কবিতার পরিচিতি ও সারমর্ম
কবি: সুনির্মল বসু
সারসংক্ষেপ:
শীতের কনকনে ঠান্ডার ভোরে যখন উত্তরে হাওয়া বইছে, তখন এক থুত্থুড়ে রূপকথার গল্পবুড়ো কাঁধে একটা ঝোলা (তলপি) নিয়ে পথ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে। সে জোরে জোরে চেঁচিয়ে ছোটোদের ঘুম থেকে ওঠার জন্য ডাকছে।
গল্পবুড়োর ওই ম্যাজিক ঝোলায় দত্যি, দানব, যক্ষিরাজ, রাজপুত্তুর, পক্ষীরাজ ঘোড়া, সারবাঁধা কড়ির পাহাড়, চোখ-ধাঁধানো হিরে-মানিক, ময়নামতী, তেপান্তরের মাঠ, হট্টমেলার হাট—এইসব অদ্ভুত আর কাল্পনিক রূপকথার গল্প ভরা আছে। সে চায় ছোটোরা তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠে এইসব রূপকথা দেখুক। কিন্তু যারা এই শীতের সকালে কুঁড়েমি করে ঘুমিয়ে থাকবে, গল্পবুড়ো তাদের মূর্খ ও শত্রু মনে করে এবং তাদের কাছে সে তার রূপকথার গল্প বলবে না।
গল্পবুড়োর ওই ম্যাজিক ঝোলায় দত্যি, দানব, যক্ষিরাজ, রাজপুত্তুর, পক্ষীরাজ ঘোড়া, সারবাঁধা কড়ির পাহাড়, চোখ-ধাঁধানো হিরে-মানিক, ময়নামতী, তেপান্তরের মাঠ, হট্টমেলার হাট—এইসব অদ্ভুত আর কাল্পনিক রূপকথার গল্প ভরা আছে। সে চায় ছোটোরা তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠে এইসব রূপকথা দেখুক। কিন্তু যারা এই শীতের সকালে কুঁড়েমি করে ঘুমিয়ে থাকবে, গল্পবুড়ো তাদের মূর্খ ও শত্রু মনে করে এবং তাদের কাছে সে তার রূপকথার গল্প বলবে না।
হাতে কলমে - প্রশ্ন ও উত্তর (Textbook Exercises)
১. ঠিক শব্দটি বেছে নিয়ে বাক্যটি আবার লেখো:
১.১ উত্তরে হাওয়া বলতে বোঝায় হাওয়া যখন উত্তর দিক থেকে বয়ে আসে। এমন ভাবে ______ (গ্রীষ্ম/শরৎ/শীত/বর্ষা) কালে হাওয়া বয়।
উত্তর: এমন ভাবে শীত কালে হাওয়া বয়।
১.২ থুত্থুড়ে শব্দটির অর্থ ______ (চনমনে/জড়োসড়ো/জ্ঞানী/নড়বড়ে)।
উত্তর: থুত্থুড়ে শব্দটির অর্থ নড়বড়ে।
১.৩ রূপকথার গল্পে যেটি থাকে না ______ (দত্যি-দানব/পক্ষীরাজ/রাজপুত্তুর/উড়োজাহাজ)।
উত্তর: রূপকথার গল্পে যেটি থাকে না উড়োজাহাজ।
১.৪ রূপকথার গল্প সংগ্রহ করেছেন এমন একজন লেখকের নাম বেছে নিয়ে লেখো। (আশাপূর্ণা দেবী / দক্ষিণাঞ্জন মিত্র মজুমদার / সত্যজিৎ রায় / শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়)।
উত্তর: দক্ষিণাঞ্জন মিত্র মজুমদার।
উত্তর: এমন ভাবে শীত কালে হাওয়া বয়।
১.২ থুত্থুড়ে শব্দটির অর্থ ______ (চনমনে/জড়োসড়ো/জ্ঞানী/নড়বড়ে)।
উত্তর: থুত্থুড়ে শব্দটির অর্থ নড়বড়ে।
১.৩ রূপকথার গল্পে যেটি থাকে না ______ (দত্যি-দানব/পক্ষীরাজ/রাজপুত্তুর/উড়োজাহাজ)।
উত্তর: রূপকথার গল্পে যেটি থাকে না উড়োজাহাজ।
১.৪ রূপকথার গল্প সংগ্রহ করেছেন এমন একজন লেখকের নাম বেছে নিয়ে লেখো। (আশাপূর্ণা দেবী / দক্ষিণাঞ্জন মিত্র মজুমদার / সত্যজিৎ রায় / শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়)।
উত্তর: দক্ষিণাঞ্জন মিত্র মজুমদার।
২. সুনির্মল বসু (১৯০২-১৯৫৭) সম্পর্কিত প্রশ্ন:
২.১ লেখালেখি ছাড়াও সুনির্মল বসু আর কোন কাজ ভালো পারতেন?
