গল্পের পরিচিতি ও সারমর্ম
লেখিকা: মহাশ্বেতা দেবী
সারসংক্ষেপ:
'এতোয়া মুন্ডার কাহিনী' গল্পে লেখিকা মহাশ্বেতা দেবী এতোয়া নামের দশ বছরের এক আদিবাসী মুন্ডা ছেলের জীবন ও প্রকৃতির প্রতি তার অকৃত্রিম ভালোবাসার কথা ফুটিয়ে তুলেছেন। এতোয়ার জন্ম রবিবারে হওয়ায় তার এই নাম। সে মোতিবাবুর গোরু-ছাগল চরায়।
এতোয়ার দাদু মঙ্গল মুন্ডা তাকে শোনায় মুন্ডাদের ইতিহাস, সিধু-কানু আর বিরসা মুন্ডার ইংরেজদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের গল্প। এতোয়া স্কুলে না গেলেও প্রকৃতি তার কাছে এক বিশাল পাঠশালা। সে গোরু চরাতে চরাতে শুকনো কাঠ, মেটে আলু, শাক কুড়োয় এবং ডুলং নদী পেরিয়ে সুবর্ণরেখার চরে বাঁশের জাল পেতে মাছ ধরে। প্রকৃতি ও আদিবাসী মানুষের সরল জীবনযাত্রার এক সুন্দর চিত্র এই গল্পে ধরা পড়েছে।
এতোয়ার দাদু মঙ্গল মুন্ডা তাকে শোনায় মুন্ডাদের ইতিহাস, সিধু-কানু আর বিরসা মুন্ডার ইংরেজদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের গল্প। এতোয়া স্কুলে না গেলেও প্রকৃতি তার কাছে এক বিশাল পাঠশালা। সে গোরু চরাতে চরাতে শুকনো কাঠ, মেটে আলু, শাক কুড়োয় এবং ডুলং নদী পেরিয়ে সুবর্ণরেখার চরে বাঁশের জাল পেতে মাছ ধরে। প্রকৃতি ও আদিবাসী মানুষের সরল জীবনযাত্রার এক সুন্দর চিত্র এই গল্পে ধরা পড়েছে।
শব্দার্থ (Word Meanings)
| শব্দ | অর্থ |
|---|---|
| পূর্বপুরুষ | বাবা-ঠাকুর্দার বংশের আগেকার লোক |
| উৎখাত | দূরীভূত / সমূলে উৎপাটিত |
| হুল / উলগুলান | বিদ্রোহ |
| গোলাঘর | শস্যাগার |
| আদিবাসী | আদিম অধিবাসী বা জাতি |
| শুধাবার | জিজ্ঞাসা বা প্রশ্ন করবার |
| বাগাল | রাখাল |
| পরোয়া | তোয়াক্কা |
| গুঞ্জন | গুন গুন শব্দ |
হাতে কলমে - প্রশ্ন ও উত্তর (Textbook Exercises)
১. ঠিক শব্দটি বেছে নিয়ে লেখো:
১.১ গ্রামটার আদি নাম ছিল (শালগাড়া / হাতিঘর / হাতিবাড়ি / শালগেড়িয়া)।
উত্তর: গ্রামটার আদি নাম ছিল শালগেড়িয়া।
১.২ মোতি বাবু ছিলেন গ্রামের (আদিপুরুষ / ভগবান / জমিদার / মাস্টার)।
উত্তর: মোতি বাবু ছিলেন গ্রামের ভগবান। (বইতে লেখা আছে: "মোতিবাবু হল গ্রামের ঠাকুর-দেবতা")
১.৩ 'এতোয়া' শব্দটির অর্থ (রবিবার / সোমবার / বুধবার / ছুটির দিন)।
উত্তর: 'এতোয়া' শব্দটির অর্থ রবিবার।
