ছেলেবেলার সেই মিষ্টি ছড়া— "বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর"।
Sponsored Links