উত্তর: লেখালেখি ছাড়াও সুনির্মল বসু ভালো ছবি আঁকতে পারতেন।
২.২ তাঁর লেখা দুটি বইয়ের নাম লেখো।
উত্তর: তাঁর লেখা দুটি বইয়ের নাম হলো— 'হাওয়ার দোলা' এবং 'ছানাবড়া'।
উত্তর: লেখালেখি ছাড়াও সুনির্মল বসু ভালো ছবি আঁকতে পারতেন।
২.২ তাঁর লেখা দুটি বইয়ের নাম লেখো।
উত্তর: তাঁর লেখা দুটি বইয়ের নাম হলো— 'হাওয়ার দোলা' এবং 'ছানাবড়া'।
৩. এলোমেলো বর্ণগুলিকে সাজিয়ে শব্দ তৈরি করো:
থা রু ক প ➔ রূপকথা
র স্তু জ রা পু ➔ রাজপুত্তুর
জ ক্ষী রা প ➔ পক্ষীরাজ
ব প ম ন ন ➔ মনপবন
জ গু বি আ ➔ আজগুবি
র স্তু জ রা পু ➔ রাজপুত্তুর
জ ক্ষী রা প ➔ পক্ষীরাজ
ব প ম ন ন ➔ মনপবন
জ গু বি আ ➔ আজগুবি
৪. অন্ত্যমিল আছে এমন পাঁচজোড়া শব্দ কবিতা থেকে খুঁজে নিয়ে লেখো:
উত্তর:
১. বাঁধা — ধাঁধা
২. উত্তুরে — থুত্থুড়ে
৩. মাঠখানা — হাটখানা
৪. নন্দিনী — বন্দিনী
৫. যক্ষিরাজ — পক্ষীরাজ
১. বাঁধা — ধাঁধা
২. উত্তুরে — থুত্থুড়ে
৩. মাঠখানা — হাটখানা
৪. নন্দিনী — বন্দিনী
৫. যক্ষিরাজ — পক্ষীরাজ
৫. বাক্য বাড়াও:
৫.১ শীতকালে হাওয়া বইছে। (কেমন হাওয়া?)
উত্তর: শীতকালে উত্তুরে হাওয়া বইছে।
৫.২ গল্পবুড়ো ডাকছে। (কেমন বুড়ো?)
উত্তর: থুত্থুড়ে গল্পবুড়ো ডাকছে।
৫.৩ গল্পবুড়োর মুখ ব্যথা। (মুখ ব্যথা কেন?)
উত্তর: চেঁচিয়ে গল্পবুড়োর মুখ ব্যথা।
৫.৪ গল্পবুড়োর ঝোলা আছে। (কোথায় ঝোলা?)
উত্তর: গল্পবুড়োর কাঁধের উপর ঝোলা আছে।
৫.৫ দেখবি যদি, আয়। (কীভাবে আসবে?)
উত্তর: দেখবি যদি জলদি আয়।
উত্তর: শীতকালে উত্তুরে হাওয়া বইছে।
৫.২ গল্পবুড়ো ডাকছে। (কেমন বুড়ো?)
