কবিতার পরিচিতি ও সারমর্ম
সারসংক্ষেপ:
বিশিষ্ট কবি শঙ্খ ঘোষের লেখা 'একলা' কবিতায় নিসর্গ প্রকৃতির সাথে মানুষের নিবিড় সম্পর্কের কথা বলা হয়েছে।
কবি বলেছেন, তিনি যখন একা থাকেন, তখন আসলে তিনি মোটেও একা থাকেন না। তাঁর চারপাশে সবুজ গাছপালা, বনের পথ এবং একটি দুষ্টু কাঠবিড়ালি তাঁর নিত্যসঙ্গী হয়ে ওঠে। কাঠবিড়ালির ছুটে পালানো দেখে কবিও আনন্দে তাঁর পিছু পিছু ছোটেন। গাছের ঝরা পাতাকে তাঁর মস্ত আশীর্বাদের মতো মনে হয়। প্রকৃতির এই সুন্দর পরিবেশের মধ্যে শালবন বা তালসুপারির বনে হারিয়ে গেলে তাঁর মনে কোনো দুঃখই থাকে না। নিস্তব্ধ প্রকৃতির অপরূপ রূপ ও চুপ-থাকাটাও তাঁর মনে এক অপূর্ব আনন্দের বাজনা বাজিয়ে দেয়।
কবি বলেছেন, তিনি যখন একা থাকেন, তখন আসলে তিনি মোটেও একা থাকেন না। তাঁর চারপাশে সবুজ গাছপালা, বনের পথ এবং একটি দুষ্টু কাঠবিড়ালি তাঁর নিত্যসঙ্গী হয়ে ওঠে। কাঠবিড়ালির ছুটে পালানো দেখে কবিও আনন্দে তাঁর পিছু পিছু ছোটেন। গাছের ঝরা পাতাকে তাঁর মস্ত আশীর্বাদের মতো মনে হয়। প্রকৃতির এই সুন্দর পরিবেশের মধ্যে শালবন বা তালসুপারির বনে হারিয়ে গেলে তাঁর মনে কোনো দুঃখই থাকে না। নিস্তব্ধ প্রকৃতির অপরূপ রূপ ও চুপ-থাকাটাও তাঁর মনে এক অপূর্ব আনন্দের বাজনা বাজিয়ে দেয়।
শব্দার্থ (Word Meanings)
| শব্দ | অর্থ |
|---|---|
| একলা | একা / সঙ্গীহীন |
| ইতস্তত | এখানে-ওখানে / চারদিকে |
| সাড়া | উত্তর দেওয়া / ডাকের জবাব |
| আশীর্বাদ | কল্যাণকামনা / দোয়া |
| কদ্দূরে | কত দূরে |
হাতে কলমে - প্রশ্ন ও উত্তর (Textbook Exercises)
১. নিজের ভাষায় লেখো :
১.১ তুমি কখন একলা থাকো?
উত্তর: দুপুরে সবাই যখন ঘুমিয়ে পড়ে এবং বিকেলে যখন আমার বন্ধুরা খেলতে আসে না, তখন আমি একলা থাকি।
১.২ সবুজ গাছপালায় ছাওয়া পথ তুমি কোথায় দেখেছ? সে পথে চলতে তোমার কেমন লেগেছে?
উত্তর: আমি আমার গ্রামের বাড়িতে এবং পাহাড়ে বেড়াতে গিয়ে সবুজ গাছপালায় ছাওয়া পথ দেখেছি। সেই পথে চলতে আমার খুব শান্ত, স্নিগ্ধ ও আনন্দদায়ক লেগেছে।
১.৩ কত রঙের, কত রকমের পাথর তুমি দেখেছ?
উত্তর: আমি সাদা, কালো, লাল, বাদামি এবং ছাই রঙের পাথর দেখেছি। এগুলির মধ্যে কিছু পাথর নদীর ধারের মসৃণ নুড়ি পাথর এবং কিছু এবড়োখেবড়ো পাহাড়ি পাথর।
১.৪ গাছের থেকে কোন ঋতুতে পাতা ঝরে? কোন কোন গাছ থেকে পাতা ঝরতে তুমি দেখেছ?
