Madhyamik History Chapter 8 Mock Test (Set 1)

WBBSE মাধ্যমিক ইতিহাস অষ্টম অধ্যায় "উত্তর-ঔপনিবেশিক ভারত: বিশ শতকের দ্বিতীয় পর্ব (১৯৪৭-১৯৬৪)"-এর ওপর প্রথম মক টেস্ট সেট। এতে রয়েছে ৩০টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ MCQ প্রশ্ন। আপনার মাধ্যমিক ২০২৭ পরীক্ষার প্রস্তুতি যাচাই করতে প্রতিটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিন।

Score: 0 / 30 (0/30)
Question 1 of 30
1. স্বাধীন ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে কে দায়িত্ব নেন?
ব্যাখ্যা: ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দের ২৬ জানুয়ারি ভারতীয় প্রজাতন্ত্র আনুষ্ঠানিকভাবে বলবৎ হলে ড. রাজেন্দ্র প্রসাদ স্বাধীন ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন।
Question 2 of 30
2. ভারতীয় সংবিধান কবে অনুমোদিত হয়?
ব্যাখ্যা: স্বাধীনতার পূর্বে গঠিত গণপরিষদ ড. বি আর আম্বেদকরের নেতৃত্বে সংবিধান রচনা করে, যা ১৯৪৯ সালের ২৬ নভেম্বর অনুমোদিত হয়।
Question 3 of 30
3. স্বাধীনতার পূর্বে ভারতে ব্রিটিশ শাসিত প্রদেশ ছাড়াও অসংখ্য দেশীয় রাজ্য ছিল, এদের নিয়ন্ত্রক কে ছিলেন?
ব্যাখ্যা: স্বাধীনতার পূর্বে ভারতে দু-ধরনের রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রচলিত ছিল- ব্রিটিশ ভারত আর অসংখ্য দেশীয় রাজ্য, যাদের নিয়ন্ত্রক ও অভিভাবক ছিল ব্রিটিশ শাসকরা।
Question 4 of 30
4. স্বাধীনতার পর দেশীয় রাজ্যগুলির ভারতভুক্তির দায়িত্ব কার ওপর ন্যস্ত হয়েছিল?
ব্যাখ্যা: স্বাধীনতা লাভের পর উপ-প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ওপর দেশীয় রাজ্য দফতরের দায়িত্ব ন্যস্ত হয়।
Question 5 of 30
5. ভারতের "লৌহমানব" নামে কে বন্দিত হন?
ব্যাখ্যা: দেশীয় রাজ্যগুলিকে ভারতভুক্তির কাজে অভাবনীয় কর্মকুশলতা দেখানোর জন্য সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল "ভারতের লৌহমানব" নামে বন্দিত হন।
Question 6 of 30
6. দেশীয় রাজ্যগুলির ভারতভুক্তির কাজে সর্দার প্যাটেলের যোগ্য সহযোগী কে ছিলেন?
ব্যাখ্যা: দেশীয় রাজ্যগুলির সংযুক্তিকরণের বিষয়ে সর্দার প্যাটেলের যোগ্য সহযোগী ছিলেন প্রখ্যাত প্রশাসক ভি পি মেনন।
Question 7 of 30
7. দেশীয় রাজ্যগুলির অন্তর্ভুক্তির জন্য কোন চুক্তিপত্র স্বাক্ষর করানো হয়েছিল?
ব্যাখ্যা: দেশীয় রাজ্যগুলির অন্তর্ভুক্তির জন্য সংযুক্তিকরণ-সংক্রান্ত একটি চুক্তিপত্র (Instrument of Agreement) পেশ করা হয়।
Question 8 of 30
8. ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দের ফেব্রুয়ারিতে কোন দেশীয় রাজ্যে গণভোট অনুষ্ঠিত হয় এবং তারা ভারতে যোগ দেয়?
ব্যাখ্যা: ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দের জানুয়ারি মাসের মধ্যে হায়দরাবাদ ও জুনাগড় ছাড়া অন্যান্য রাজ্য ভারতে যুক্ত হয়। পরে ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দের ফেব্রুয়ারি মাসে জুনাগড়ে গণভোট হয় এবং তারা ভারতে যোগদান করে।