১.৪ শূরবীর ছিলেন একজন (সর্দার / আদিবাসী রাজা / বনজীবী / যাত্রাশিল্পী)।
উত্তর: শূরবীর ছিলেন একজন আদিবাসী রাজা।
১.৫ ডুলং, সুবর্ণরেখা নামগুলি (পাহাড়ের / ঝর্নার / নদীর / গাছের)।
উত্তর: ডুলং, সুবর্ণরেখা নামগুলি নদীর।
উত্তর: গ্রামটার আদি নাম ছিল শালগেড়িয়া।
১.২ মোতি বাবু ছিলেন গ্রামের (আদিপুরুষ / ভগবান / জমিদার / মাস্টার)।
উত্তর: মোতি বাবু ছিলেন গ্রামের ভগবান। (বইতে লেখা আছে: "মোতিবাবু হল গ্রামের ঠাকুর-দেবতা")
১.৩ 'এতোয়া' শব্দটির অর্থ (রবিবার / সোমবার / বুধবার / ছুটির দিন)।
উত্তর: 'এতোয়া' শব্দটির অর্থ রবিবার।
১.৪ শূরবীর ছিলেন একজন (সর্দার / আদিবাসী রাজা / বনজীবী / যাত্রাশিল্পী)।
উত্তর: শূরবীর ছিলেন একজন আদিবাসী রাজা।
১.৫ ডুলং, সুবর্ণরেখা নামগুলি (পাহাড়ের / ঝর্নার / নদীর / গাছের)।
উত্তর: ডুলং, সুবর্ণরেখা নামগুলি নদীর।
২. উপযুক্ত শব্দ বসিয়ে বাক্যটি সম্পূর্ণ করো:
২.১ আর হাতিশালাটা ছিল পাথরের।
২.২ এতোয়ার দাদু বলে এক সময় এটা ছিল আদিবাসী গ্রাম।
২.৩ গাঁয়ের বুড়ো সর্দার মঙ্গল নাতিটার দিকে তাকায়।
২.৪ তবে জঙ্গল তো মা!
২.৫ প্রাইমারি স্কুলের চালাঘরের কোল দিয়ে পথ।
২.২ এতোয়ার দাদু বলে এক সময় এটা ছিল আদিবাসী গ্রাম।
২.৩ গাঁয়ের বুড়ো সর্দার মঙ্গল নাতিটার দিকে তাকায়।
২.৪ তবে জঙ্গল তো মা!
২.৫ প্রাইমারি স্কুলের চালাঘরের কোল দিয়ে পথ।
৩. অর্থ লেখো:
গর্জন: প্রবল শব্দ বা হুংকার।
বাগাল: রাখাল।
গুঞ্জন: গুনগুন শব্দ।
দুলন্ত: দুলছে এমন।
গোড়া: গাছের মূল বা ভিত্তি।
বাগাল: রাখাল।
গুঞ্জন: গুনগুন শব্দ।
দুলন্ত: দুলছে এমন।
গোড়া: গাছের মূল বা ভিত্তি।
৪. বিপরীতার্থক শব্দগুলি লেখো:
পূর্বপুরুষ ➔ উত্তরপুরুষ
আদি ➔ অন্ত্য
কচি ➔ বুড়ো / পাকা
শুকনো ➔ কাঁচা / ভিজে
বিশ্বাস ➔ অবিশ্বাস
আদি ➔ অন্ত্য
কচি ➔ বুড়ো / পাকা
শুকনো ➔ কাঁচা / ভিজে
বিশ্বাস ➔ অবিশ্বাস
৫. সমার্থক শব্দ লেখো:
জল: বারি, সলিল, নীর।
নদী: তটিনী, স্রোতস্বিনী।
সমুদ্দুর: সাগর, সমুদ্র, পারাবার।
জঙ্গল: বন, অরণ্য, কানন।
উলগুলান: বিদ্রোহ।
নদী: তটিনী, স্রোতস্বিনী।
সমুদ্দুর: সাগর, সমুদ্র, পারাবার।
জঙ্গল: বন, অরণ্য, কানন।
উলগুলান: বিদ্রোহ।
৬. ক্রিয়াগুলির নীচে দাগ দাও:
৬.১ সাবু আর শাল গাছের পাঁচিল যেন পাহারা দিত গ্রামকে।
৬.২ এখন কেউ চাঁদ দিয়ে বছর হিসাব করে?