উত্তর: থুত্থুড়ে গল্পবুড়ো ডাকছে।
৫.৩ গল্পবুড়োর মুখ ব্যথা। (মুখ ব্যথা কেন?)
উত্তর: চেঁচিয়ে গল্পবুড়োর মুখ ব্যথা।
৫.৪ গল্পবুড়োর ঝোলা আছে। (কোথায় ঝোলা?)
উত্তর: গল্পবুড়োর কাঁধের উপর ঝোলা আছে।
৫.৫ দেখবি যদি, আয়। (কীভাবে আসবে?)
উত্তর: দেখবি যদি জলদি আয়।
৬. 'ক' এর সঙ্গে 'খ' স্তম্ভ মিলিয়ে লেখ:
| ক | খ (উত্তর) |
|---|---|
| তলপি | ঝোলা |
| রূপকথা | কাল্পনিক গল্প |
| ভোরে | বিহানে |
| পবন | বাতাস |
| সত্ত্বর | দ্রুত |
৭. 'ডাকছে রে' আর 'ডাক ছেড়ে' শব্দজোড়ার মধ্যে কী পার্থক্য তা দুটি বাক্য রচনা করে দেখাও:
ডাকছে রে (কাউকে সম্বোধন করে বা আদর করে ডাকা): ভাই, তোকে মা ঘরের ভিতর ডাকছে রে।
ডাক ছেড়ে (জোরে চিৎকার করে বা গলা ছেড়ে ডাকা): ছেলেটি হঠাৎ ভয় পেয়ে ডাক ছেড়ে কেঁদে উঠল।
ডাক ছেড়ে (জোরে চিৎকার করে বা গলা ছেড়ে ডাকা): ছেলেটি হঠাৎ ভয় পেয়ে ডাক ছেড়ে কেঁদে উঠল।
৭. 'ডাকছে রে' আর 'ডাক ছেড়ে' শব্দজোড়ার মধ্যে কী পার্থক্য তা দুটি বাক্য রচনা করে দেখাও:
ডাকছে রে (কাউকে সম্বোধন করে বা আদর করে ডাকা): ভাই, তোকে মা ঘরের ভিতর ডাকছে রে।
ডাক ছেড়ে (জোরে চিৎকার করে বা গলা ছেড়ে ডাকা): ছেলেটি হঠাৎ ভয় পেয়ে ডাক ছেড়ে কেঁদে উঠল।
ডাক ছেড়ে (জোরে চিৎকার করে বা গলা ছেড়ে ডাকা): ছেলেটি হঠাৎ ভয় পেয়ে ডাক ছেড়ে কেঁদে উঠল।
৮. শব্দঝুড়ি থেকে নিয়ে বিশেষ্য ও বিশেষণ আলাদা করে লেখো:
বিশেষ্য
তলপি
ঝোলা
শীত
রাজপুত্তুর
কারখানা
ঝোলা
শীত
রাজপুত্তুর
কারখানা
উত্তুরে, থুত্থুড়ে, তলপি, ঝোলা,
জলদি, আজগুবি, সত্ত্বর,
শীত, রাজপুত্তুর, কারখানা
জলদি, আজগুবি, সত্ত্বর,
শীত, রাজপুত্তুর, কারখানা
বিশেষণ
উত্তুরে
থুত্থুড়ে
আজগুবি
জলদি
সত্ত্বর
থুত্থুড়ে
আজগুবি
জলদি
সত্ত্বর
৯. পক্ষীরাজ এর মতো (ক্ + ষ = ক্ষ) রয়েছে এমন পাঁচটি শব্দ তৈরি করো:
উত্তর: যক্ষিরাজ, বক্ষ, রক্ষা, শিক্ষা, পরীক্ষা।
১০. ক্রিয়ার নীচে দাগ দাও:
১০.১ বইছে হাওয়া উত্তুরে।
১০.২ ডাক ছেড়ে সে ডাকছে রে।
১০.৩ আয় রে ছুটে ছোট্টরা।
১০.৪ দেখবি যদি জলদি আয়।
১০.৫ চেঁচিয়ে যে তার মুখ ব্যথা।
১০.২ ডাক ছেড়ে সে ডাকছে রে।
১০.৩ আয় রে ছুটে ছোট্টরা।