উত্তর: সাধারণত শীতের শেষে এবং বসন্ত ঋতুতে গাছের পাতা ঝরে। আমি আম, জাম, শিমুল, অশ্বত্থ এবং বট গাছ থেকে পাতা ঝরতে দেখেছি।
১.৫ গাছ আমাদের কী কী দেয় তা পাঁচটি বাক্যে লেখো।
উত্তর:
১) গাছ আমাদের বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য অক্সিজেন দেয়।
২) গাছ আমাদের সুস্বাদু ফল এবং সুন্দর ফুল দেয়।
৩) গাছের থেকে আমরা আসবাবপত্র তৈরি করার জন্য কাঠ পাই।
৪) প্রখর রোদে গাছ আমাদের শীতল ছায়া প্রদান করে।
৫) গাছ বৃষ্টিপাত ঘটাতে সাহায্য করে এবং মাটির ক্ষয় রোধ করে।
১.৬ পশ্চিমবঙ্গের কোন জেলায় 'শালবন' রয়েছে? শালপাতাকে মানুষ কী কী ভাবে ব্যবহার করে?
উত্তর: পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়া জেলায় শালবন রয়েছে। মানুষ শালপাতাকে সেলাই করে খাওয়ার থালা ও বাটি হিসেবে ব্যবহার করে।
১.৭ 'বাজনা' শব্দটা শুনলে তোমার চোখে কোন কোন ছবি ভেসে ওঠে? কোন কোন বাজনার নাম তুমি জানো? কোন কোন বাজনা বাজতে দেখেছ তুমি?
উত্তর: 'বাজনা' শব্দটি শুনলে আমার চোখে উৎসব, অনুষ্ঠান এবং আনন্দমুখর পরিবেশের ছবি ভেসে ওঠে। আমি তবলা, হারমোনিয়াম, বাঁশি, গিটার, ঢাক, ঢোল এবং খোল ইত্যাদি বাজনার নাম জানি এবং এই সমস্ত বাজনাগুলোই আমি বাজতে দেখেছি।
উত্তর: দুপুরে সবাই যখন ঘুমিয়ে পড়ে এবং বিকেলে যখন আমার বন্ধুরা খেলতে আসে না, তখন আমি একলা থাকি।
১.২ সবুজ গাছপালায় ছাওয়া পথ তুমি কোথায় দেখেছ? সে পথে চলতে তোমার কেমন লেগেছে?
উত্তর: আমি আমার গ্রামের বাড়িতে এবং পাহাড়ে বেড়াতে গিয়ে সবুজ গাছপালায় ছাওয়া পথ দেখেছি। সেই পথে চলতে আমার খুব শান্ত, স্নিগ্ধ ও আনন্দদায়ক লেগেছে।
১.৩ কত রঙের, কত রকমের পাথর তুমি দেখেছ?
উত্তর: আমি সাদা, কালো, লাল, বাদামি এবং ছাই রঙের পাথর দেখেছি। এগুলির মধ্যে কিছু পাথর নদীর ধারের মসৃণ নুড়ি পাথর এবং কিছু এবড়োখেবড়ো পাহাড়ি পাথর।
১.৪ গাছের থেকে কোন ঋতুতে পাতা ঝরে? কোন কোন গাছ থেকে পাতা ঝরতে তুমি দেখেছ?
উত্তর: সাধারণত শীতের শেষে এবং বসন্ত ঋতুতে গাছের পাতা ঝরে। আমি আম, জাম, শিমুল, অশ্বত্থ এবং বট গাছ থেকে পাতা ঝরতে দেখেছি।
১.৫ গাছ আমাদের কী কী দেয় তা পাঁচটি বাক্যে লেখো।
উত্তর:
১) গাছ আমাদের বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য অক্সিজেন দেয়।
২) গাছ আমাদের সুস্বাদু ফল এবং সুন্দর ফুল দেয়।
৩) গাছের থেকে আমরা আসবাবপত্র তৈরি করার জন্য কাঠ পাই।
৪) প্রখর রোদে গাছ আমাদের শীতল ছায়া প্রদান করে।
৫) গাছ বৃষ্টিপাত ঘটাতে সাহায্য করে এবং মাটির ক্ষয় রোধ করে।
১.৬ পশ্চিমবঙ্গের কোন জেলায় 'শালবন' রয়েছে? শালপাতাকে মানুষ কী কী ভাবে ব্যবহার করে?