৬.৩ ছোটনাগপুর ছাড়লাম।
৬.৪ জঙ্গল নষ্ট করি নাই।
৬.৫ যে বাঁচায় তাকে কেউ মারে?
৬.২ এখন কেউ চাঁদ দিয়ে বছর হিসাব করে?
৬.৩ ছোটনাগপুর ছাড়লাম।
৬.৪ জঙ্গল নষ্ট করি নাই।
৬.৫ যে বাঁচায় তাকে কেউ মারে?
৭. দুটি বাক্যে ভেঙে লেখো:
৭.১ গাঁয়ের বুড়ো সর্দার মঙ্গল নাতিটার দিকে তাকায়।
উত্তর: গাঁয়ের বুড়ো সর্দার মঙ্গল। সে নাতিটার দিকে তাকায়।
৭.২ হাতিশালাটায় দেয়াল তুলে ওটা এখন ধান রাখবার গোলাঘর।
উত্তর: হাতিশালাটায় দেয়াল তোলা হয়েছে। ওটা এখন ধান রাখবার গোলাঘর।
৭.৩ আমাদের কালে, সেই জঙ্গল দিয়ে চার মাইল যাও, তবে পাঠশালা।
উত্তর: আমাদের কালে জঙ্গল দিয়ে চার মাইল যেতে হতো। তবে পাঠশালায় পৌঁছানো যেত।
৭.৪ এখন ও লাফায় আর নদীর জল, কাশবন, বুনোফুল, আকাশ, সকলকে ডেকে বলে, সে কী ভীষণ যুদ্ধ!
উত্তর: এখন ও লাফায়। আর নদীর জল, কাশবন, বুনোফুল, আকাশ, সকলকে ডেকে বলে, সে কী ভীষণ যুদ্ধ!
৭.৫ ডুলং ও সুবর্ণরেখাও হেসে চলে যায়, বয়ে যায়।
উত্তর: ডুলং ও সুবর্ণরেখাও হেসে চলে যায়। তারা বয়ে যায়।
উত্তর: গাঁয়ের বুড়ো সর্দার মঙ্গল। সে নাতিটার দিকে তাকায়।
৭.২ হাতিশালাটায় দেয়াল তুলে ওটা এখন ধান রাখবার গোলাঘর।
উত্তর: হাতিশালাটায় দেয়াল তোলা হয়েছে। ওটা এখন ধান রাখবার গোলাঘর।
৭.৩ আমাদের কালে, সেই জঙ্গল দিয়ে চার মাইল যাও, তবে পাঠশালা।
উত্তর: আমাদের কালে জঙ্গল দিয়ে চার মাইল যেতে হতো। তবে পাঠশালায় পৌঁছানো যেত।
৭.৪ এখন ও লাফায় আর নদীর জল, কাশবন, বুনোফুল, আকাশ, সকলকে ডেকে বলে, সে কী ভীষণ যুদ্ধ!
উত্তর: এখন ও লাফায়। আর নদীর জল, কাশবন, বুনোফুল, আকাশ, সকলকে ডেকে বলে, সে কী ভীষণ যুদ্ধ!