১০.৪ দেখবি যদি জলদি আয়।
১০.৫ চেঁচিয়ে যে তার মুখ ব্যথা।
১১. তোমার দৃষ্টিতে গল্পবুড়োর সাজ-পোশাকটি কেমন হবে, তা একটি ছবিতে আঁকো :
উত্তর: (ছাত্রছাত্রীরা নিজেদের কল্পনায় রং-পেন্সিল দিয়ে শীতের পোশাক পরা, কাঁধে ঝোলা নেওয়া এক গল্পবুড়োর ছবি আঁকবে। যেমন— বুড়োর গায়ে লম্বা আলখাল্লা বা চাদর, মাথায় টুপি, আর কাঁধে একটা বড়ো তলপি বা ঝোলা। ছবিটি তোমরা তোমাদের খাতায় আঁকবে।)
১২. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো:
১২.১ গল্পবুড়ো কখন গল্প শোনাতে আসে?
উত্তর: শীতকালের কনকনে ভোরে যখন উত্তুরে হাওয়া বয়, তখন গল্পবুড়ো গল্প শোনাতে আসে।
১২.২ গল্পবুড়োর ঝোলায় কী কী ধরনের গল্প রয়েছে?
উত্তর: গল্পবুড়োর ঝোলায় দত্যি, দানব, যক্ষিরাজ, রাজপুত্তুর, পক্ষীরাজ ঘোড়া, সারবাঁধা কড়ির পাহাড়, চোখ-ধাঁধানো হিরে-মানিক, সোনার কাঠি, ময়নামতী, তেপান্তরের মাঠ, হট্টমেলার হাট প্রভৃতি রূপকথার আজগুবি গল্প রয়েছে।
১২.৩ গল্পবুড়ো শীতকালের ভোরে ছোটোদের কীভাবে ঘুম থেকে ওঠাতে চায়?
উত্তর: শীতকালের ভোরে গল্পবুড়ো 'রূপকথা চাই, রূপকথা' বলে জোরে জোরে হাঁক ছেড়ে ছোটোদের ঘুম থেকে ওঠাতে চায়।
১২.৪ 'রূপকথা'র কোন কোন বিষয় কবিতাটিতে রয়েছে?
উত্তর: দত্যি, দানব, যক্ষিরাজ, রাজপুত্তুর, পক্ষীরাজ ঘোড়া, কড়ির পাহাড়, হিরে-মানিক, সোনার কাঠি, তেপান্তরের মাঠ, কেশবতী নন্দিনী— রূপকথার এইসব বিষয় কবিতাটিতে রয়েছে।
১২.৫ গল্পবুড়ো কাদের তার গল্প শোনাবে না?
উত্তর: শীতের সকালে যে সমস্ত শিশু অলসতা করে ঘুম থেকে উঠবে না, গল্পবুড়ো তাদের মূর্খ বা শত্রু মনে করে। গল্পবুড়ো তাদের তার রূপকথার গল্প শোনাবে না।
উত্তর: শীতকালের কনকনে ভোরে যখন উত্তুরে হাওয়া বয়, তখন গল্পবুড়ো গল্প শোনাতে আসে।
১২.২ গল্পবুড়োর ঝোলায় কী কী ধরনের গল্প রয়েছে?
উত্তর: গল্পবুড়োর ঝোলায় দত্যি, দানব, যক্ষিরাজ, রাজপুত্তুর, পক্ষীরাজ ঘোড়া, সারবাঁধা কড়ির পাহাড়, চোখ-ধাঁধানো হিরে-মানিক, সোনার কাঠি, ময়নামতী, তেপান্তরের মাঠ, হট্টমেলার হাট প্রভৃতি রূপকথার আজগুবি গল্প রয়েছে।
১২.৩ গল্পবুড়ো শীতকালের ভোরে ছোটোদের কীভাবে ঘুম থেকে ওঠাতে চায়?