উত্তর: পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়া জেলায় শালবন রয়েছে। মানুষ শালপাতাকে সেলাই করে খাওয়ার থালা ও বাটি হিসেবে ব্যবহার করে।
১.৭ 'বাজনা' শব্দটা শুনলে তোমার চোখে কোন কোন ছবি ভেসে ওঠে? কোন কোন বাজনার নাম তুমি জানো? কোন কোন বাজনা বাজতে দেখেছ তুমি?
উত্তর: 'বাজনা' শব্দটি শুনলে আমার চোখে উৎসব, অনুষ্ঠান এবং আনন্দমুখর পরিবেশের ছবি ভেসে ওঠে। আমি তবলা, হারমোনিয়াম, বাঁশি, গিটার, ঢাক, ঢোল এবং খোল ইত্যাদি বাজনার নাম জানি এবং এই সমস্ত বাজনাগুলোই আমি বাজতে দেখেছি।
২. নীচের কথাগুলো তুমি মুখে বললে যেভাবে বলতে, সেইভাবে সাজিয়ে লেখো :
২.১ ভুলিয়ে দেয় সব হিসাব ও
সাজিয়ে লেখা: ও সব হিসাব ভুলিয়ে দেয়।
২.২ থাকে না আর দুঃখ কোনোই
সাজিয়ে লেখা: আর কোনোই দুঃখ থাকে না।
২.৩ ঠিক যদি দিই সাড়া
সাজিয়ে লেখা: যদি ঠিক সাড়া দিই।
সাজিয়ে লেখা: ও সব হিসাব ভুলিয়ে দেয়।
২.২ থাকে না আর দুঃখ কোনোই
সাজিয়ে লেখা: আর কোনোই দুঃখ থাকে না।
২.৩ ঠিক যদি দিই সাড়া
সাজিয়ে লেখা: যদি ঠিক সাড়া দিই।
৩. নীচের এলোমেলো শব্দগুলো সাজিয়ে দেখো চেনা চেহারা পায় কিনা :
পু রি তা সু ল ➔ তালসুপারি
লা পা ছ গা ➔ গাছপালা
লি ড়া কা বে ঠ ➔ কাঠবিড়ালি
ত ত স্ত ই ➔ ইতস্তত
লা পা ছ গা ➔ গাছপালা
লি ড়া কা বে ঠ ➔ কাঠবিড়ালি
ত ত স্ত ই ➔ ইতস্তত
৪. 'এদিক-ওদিক'— এই কথাটায় এক ধরনের শব্দেরা যেমন পাশাপাশি বসে আছে, সেইরকম পাশাপাশি বসে-থাকা শব্দ পারলে নিজেই লেখো, নয়তো খুঁজে নাও শব্দঝুড়ি থেকে।
(শব্দঝুড়ি: ওখানে, সেরকম, সেকাল, ওপার)
এপার — ওপার
এখানে — ওখানে
একাল — সেকাল
এরকম — সেরকম
এপার — ওপার
এখানে — ওখানে
একাল — সেকাল
এরকম — সেরকম
৫. 'ঘর-বার' এইরকম পাশাপাশি বসে থাকা উল্টো কথা তুমি কটা জানো লেখো।
উত্তর: এইরকম পাশাপাশি বসে থাকা কয়েকটি বিপরীত শব্দ বা উল্টো কথা হলো— দিন-রাত, ভালো-মন্দ, সুখ-দুঃখ, আলো-আঁধার, ছোটো-বড়ো, হাসি-কান্না।
৬. শব্দঝুড়ি থেকে খুঁজে বার করো নীচের কোন শব্দটার সঙ্গে কোন শব্দটার বিপরীত সম্পর্ক আছে :
(শব্দঝুড়ি: অভিশাপ, ছোটো, সুখ)
মস্ত ➔ ছোটো
দুঃখ ➔ সুখ
আশীর্বাদ ➔ অভিশাপ
মস্ত ➔ ছোটো
দুঃখ ➔ সুখ
আশীর্বাদ ➔ অভিশাপ
৭. নীচের দাগ দেওয়া শব্দগুলো দেখে বিশেষ্য বিশেষণ আলাদা করে লেখো :