৭.৫ ডুলং ও সুবর্ণরেখাও হেসে চলে যায়, বয়ে যায়।
উত্তর: ডুলং ও সুবর্ণরেখাও হেসে চলে যায়। তারা বয়ে যায়।
৮. বাক্য রচনা করো: পাঁচিল, চাঁদ, দেশ, মানুষ, জঙ্গল।
পাঁচিল: আমাদের বাড়ির চারদিকে ইটের উঁচু পাঁচিল দেওয়া আছে।
চাঁদ: রাতের আকাশে আজ গোল রূপোলি চাঁদ উঠেছে।
দেশ: আমরা আমাদের দেশকে খুব ভালোবাসি।
মানুষ: সব মানুষকেই বিপদে একে অপরের পাশে থাকা উচিত।
জঙ্গল: সুন্দরবনের জঙ্গলে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার দেখতে পাওয়া যায়।
চাঁদ: রাতের আকাশে আজ গোল রূপোলি চাঁদ উঠেছে।
দেশ: আমরা আমাদের দেশকে খুব ভালোবাসি।
মানুষ: সব মানুষকেই বিপদে একে অপরের পাশে থাকা উচিত।
জঙ্গল: সুন্দরবনের জঙ্গলে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার দেখতে পাওয়া যায়।
৯. কোনটি কোন ধরনের বাক্য লেখো:
৯.১ স্রোত কী জোরালো! ➔ বিস্ময়বোধক বাক্য
৯.২ কচি ছেলে, কিছুই জানে না। ➔ নির্দেশক বা বর্ণনাত্মক বাক্য
৯.৩ সে যেন গেরুয়া জলের সমুদ্দুর। ➔ নির্দেশক বা বর্ণনাত্মক বাক্য
৯.৪ নামটা বদলে গেল কেন গো? ➔ প্রশ্নবোধক বাক্য
৯.৫ কী যুদ্ধ, কী যুদ্ধ! ➔ বিস্ময়বোধক বাক্য
৯.২ কচি ছেলে, কিছুই জানে না। ➔ নির্দেশক বা বর্ণনাত্মক বাক্য
৯.৩ সে যেন গেরুয়া জলের সমুদ্দুর। ➔ নির্দেশক বা বর্ণনাত্মক বাক্য
৯.৪ নামটা বদলে গেল কেন গো? ➔ প্রশ্নবোধক বাক্য
৯.৫ কী যুদ্ধ, কী যুদ্ধ! ➔ বিস্ময়বোধক বাক্য
১০. কোনটি কোন শব্দ, ঝুড়ি থেকে বেছে নিয়ে আলাদা করে লেখো:
(ঝুড়ির শব্দ: মস্ত, আমাদের, শিকার, তুই, সে, লড়াই, বুড়ো, ভীষণ, ছোট্ট, ও, চরায়, রাখে, ঝাঁকড়া, ধারালো, ওঠে, সরু।)
বিশেষ্য
শিকার, লড়াই
বিশেষণ
মস্ত, বুড়ো, ভীষণ, ছোট্ট, ঝাঁকড়া, ধারালো, সরু
সর্বনাম
আমাদের, তুই, সে
অব্যয়
ও
ক্রিয়া
চরায়, রাখে, ওঠে
১১. নিম্নলিখিত প্রতিটি ক্ষেত্রে দুটি বাক্যকে জুড়ে একটি বাক্য লেখো:
১১.১ কী গল্পই বললে আজ দাদু। সবাই শুনছিল গো!
উত্তর: দাদু আজ এমন গল্প বললে যে সবাই শুনছিল গো!
১১.২ এতোয়া রে! ছেলে তুই বড্ড ভালো।
উত্তর: এতোয়া রে, তুই বড্ড ভালো ছেলে।
১১.৩ তুই বড্ড বকিস এতোয়া। তোর বাপেরও এতো কথা শুধাবার সাহস হতো না।
উত্তর: এতোয়া তুই বড্ড বকিস, তোর বাপেরও এতো কথা শুধাবার সাহস হতো না।
১১.৪ বাবুরা এল। আমাদের সব নিয়ে নিল।
উত্তর: বাবুরা এসে আমাদের সব নিয়ে নিল।
১১.৫ আদিবাসী আসছে। মানুষ বাড়ছে।
উত্তর: আদিবাসী আসায় মানুষ বাড়ছে।
উত্তর: দাদু আজ এমন গল্প বললে যে সবাই শুনছিল গো!