Question 9 of 30
9. ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দের ২৬ অক্টোবর কাশ্মীরের কোন মহারাজা সরকারিভাবে ভারত ইউনিয়নে যোগদানের সিদ্ধান্ত নেন?
ব্যাখ্যা: উপজাতীয় হানাদারদের আক্রমণে বিপন্ন হয়ে ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দের ২৬ অক্টোবর কাশ্মীরের মহারাজা হরি সিং সরকারিভাবে ভারত ইউনিয়নে যোগদান করেন।
Question 10 of 30
10. কাশ্মীরের ভারতভুক্তিতে কোন রাজনৈতিক নেতা সম্মতি জানিয়েছিলেন?
ব্যাখ্যা: নিখিল জম্মু-কাশ্মীর ন্যাশনাল কনফারেন্সের সভাপতি শেখ আবদুল্লা কাশ্মীরের ভারতভুক্তিতে সম্মতি জানিয়েছিলেন।
Question 11 of 30
11. সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদের উদ্যোগে কবে কাশ্মীরে যুদ্ধবিরতি ঘোষিত হয়?
ব্যাখ্যা: সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদের উদ্যোগে ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দের ৩১ ডিসেম্বর কাশ্মীরে যুদ্ধবিরতি ঘোষিত হয়।
Question 12 of 30
12. ১৯৪৭ সালের নভেম্বরে ভারত ইউনিয়নের সঙ্গে কোন রাজ্য "স্থিতাবস্থা চুক্তি" (Stand-still Agreement) স্বাক্ষর করে?
ব্যাখ্যা: ভারত বিভক্ত হওয়ার পূর্ববর্তী অবস্থা অপরিবর্তিত রাখার উদ্দেশ্যে ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দের নভেম্বর মাসে হায়দরাবাদ ভারত ইউনিয়নের সঙ্গে এক "স্থিতাবস্থা চুক্তি" সম্পাদন করে।
Question 13 of 30
13. হায়দরাবাদে ভারত-বিরোধী ও উগ্র-সাম্প্রদায়িক সংস্থা মজলিস্-ইত্তেহাদ-উল-মুসলিমিন-এর নেতা কে ছিলেন?
ব্যাখ্যা: হায়দরাবাদের নিজাম মজলিস্-ইত্তেহাদ-উল-মুসলিমিন নামে এক উগ্র-সাম্প্রদায়িক ও ভারত-বিরোধী সংস্থার নেতা কাশিম রেজভির প্রভাবে আচ্ছন্ন হয়েছিলেন।
Question 14 of 30
14. হায়দরাবাদে কাশিম রেজভির অনুগামী সশস্ত্র ও ভারত-বিরোধী বাহিনীকে কী বলা হত?
ব্যাখ্যা: হায়দরাবাদের নিজামের দেওয়ান সায়েক আলির সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাশিম রেজভির অনুগামী "রাজাকার" বাহিনী অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছিল।
Question 15 of 30
15. কার নেতৃত্বে ভারতীয় সেনাবাহিনী ১৯৪৮ সালের সেপ্টেম্বরে হায়দরাবাদ দখল করে?
ব্যাখ্যা: ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দের ১৭ সেপ্টেম্বর হায়দরাবাদ রাজ্যের সেনাপতি এল-ইদুস ভারতীয় সেনাপতি মেজর জেনারেল জে এন চৌধুরির কাছে আত্মসমর্পণ করেন।
Question 16 of 30
16. ভারত স্বাধীন হওয়ার অব্যবহিত পরবর্তী সময়কে কোন ঐতিহাসিক "বিষণ্ণ প্রভাত" (Sad morning) বলে অভিহিত করেছেন?
ব্যাখ্যা: স্বাধীনতার পরেই নেমে আসা লক্ষ লক্ষ ছিন্নমূল বাস্তুহারা মানুষের ঢল দেখে ঐতিহাসিক এস গোপাল স্বাধীনতার অব্যবহিত পরবর্তী সময়কে "বিষণ্ণ প্রভাত" বলে অভিহিত করেছেন।
Question 17 of 30
17. পশ্চিম সীমান্তে দেশভাগের ফলে উদ্বাস্তুদের নিজ দেশ ত্যাগ করার মর্মান্তিক কাহিনি কে তাঁর "এ ট্রেন টু পাকিস্তান" গ্রন্থে লিখেছেন?