৭.১ আমি যখন একলা থাকি... ➔ বিশেষণ (Adjective)
৭.২ থাকে সবুজ গাছপালা... ➔ বিশেষণ (Adjective)
৭.৩ মস্ত আশীর্বাদের মতো মাথার উপর ইতস্তত... ➔ মাথার: বিশেষ্য (Noun), ইতস্তত: অব্যয়/ক্রিয়াবিশেষণ (Adverb)
৭.৪ গাছের থেকে ঝরতে থাকে পাতা। ➔ বিশেষ্য (Noun)
৭.২ থাকে সবুজ গাছপালা... ➔ বিশেষণ (Adjective)
৭.৩ মস্ত আশীর্বাদের মতো মাথার উপর ইতস্তত... ➔ মাথার: বিশেষ্য (Noun), ইতস্তত: অব্যয়/ক্রিয়াবিশেষণ (Adverb)
৭.৪ গাছের থেকে ঝরতে থাকে পাতা। ➔ বিশেষ্য (Noun)
৮. নীচের বিশেষ্য শব্দগুলোকে বিশেষণে বদলালে কী হবে :
(শব্দঝুড়ি: গেছো, বুনো, দুঃখী/দুঃখিত, পাথুরে, মেটে)
গাছ ➔ গেছো
বন ➔ বুনো
দুঃখ ➔ দুঃখী / দুঃখিত
পাথর ➔ পাথুরে
মাটি ➔ মেটে
গাছ ➔ গেছো
বন ➔ বুনো
দুঃখ ➔ দুঃখী / দুঃখিত
পাথর ➔ পাথুরে
মাটি ➔ মেটে
৯. শূন্যস্থান পূরণ করো :
৯.১ আমি যখন একলা থাকি, তখন আমার [ভালোই লাগে]।
৯.২ কোন গাছ তোমার সবচেয়ে পছন্দের? [আম গাছ]।
সে গাছ কি তুমি দেখেছ? [হ্যাঁ, দেখেছি]।
কেন ওই গাছকেই সবচেয়ে ভালো লাগে তোমার?
[আম] গাছটাকেই আমার সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে কারণ [এই গাছের ফল খেতে খুব সুস্বাদু মিষ্টি হয় এবং গাছটি অনেক ঘন ছায়া দেয়]।
৯.৩ কেমন বন্ধু তোমার ভালো লাগে?
আমার ভালো লাগবে যদি আমার বন্ধু হয় [খুব সৎ, সরল এবং যে সব সময় বিপদে পাশে দাঁড়ায়]।
৯.২ কোন গাছ তোমার সবচেয়ে পছন্দের? [আম গাছ]।
সে গাছ কি তুমি দেখেছ? [হ্যাঁ, দেখেছি]।
কেন ওই গাছকেই সবচেয়ে ভালো লাগে তোমার?
[আম] গাছটাকেই আমার সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে কারণ [এই গাছের ফল খেতে খুব সুস্বাদু মিষ্টি হয় এবং গাছটি অনেক ঘন ছায়া দেয়]।
৯.৩ কেমন বন্ধু তোমার ভালো লাগে?
আমার ভালো লাগবে যদি আমার বন্ধু হয় [খুব সৎ, সরল এবং যে সব সময় বিপদে পাশে দাঁড়ায়]।
১০. শঙ্খ ঘোষ সম্পর্কিত প্রশ্ন:
১০.১ কবি শঙ্খ ঘোষের প্রথম কবিতার বই কোনটি?
উত্তর: কবি শঙ্খ ঘোষের প্রথম কবিতার বই হলো 'দিনগুলি রাতগুলি'।
১০.২ তাঁর লেখা দুটি ছোটোদের বইয়ের নাম লেখো।
উত্তর: তাঁর লেখা ছোটোদের দুটি বই হলো— 'ছোট্ট একটা ইস্কুল' এবং 'অল্পবয়স কল্পবয়স'।
১০.৩ 'একলা' কবিতাটি তাঁর কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?