১১.২ এতোয়া রে! ছেলে তুই বড্ড ভালো।
উত্তর: এতোয়া রে, তুই বড্ড ভালো ছেলে।
১১.৩ তুই বড্ড বকিস এতোয়া। তোর বাপেরও এতো কথা শুধাবার সাহস হতো না।
উত্তর: এতোয়া তুই বড্ড বকিস, তোর বাপেরও এতো কথা শুধাবার সাহস হতো না।
১১.৪ বাবুরা এল। আমাদের সব নিয়ে নিল।
উত্তর: বাবুরা এসে আমাদের সব নিয়ে নিল।
১১.৫ আদিবাসী আসছে। মানুষ বাড়ছে।
উত্তর: আদিবাসী আসায় মানুষ বাড়ছে।
১২. এলোমেলো বর্ণগুলি সাজিয়ে অর্থপূর্ণ শব্দ তৈরি করো:
দিসী আবা ➔ আদিবাসী
বখারের্ণসু ➔ সুবর্ণরেখা
গাংড়ার দ ➔ দরংগাড়া
টিড়া পোমা ➔ পোড়ামাটি
যপুদিরু আ ➔ আদিপুরুষ
বখারের্ণসু ➔ সুবর্ণরেখা
গাংড়ার দ ➔ দরংগাড়া
টিড়া পোমা ➔ পোড়ামাটি
যপুদিরু আ ➔ আদিপুরুষ
১৩. এলোমেলো শব্দগুলি সাজিয়ে অর্থপূর্ণ বাক্য তৈরি করো:
১৩.১ ছাগল কাজ গোরু ওর চরানো।
উত্তর: ওর কাজ গোরু ছাগল চরানো।
১৩.২ তির শনশন তারা তখন ছোঁড়ে।
উত্তর: তখন তারা তির ছোঁড়ে শনশন।
১৩.৩ আগে হাজার চাঁদ হাজার।
উত্তর: হাজার হাজার চাঁদ আগে।
১৩.৪ ছিল পাথরের হাতিশালাটা আর।
উত্তর: আর হাতিশালাটা ছিল পাথরের।
১৩.৫ সপ্তাহে হাট প্রতি বসে তো গ্রামে।
উত্তর: গ্রামে তো প্রতি সপ্তাহে হাট বসে।
উত্তর: ওর কাজ গোরু ছাগল চরানো।
১৩.২ তির শনশন তারা তখন ছোঁড়ে।
উত্তর: তখন তারা তির ছোঁড়ে শনশন।
১৩.৩ আগে হাজার চাঁদ হাজার।
উত্তর: হাজার হাজার চাঁদ আগে।
১৩.৪ ছিল পাথরের হাতিশালাটা আর।
উত্তর: আর হাতিশালাটা ছিল পাথরের।
১৩.৫ সপ্তাহে হাট প্রতি বসে তো গ্রামে।
উত্তর: গ্রামে তো প্রতি সপ্তাহে হাট বসে।
১৪. মহাশ্বেতা দেবী সম্পর্কিত প্রশ্ন:
১৪.১ লেখালেখি ছাড়াও আর কী কী কাজ মহাশ্বেতা দেবী করেছেন?
উত্তর: লেখালেখি ছাড়াও মহাশ্বেতা দেবী অধ্যাপনা এবং সাংবাদিকতার কাজ করেছেন।
১৪.২ আদিবাসী জীবন নিয়ে লেখা তাঁর একটি বইয়ের নাম লেখো।
উত্তর: আদিবাসী জীবন নিয়ে লেখা তাঁর একটি বিখ্যাত বইয়ের নাম হলো 'অরণ্যের অধিকার'।
১৪.৩ ছোটোদের জন্য লেখা তাঁর একটি বিখ্যাত বইয়ের নাম লেখো।
উত্তর: ছোটোদের জন্য লেখা তাঁর একটি বিখ্যাত বইয়ের নাম হলো 'গল্পের গরু ন্যাদোশ' (এছাড়া 'এককড়ির সাধ' লেখা যেতে পারে)।
উত্তর: লেখালেখি ছাড়াও মহাশ্বেতা দেবী অধ্যাপনা এবং সাংবাদিকতার কাজ করেছেন।
১৪.২ আদিবাসী জীবন নিয়ে লেখা তাঁর একটি বইয়ের নাম লেখো।
উত্তর: আদিবাসী জীবন নিয়ে লেখা তাঁর একটি বিখ্যাত বইয়ের নাম হলো 'অরণ্যের অধিকার'।
১৪.৩ ছোটোদের জন্য লেখা তাঁর একটি বিখ্যাত বইয়ের নাম লেখো।
উত্তর: ছোটোদের জন্য লেখা তাঁর একটি বিখ্যাত বইয়ের নাম হলো 'গল্পের গরু ন্যাদোশ' (এছাড়া 'এককড়ির সাধ' লেখা যেতে পারে)।
১৫. নীচের প্রশ্নগুলির নিজের ভাষায় লেখো:
১৫.১ "সেও এক ভীষণ যুদ্ধ”— কোন যুদ্ধের কথা এখানে বলা হয়েছে?