ব্যাখ্যা: পশ্চিম সীমান্তে (পাঞ্জাবে) উদ্বাস্তুদের নিজ দেশ ত্যাগ করার মর্মান্তিক কাহিনি অনবদ্য ভাষায় লিখেছেন খুশবন্ত সিং তাঁর "এ ট্রেন টু পাকিস্তান" গ্রন্থে।
Question 18 of 30
18. উদ্বাস্তু সমস্যা বিষয়ে "My Reminiscences" বা স্মৃতিচারণ গ্রন্থটি কে রচনা করেছেন?
ব্যাখ্যা: মহিলা নেত্রী এবং পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন উদ্বাস্তু ও ত্রাণ-মন্ত্রী রেণুকা রায় তাঁর স্মৃতিচারণ গ্রন্থ "My Reminiscences"-এ পূর্ব বাংলা থেকে আগত উদ্বাস্তু সমস্যার বস্তুনিষ্ঠ আলোচনা করেছেন।
Question 19 of 30
19. ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দের এপ্রিলে জওহরলাল নেহরু পাকিস্তানের কোন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উদ্বাস্তু সমস্যা সমাধানে চুক্তিবদ্ধ হন?
ব্যাখ্যা: উদ্বাস্তু সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দের এপ্রিল মাসে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলি খাঁর সঙ্গে এক চুক্তিতে (নেহরু-লিয়াকত চুক্তি) আবদ্ধ হন।
Question 20 of 30
20. দেশবিভাগের পর পূর্ব বাংলা থেকে আগত উদ্বাস্তুদের জীবনসংগ্রাম ও প্রতিরোধ নিয়ে লেখা "The Marginal Man" গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
ব্যাখ্যা: দেশবিভাগের পর পূর্ব বাংলা থেকে উদ্বাস্তুদের আগমন ও তাদের সংঘবদ্ধ প্রতিরোধের প্রামাণ্য ইতিহাস মেলে অধ্যাপক প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী রচিত "The Marginal Man" গ্রন্থে।
Question 21 of 30
21. উদ্বাস্তু মহিলাদের জীবনসংগ্রাম ও নারী জাগরণ নিয়ে তৈরি ঋত্বিক ঘটকের বিখ্যাত চলচ্চিত্রটির নাম কী?
ব্যাখ্যা: উদ্বাস্তুদের জীবনকাহিনি চলচ্চিত্রেও স্থান পেয়েছে। ঋত্বিক ঘটকের "মেঘে ঢাকা তারা" চলচ্চিত্রে উদ্বাস্তু মহিলাদের জীবনসংগ্রামের মধ্য দিয়ে "নারী জাগরণ" ঘটেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
Question 22 of 30
22. সংবিধান-সভা কবে ভাষাভিত্তিক রাজ্য পুনর্গঠন সংক্রান্ত কমিশন গঠন করে, যা ভাষাভিত্তিক রাজ্য গঠনের বিপক্ষে মত দেয়?
ব্যাখ্যা: মহাত্মা গান্ধি ভাষাভিত্তিক রাজ্য গঠনের পক্ষে মত দিলেও, ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দে সংবিধান-সভা কর্তৃক গঠিত কমিশন ভাষাভিত্তিক রাজ্য গঠনের বিপক্ষে মত দেয়।
Question 23 of 30
23. ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দে পৃথক অন্ধ্রপ্রদেশ রাজ্যের দাবিতে কে দীর্ঘ অনশন করে প্রাণত্যাগ করেন?
ব্যাখ্যা: অবিভক্ত মাদ্রাজ প্রদেশের তেলুগু ভাষাভাষী অঞ্চল নিয়ে পৃথক রাজ্য গঠনের দাবিতে ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দের অক্টোবরে পত্তি শ্রীরামালু দীর্ঘ অনশনের পর ১৫ ডিসেম্বর প্রাণত্যাগ করেন।
Question 24 of 30
24. ভারত সরকার কবে পৃথক "অন্ধ্রপ্রদেশ" রাজ্য গঠন করতে বাধ্য হয়?