উত্তর: শীতকালের ভোরে গল্পবুড়ো 'রূপকথা চাই, রূপকথা' বলে জোরে জোরে হাঁক ছেড়ে ছোটোদের ঘুম থেকে ওঠাতে চায়।
১২.৪ 'রূপকথা'র কোন কোন বিষয় কবিতাটিতে রয়েছে?
উত্তর: দত্যি, দানব, যক্ষিরাজ, রাজপুত্তুর, পক্ষীরাজ ঘোড়া, কড়ির পাহাড়, হিরে-মানিক, সোনার কাঠি, তেপান্তরের মাঠ, কেশবতী নন্দিনী— রূপকথার এইসব বিষয় কবিতাটিতে রয়েছে।
১২.৫ গল্পবুড়ো কাদের তার গল্প শোনাবে না?
উত্তর: শীতের সকালে যে সমস্ত শিশু অলসতা করে ঘুম থেকে উঠবে না, গল্পবুড়ো তাদের মূর্খ বা শত্রু মনে করে। গল্পবুড়ো তাদের তার রূপকথার গল্প শোনাবে না।
১৩. তোমার পড়া অথবা শোনা একটি রূপকথার গল্প নিজের ভাষায় লেখো।
উত্তর: (লালকমল আর নীলকমলের গল্প)
এক দেশে ছিল এক রাজা। তাঁর দুই রানি— সুয়োরানি আর দুয়োরানি। সুয়োরানি আসলে ছিল এক রাক্ষসী। সে রাজবাড়ির সব লোক আর পশুদের খেয়ে ফেলত। সুয়োরানির ছেলের নাম লালকমল (সে রাক্ষসীর ছেলে) আর দুয়োরানির ছেলের নাম নীলকমল (মানুষের ছেলে)। কিন্তু দুই ভাইয়ের মধ্যে খুব ভাব ছিল। বড়ো হয়ে দুই ভাই জানতে পারে সুয়োরানির আসল পরিচয়। তখন তারা দুজনে মিলে রাক্ষসদের দেশে যায়। সেখানে রাক্ষসদের প্রাণভ্রমরা লুকিয়ে রাখা ছিল। নানা বিপদের পর লালকমল ও নীলকমল সেই প্রাণভ্রমরা খুঁজে বের করে তা মেরে ফেলে। ফলে সুয়োরানিসহ সব রাক্ষস মারা যায়। এরপর দুই ভাই রাজকন্যাদের উদ্ধার করে নিজের রাজ্যে ফিরে আসে এবং সুখে রাজত্ব করতে থাকে।
এক দেশে ছিল এক রাজা। তাঁর দুই রানি— সুয়োরানি আর দুয়োরানি। সুয়োরানি আসলে ছিল এক রাক্ষসী। সে রাজবাড়ির সব লোক আর পশুদের খেয়ে ফেলত। সুয়োরানির ছেলের নাম লালকমল (সে রাক্ষসীর ছেলে) আর দুয়োরানির ছেলের নাম নীলকমল (মানুষের ছেলে)। কিন্তু দুই ভাইয়ের মধ্যে খুব ভাব ছিল। বড়ো হয়ে দুই ভাই জানতে পারে সুয়োরানির আসল পরিচয়। তখন তারা দুজনে মিলে রাক্ষসদের দেশে যায়। সেখানে রাক্ষসদের প্রাণভ্রমরা লুকিয়ে রাখা ছিল। নানা বিপদের পর লালকমল ও নীলকমল সেই প্রাণভ্রমরা খুঁজে বের করে তা মেরে ফেলে। ফলে সুয়োরানিসহ সব রাক্ষস মারা যায়। এরপর দুই ভাই রাজকন্যাদের উদ্ধার করে নিজের রাজ্যে ফিরে আসে এবং সুখে রাজত্ব করতে থাকে।
Sponsored Links