উত্তর: 'একলা' কবিতাটি তাঁর 'আমায় তুমি লক্ষ্মী বলো' কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।
উত্তর: কবি শঙ্খ ঘোষের প্রথম কবিতার বই হলো 'দিনগুলি রাতগুলি'।
১০.২ তাঁর লেখা দুটি ছোটোদের বইয়ের নাম লেখো।
উত্তর: তাঁর লেখা ছোটোদের দুটি বই হলো— 'ছোট্ট একটা ইস্কুল' এবং 'অল্পবয়স কল্পবয়স'।
১০.৩ 'একলা' কবিতাটি তাঁর কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?
উত্তর: 'একলা' কবিতাটি তাঁর 'আমায় তুমি লক্ষ্মী বলো' কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।
১১. নিজের ভাষায় লেখো :
১১.১ কবি যখন একলা থাকেন, তখন তাঁর সঙ্গে কারা থাকে?
উত্তর: কবি যখন একলা থাকেন, তখন তাঁর সঙ্গে থাকে সবুজ গাছপালা, বনের পথ এবং একটি দুষ্টু কাঠবিড়ালি।
১১.২ কবিতায় বর্ণিত কাঠবিড়ালিকে ধরতে পারার চেষ্টায় কবি সফল হন কি?
উত্তর: না, কাঠবিড়ালিকে ধরতে পারার চেষ্টায় কবি সফল হন না। কারণ, কবি তাকে ধরতে গেলেই সে সব হিসাব ভুলিয়ে দিয়ে দ্রুত ছুটে পালায়।
১১.৩ কবি কোন বিষয়কে 'মস্ত আশীর্বাদ' বলেছেন?
উত্তর: মাথার ওপর ইতস্ততভাবে গাছের পাতা ঝরে পড়াকে কবি 'মস্ত আশীর্বাদ' বলেছেন। প্রকৃতির এই দানকে তিনি আশীর্বাদের সঙ্গে তুলনা করেছেন।
১১.৪ কবির মনে কখন আর কোনো দুঃখই থাকে না?
উত্তর: প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের মধ্যে অর্থাৎ শালবনে বা তালসুপারির বনে যখন কবি একা ঘুরে বেড়ান, তখন তাঁর মনে আর কোনো দুঃখই থাকে না।
১১.৫ চুপ-থাকাটাও কীভাবে কবির মনে বাজনা বাজায়?
উত্তর: প্রকৃতির এক নিস্তব্ধ ও শান্ত রূপ রয়েছে। সেই নীরবতার মধ্যেও যে এক ধরনের সুর বা ছন্দ আছে, তা কবি তাঁর মনের ভেতর অনুভব করতে পারেন। তাই প্রকৃতির এই চুপ-থাকাটাও কবির মনে আনন্দের বাজনা বাজিয়ে তোলে।
১১.৬ মনে করো একদিন তুমি বাড়িতে একলা ছিলে। সারাদিন তুমি যা যা করেছ দিনলিপির আকারে লেখো।
উত্তর: (নমুনা উত্তর) আজ রবিবার, আমি বাড়িতে একলা ছিলাম। সকালে ঘুম থেকে উঠে আমি গল্পের বই পড়েছি। তারপর আমি রঙ পেন্সিল নিয়ে আমার আঁকার খাতায় সুন্দর একটা গ্রামের ছবি এঁকেছি। দুপুরে খেয়েদেয়ে ছাদে গিয়ে কিছুক্ষণ পাখিদের ওড়াউড়ি দেখেছি। বিকেলে বাগানের গাছে জল দিয়েছি। একা থাকলেও দিনটা আমার বেশ মজাতেই কেটেছে।
১১.৭ পরিবারে কে কে তোমার সঙ্গে থাকেন?
উত্তর: আমার পরিবারে আমার সঙ্গে বাবা, মা, ঠাকুরদা, ঠাকুমা এবং আমার ছোটো বোন থাকে।
১১.৮ স্বাধীনভাবে তোমাকে ছুটে যেতে দেওয়া হলে তুমি কোথায় যেতে চাইবে?