উত্তর: এখানে বীরসা মুন্ডার নেতৃত্বে মুন্ডাদের ইংরেজ সাহেবদের বিরুদ্ধে 'উলগুলান' বা বিদ্রোহের কথা বলা হয়েছে।
১৫.২ গাঁয়ের নাম হাতিঘর হল কেন?
উত্তর: মোতিবাবুর পূর্বপুরুষেরা যখন মস্ত জমিদার ছিলেন, তখন তাঁদের পাথরের বড়ো হাতিশালা এবং অনেক হাতি ছিল। সেই থেকে গ্রামটির নাম হয়েছিল 'হাতিঘর'।
১৫.৩ ভজন ভুক্তা এতোয়াকে কী বলত?
উত্তর: ভজন ভুক্তা এতোয়াকে বলত, "এতোয়া রে! ছেলে তুই বড্ড ভালো। ইস্কুলে যাস না এই বড় দুঃখ। ... যা, তুই ঘর যা বাছা! এখন আমি চলে যেতে পারব।"
১৫.৪ হাতিঘর-এ কেমন ভাবে যাবে সংক্ষেপে লেখো।
উত্তর: হাওড়া থেকে খড়গপুর গিয়ে বাসে চড়ে গুপ্তমণি মন্দিরের সামনে নামতে হবে। সেখান থেকে রোহিণীর বাসে বা হেঁটে দক্ষিণ-পশ্চিমে সাত-আট মাইল গেলে ছোট্ট একটা নদী পড়বে। সেটা পেরিয়ে রোহিণী গ্রাম এবং তার দক্ষিণে ডুলং নদী পার হলেই হাতিঘর গ্রামে পৌঁছানো যাবে।
১৫.৫ এতোয়া নামটি কেন হয়েছিল?
উত্তর: রবিবারে জন্ম হয়েছিল বলে আদিবাসী নিয়ম অনুযায়ী তার নাম রাখা হয়েছিল এতোয়া।
১৫.৬ এতোয়ার রোজকার কাজের বর্ণনা দাও।
উত্তর: এতোয়া রোজ মোতিবাবুর গোরু-ছাগল চরাত। এছাড়া সে দোকানদারের থেকে একটা বস্তা চেয়ে নিয়েছিল, গোরু চরাতে চরাতে সে টোকো আম, শুকনো কাঠ, মেটে আলু, শাক ইত্যাদি কুড়িয়ে সেই বস্তায় ভরত। তারপর ডুলং নদী পেরিয়ে সে সরু সুবর্ণরেখায় বাঁশে বোনা জাল পেতে মাছ ধরত।
১৫.৭ 'এখন গ্রামে ইস্কুল, তবু...'- বক্তা কে? আগে কী ছিল?
উত্তর: এই উক্তিটির বক্তা হলেন অন্ধ ভজন ভুক্তা। আগে জঙ্গল দিয়ে চার মাইল হেঁটে গেলে তবে পাঠশালা পাওয়া যেত।
উত্তর: এখানে বীরসা মুন্ডার নেতৃত্বে মুন্ডাদের ইংরেজ সাহেবদের বিরুদ্ধে 'উলগুলান' বা বিদ্রোহের কথা বলা হয়েছে।
১৫.২ গাঁয়ের নাম হাতিঘর হল কেন?
উত্তর: মোতিবাবুর পূর্বপুরুষেরা যখন মস্ত জমিদার ছিলেন, তখন তাঁদের পাথরের বড়ো হাতিশালা এবং অনেক হাতি ছিল। সেই থেকে গ্রামটির নাম হয়েছিল 'হাতিঘর'।
১৫.৩ ভজন ভুক্তা এতোয়াকে কী বলত?