ব্যাখ্যা: পত্তি শ্রীরামালুর মৃত্যুর পর পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠলে কেন্দ্রীয় সরকার ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দের ১ অক্টোবর মাদ্রাজ প্রদেশের তেলুগু ভাষাভাষী অঞ্চলগুলিকে নিয়ে স্বতন্ত্র অন্ধ্রপ্রদেশ গঠন করে।
Question 25 of 30
25. ১৯৫৩ সালে ভারত সরকার যে তিন সদস্যবিশিষ্ট "রাজ্য পুনর্গঠন কমিশন" গঠন করে তার সভাপতি কে ছিলেন?
ব্যাখ্যা: প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু ১৯৫৩ সালের আগস্ট মাসে তিন সদস্যবিশিষ্ট রাজ্য পুনর্গঠন কমিশন নিয়োগ করেন, যার সভাপতি ছিলেন বিচারপতি ফজল আলি।
Question 26 of 30
26. ১৯৫৬ সালের রাজ্য পুনর্গঠন আইন অনুযায়ী ভারতে কয়টি অঙ্গরাজ্য গঠিত হয়েছিল?
ব্যাখ্যা: রাজ্য পুনর্গঠন কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে ১৯৫৬ সালের ১ নভেম্বর থেকে ভারতে ১৪টি অঙ্গরাজ্য এবং ২টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গঠিত হয়।
Question 27 of 30
27. অবিভক্ত বোম্বাই প্রদেশকে ভেঙে মহারাষ্ট্র ও গুজরাট নামে দুটি পৃথক রাজ্য কবে গঠিত হয়?
ব্যাখ্যা: সংযুক্ত মহারাষ্ট্র সমিতি ও মহাগুজরাট জনতা পরিষদের প্রবল গণ-আন্দোলনের চাপে কেন্দ্রীয় সরকার ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দের মে মাসে বোম্বাই রাজ্যকে দ্বিধাবিভক্ত করে পৃথক মহারাষ্ট্র ও গুজরাট রাজ্য স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়।
Question 28 of 30
28. পৃথক "পাঞ্জাবি সুবা" বা পাঞ্জাব রাজ্যের দাবিতে আকালি দলের আন্দোলনে কে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন?
ব্যাখ্যা: পাঞ্জাবে আকালি দল "পাঞ্জাবি সুবা" গঠনের দাবিতে জোরদার আন্দোলন শুরু করে। এর নেতৃত্বে ছিলেন আকালি নেতা মাস্টার তারা সিং।
Question 29 of 30
29. ভারতীয় সংবিধানের অষ্টম তফসিলে (Schedule) ১৯৬৪ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত কতগুলি ভাষাকে জাতীয় বা আঞ্চলিক ভাষার স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল?
ব্যাখ্যা: ভারতীয় সংবিধানের অষ্টম তফসিলে ১৯৬৪ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ১৪টি স্বীকৃত ভাষা ছিল (অসমিয়া, বাংলা, ওড়িয়া, গুজরাটি, মারাঠি, কাশ্মীরি, তামিল, তেলুগু, মালয়ালম, কানাড়ি, হিন্দি, উর্দু ও সংস্কৃত)।
Question 30 of 30
30. ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দে ভাষা বিতর্কের অবসানের জন্য কোন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী "তিন দফা পরিকল্পনা" (Three-language formula) পেশ করেন?
ব্যাখ্যা: ১৯৬০-এর দশকে ভাষা বিতর্ক চরমে উঠলে ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী তিন দফা পরিকল্পনা পেশ করেন, যেখানে ইংরেজি ও হিন্দির পাশাপাশি প্রাদেশিক ভাষাও মান্যতা পায়।

🎉 পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে!

Madhyamik History Chapter 8 (Set 1) মক টেস্টে আপনার অর্জিত ফলাফল:

0/30

চমৎকার প্রচেষ্টা!

📋 সকল সেট দেখুন