উত্তর: স্বাধীনভাবে আমাকে ছুটে যেতে দেওয়া হলে আমি খোলা মাঠের বুক চিরে দূরে ওই পাহাড়ের কাছে ছুটে যেতে চাইব।
১১.৯ 'কাঠবিড়ালি' নিয়ে কাজী নজরুল ইসলামের খুব সুন্দর একটা ছড়া আছে। শিক্ষকের থেকে শুনে নিয়ে খাতায় লিখে রাখো।
উত্তর: কাজী নজরুল ইসলামের লেখা সেই বিখ্যাত কবিতাটি হলো—
"কাঠবিড়ালি! কাঠবিড়ালি! পেয়ারা তুমি খাও?
গুড় মুড়ি খাও? দুধ-ভাত খাও? বাতাবি নেবু? লাউ?"
১১.১০ জগদীশচন্দ্র বসু আমাদের শিখিয়েছেন যে, 'গাছেরাও প্রাণ আছে।'— তুমি একথা কীভাবে বুঝতে পারো?
উত্তর: গাছেরও যে প্রাণ আছে তা আমরা সহজেই বুঝতে পারি। বীজ থেকে একটি চারাগাছ জন্ম নেয় এবং ধীরে ধীরে তা বড়ো হয়। তারা খাবার গ্রহণ করে, ফুল ও ফল দেয়। আবার, লজ্জাবতী গাছের পাতায় হাত দিলে পাতাগুলি বুজে যায়, যা প্রমাণ করে যে তাদের অনুভূতি ও প্রাণ রয়েছে।
১১.১১ তোমার পরিবেশে তুমি কোন কোন কীটপতঙ্গ/ পশু/ পাখি নজর করেছ?
উত্তর: আমি আমার পরিবেশে কীটপতঙ্গের মধ্যে প্রজাপতি, ফড়িং, পিঁপড়ে ও মৌমাছি দেখেছি। পশুদের মধ্যে কুকুর, বিড়াল ও গরু দেখেছি। পাখিদের মধ্যে কাক, চড়াই, শালিক এবং টিয়া পাখি নজর করেছি।
১১.১২ তোমার প্রতিদিনের চলার পথটি কেমন? সে পথের দু'পাশে তুমি রোজ কী কী দেখো তা বন্ধুর সঙ্গে আলোচনা করো।
উত্তর: আমার প্রতিদিনের চলার পথটি পিচ বাঁধানো এবং মসৃণ। এই পথের দু'পাশে আমি রোজ সারি সারি বড়ো বড়ো গাছ, ছোটো ছোটো ঘরবাড়ি, ফুলের বাগান এবং মাঠে চরতে থাকা গরু ও ছাগল দেখি।
উত্তর: কবি যখন একলা থাকেন, তখন তাঁর সঙ্গে থাকে সবুজ গাছপালা, বনের পথ এবং একটি দুষ্টু কাঠবিড়ালি।
১১.২ কবিতায় বর্ণিত কাঠবিড়ালিকে ধরতে পারার চেষ্টায় কবি সফল হন কি?
উত্তর: না, কাঠবিড়ালিকে ধরতে পারার চেষ্টায় কবি সফল হন না। কারণ, কবি তাকে ধরতে গেলেই সে সব হিসাব ভুলিয়ে দিয়ে দ্রুত ছুটে পালায়।
১১.৩ কবি কোন বিষয়কে 'মস্ত আশীর্বাদ' বলেছেন?
উত্তর: মাথার ওপর ইতস্ততভাবে গাছের পাতা ঝরে পড়াকে কবি 'মস্ত আশীর্বাদ' বলেছেন। প্রকৃতির এই দানকে তিনি আশীর্বাদের সঙ্গে তুলনা করেছেন।
১১.৪ কবির মনে কখন আর কোনো দুঃখই থাকে না?
উত্তর: প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের মধ্যে অর্থাৎ শালবনে বা তালসুপারির বনে যখন কবি একা ঘুরে বেড়ান, তখন তাঁর মনে আর কোনো দুঃখই থাকে না।
১১.৫ চুপ-থাকাটাও কীভাবে কবির মনে বাজনা বাজায়?