উত্তর: ভজন ভুক্তা এতোয়াকে বলত, "এতোয়া রে! ছেলে তুই বড্ড ভালো। ইস্কুলে যাস না এই বড় দুঃখ। ... যা, তুই ঘর যা বাছা! এখন আমি চলে যেতে পারব।"
১৫.৪ হাতিঘর-এ কেমন ভাবে যাবে সংক্ষেপে লেখো।
উত্তর: হাওড়া থেকে খড়গপুর গিয়ে বাসে চড়ে গুপ্তমণি মন্দিরের সামনে নামতে হবে। সেখান থেকে রোহিণীর বাসে বা হেঁটে দক্ষিণ-পশ্চিমে সাত-আট মাইল গেলে ছোট্ট একটা নদী পড়বে। সেটা পেরিয়ে রোহিণী গ্রাম এবং তার দক্ষিণে ডুলং নদী পার হলেই হাতিঘর গ্রামে পৌঁছানো যাবে।
১৫.৫ এতোয়া নামটি কেন হয়েছিল?
উত্তর: রবিবারে জন্ম হয়েছিল বলে আদিবাসী নিয়ম অনুযায়ী তার নাম রাখা হয়েছিল এতোয়া।
১৫.৬ এতোয়ার রোজকার কাজের বর্ণনা দাও।
উত্তর: এতোয়া রোজ মোতিবাবুর গোরু-ছাগল চরাত। এছাড়া সে দোকানদারের থেকে একটা বস্তা চেয়ে নিয়েছিল, গোরু চরাতে চরাতে সে টোকো আম, শুকনো কাঠ, মেটে আলু, শাক ইত্যাদি কুড়িয়ে সেই বস্তায় ভরত। তারপর ডুলং নদী পেরিয়ে সে সরু সুবর্ণরেখায় বাঁশে বোনা জাল পেতে মাছ ধরত।
১৫.৭ 'এখন গ্রামে ইস্কুল, তবু...'- বক্তা কে? আগে কী ছিল?
উত্তর: এই উক্তিটির বক্তা হলেন অন্ধ ভজন ভুক্তা। আগে জঙ্গল দিয়ে চার মাইল হেঁটে গেলে তবে পাঠশালা পাওয়া যেত।
১৬. বাঁদিকের শব্দের সঙ্গে মিল আছে এমন ডানদিকের শব্দ খোঁজো:
| বাঁদিক | ডানদিক (মিলযুক্ত শব্দ) |
|---|---|
| হাতি | শুঁড় |
| চাল | ধান |
| গ্রাম | পল্লি |
| চাঁদ | জ্যোৎস্না |
| পাতা | গাছ |
১৭. সংকেতটি অনুসরণ করে একটি গল্প বানাও।
(সংকেত: নদীর পাড়ে সূর্য অস্ত গেল। কোনো গ্রামে মাদল বাজছে। পরব এসে গেল। এখানে সব স্কুলে ছুটি পড়ে গেছে। এবারের ছুটিতে আমরা বন্ধুরা মিলে...)
গল্প: নদীর পাড়ে সূর্য অস্ত গেল। কোনো গ্রামে মাদল বাজছে। পরব এসে গেল। এখানে সব স্কুলে ছুটি পড়ে গেছে। এবারের ছুটিতে আমরা বন্ধুরা মিলে ঠিক করেছি নদীর ওপারের সাঁওতাল গ্রামে ওই পরব দেখতে যাব। সবাই মিলে ঠিক করলাম, এবারে আর শহরে নয়, আদিবাসী গ্রামের সেই মাদলের তালে আমরাও পা মেলাব। নদী পেরিয়ে আমরা যখন গ্রামে পৌঁছালাম, দেখলাম সবাই আগুনে গোল হয়ে ঘিরে আনন্দে নাচগান করছে। আমাদের দেখে গ্রামের লোকেরা খুব খুশি হলো এবং তাদের পরবের আনন্দ আমাদের সঙ্গে ভাগ করে নিল।
Sponsored Links