উত্তর: প্রকৃতির এক নিস্তব্ধ ও শান্ত রূপ রয়েছে। সেই নীরবতার মধ্যেও যে এক ধরনের সুর বা ছন্দ আছে, তা কবি তাঁর মনের ভেতর অনুভব করতে পারেন। তাই প্রকৃতির এই চুপ-থাকাটাও কবির মনে আনন্দের বাজনা বাজিয়ে তোলে।
১১.৬ মনে করো একদিন তুমি বাড়িতে একলা ছিলে। সারাদিন তুমি যা যা করেছ দিনলিপির আকারে লেখো।
উত্তর: (নমুনা উত্তর) আজ রবিবার, আমি বাড়িতে একলা ছিলাম। সকালে ঘুম থেকে উঠে আমি গল্পের বই পড়েছি। তারপর আমি রঙ পেন্সিল নিয়ে আমার আঁকার খাতায় সুন্দর একটা গ্রামের ছবি এঁকেছি। দুপুরে খেয়েদেয়ে ছাদে গিয়ে কিছুক্ষণ পাখিদের ওড়াউড়ি দেখেছি। বিকেলে বাগানের গাছে জল দিয়েছি। একা থাকলেও দিনটা আমার বেশ মজাতেই কেটেছে।
১১.৭ পরিবারে কে কে তোমার সঙ্গে থাকেন?
উত্তর: আমার পরিবারে আমার সঙ্গে বাবা, মা, ঠাকুরদা, ঠাকুমা এবং আমার ছোটো বোন থাকে।
১১.৮ স্বাধীনভাবে তোমাকে ছুটে যেতে দেওয়া হলে তুমি কোথায় যেতে চাইবে?
উত্তর: স্বাধীনভাবে আমাকে ছুটে যেতে দেওয়া হলে আমি খোলা মাঠের বুক চিরে দূরে ওই পাহাড়ের কাছে ছুটে যেতে চাইব।
১১.৯ 'কাঠবিড়ালি' নিয়ে কাজী নজরুল ইসলামের খুব সুন্দর একটা ছড়া আছে। শিক্ষকের থেকে শুনে নিয়ে খাতায় লিখে রাখো।
উত্তর: কাজী নজরুল ইসলামের লেখা সেই বিখ্যাত কবিতাটি হলো—
"কাঠবিড়ালি! কাঠবিড়ালি! পেয়ারা তুমি খাও?
গুড় মুড়ি খাও? দুধ-ভাত খাও? বাতাবি নেবু? লাউ?"
১১.১০ জগদীশচন্দ্র বসু আমাদের শিখিয়েছেন যে, 'গাছেরাও প্রাণ আছে।'— তুমি একথা কীভাবে বুঝতে পারো?
উত্তর: গাছেরও যে প্রাণ আছে তা আমরা সহজেই বুঝতে পারি। বীজ থেকে একটি চারাগাছ জন্ম নেয় এবং ধীরে ধীরে তা বড়ো হয়। তারা খাবার গ্রহণ করে, ফুল ও ফল দেয়। আবার, লজ্জাবতী গাছের পাতায় হাত দিলে পাতাগুলি বুজে যায়, যা প্রমাণ করে যে তাদের অনুভূতি ও প্রাণ রয়েছে।
১১.১১ তোমার পরিবেশে তুমি কোন কোন কীটপতঙ্গ/ পশু/ পাখি নজর করেছ?
উত্তর: আমি আমার পরিবেশে কীটপতঙ্গের মধ্যে প্রজাপতি, ফড়িং, পিঁপড়ে ও মৌমাছি দেখেছি। পশুদের মধ্যে কুকুর, বিড়াল ও গরু দেখেছি। পাখিদের মধ্যে কাক, চড়াই, শালিক এবং টিয়া পাখি নজর করেছি।
১১.১২ তোমার প্রতিদিনের চলার পথটি কেমন? সে পথের দু'পাশে তুমি রোজ কী কী দেখো তা বন্ধুর সঙ্গে আলোচনা করো।
উত্তর: আমার প্রতিদিনের চলার পথটি পিচ বাঁধানো এবং মসৃণ। এই পথের দু'পাশে আমি রোজ সারি সারি বড়ো বড়ো গাছ, ছোটো ছোটো ঘরবাড়ি, ফুলের বাগান এবং মাঠে চরতে থাকা গরু ও ছাগল দেখি।
Sponsored Links