Madhyamik Geography Chapter 1 Mock Test (Set 1)

WBBSE মাধ্যমিক ভূগোল প্রথম অধ্যায় "বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ"-এর ওপর প্রথম মক টেস্ট সেট। এতে রয়েছে ৩০টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ MCQ প্রশ্ন। আপনার মাধ্যমিক ২০২৭ পরীক্ষার প্রস্তুতি যাচাই করতে প্রতিটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিন।

Score: 0 / 30 (0/30)
Question 1 of 30
1. যে প্রক্রিয়ায় ভূপৃষ্ঠের কোনো উঁচু জায়গা ক্রমাগত ক্ষয়ের ফলে সমতলভূমিতে পরিণত হয়, তাকে কী বলে?
ব্যাখ্যা: যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভূপৃষ্ঠের কোনো উঁচু জায়গা ক্রমাগত ক্ষয়ের ফলে সমতলভূমিতে পরিণত হয়, অর্থাৎ বিভিন্ন ধরনের বহির্জাত শক্তির দ্বারা ভূমিভাগের সমতলীকরণ ঘটলে তাকে অবরোহণ প্রক্রিয়া বলে।
Question 2 of 30
2. ক্ষয়জাত পদার্থ ভূপৃষ্ঠের নীচু অংশে সঞ্চিত হওয়ার প্রক্রিয়াকে কী বলে?
ব্যাখ্যা: ক্ষয়জাত পদার্থ ভূপৃষ্ঠের নীচু অংশে সঞ্চিত হলে তাকে আরোহণ বা স্তূপীকরণ বা সঞ্চয়সাধন (Aggradation) বলে।
Question 3 of 30
3. হিমবাহ প্রবাহ কোন্ অঞ্চলে প্রধান বহির্জাত শক্তি হিসেবে কাজ করে?
ব্যাখ্যা: হিমবাহ প্রবাহ প্রধানত পার্বত্য অঞ্চল ও উচ্চ অক্ষাংশে অবস্থিত অঞ্চলে কার্যকরী একটি প্রধান বহির্জাত শক্তি।
Question 4 of 30
4. পৃথিবীর সর্বপ্রধান জল-বিভাজিকা (Watershed) কোনটি?
ব্যাখ্যা: মধ্য এশিয়ার পার্বত্যভূমিকে পৃথিবীর সর্বপ্রধান জল-বিভাজিকা বলা হয়, কারণ এই অঞ্চল থেকেই পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি নদী উৎপন্ন হয়ে ভূমির ঢাল অনুসারে বিভিন্ন দিকে বয়ে গিয়েছে।
Question 5 of 30
5. নদীখাতে ছোটো ছোটো গর্তের (Potholes) সৃষ্টি হয় নদীর কোন্ ক্ষয় প্রক্রিয়ার ফলে?
ব্যাখ্যা: নদীবাহিত পাথরখণ্ডের (Boulder) সঙ্গে নদীখাতের সংঘর্ষের ফলে নদীখাতে ছোটো ছোটো গর্তের (Potholes) সৃষ্টি হয়, যা নদীখাতকে আরও তাড়াতাড়ি ক্ষয় করতে সাহায্য করে। নদীর ক্ষয়কাজের এই প্রক্রিয়াকে অবঘর্ষ বলা হয়।
Question 6 of 30
6. নদীবাহিত বড়ো বড়ো পাথরের খন্ডগুলি (Boulders) একে অপরের সঙ্গে ঘষা খাওয়ার ফলে ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়ার প্রক্রিয়াকে কী বলে?
ব্যাখ্যা: নদীবাহিত বড়ো বড়ো পাথরের খন্ডগুলি (Boulders) একে অপরের সঙ্গে ঘষা খাওয়ার ফলে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে প্রথমে ছোটো ছোটো মসৃণ গোলাকার পাথরখণ্ডে এবং অবশেষে বালিতে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে ঘর্ষণ ক্ষয় বলে।
Question 7 of 30
7. নদীর পার্বত্য প্রবাহে সৃষ্ট নদী উপত্যকা সাধারণত কী আকৃতির হয়?
ব্যাখ্যা: নদীর পার্বত্য প্রবাহের প্রথম অবস্থায় নদী প্রধানত নিম্নক্ষয়ই করে বলে নদীখাত প্রথমে 'I' আকৃতির এবং পরে আবহবিকার ও জলপ্রবাহের দ্বারা পার্শ্বক্ষয়ের ফলে ক্রমশ 'V' অক্ষরের আকার ধারণ করে।
Question 8 of 30
8. বিশ্বের গভীরতম গিরিখাত কোনটি?
ব্যাখ্যা: হিমালয় পর্বতে অবস্থিত নেপালের কালিগন্ডক নদীর (Kali Gandaki) গিরিখাতটি হল বিশ্বের গভীরতম গিরিখাত। এর সর্বাধিক গভীরতা ৫,৪৮০ মিটার।
Question 9 of 30
9. মরুপ্রায় শুষ্ক অঞ্চলের অতি সংকীর্ণ ও অতি গভীর গিরিখাতকে কী বলা হয়?
ব্যাখ্যা: মরুপ্রায় শুষ্ক অঞ্চলের অতি সংকীর্ণ ও অতি গভীর গিরিখাতকে ক্যানিয়ন বলা হয়। ক্যানিয়ন ইংরেজি 'I' অক্ষরের মতো হয়।
Question 10 of 30
10. তিব্বতের (চিন) ইয়ারলুং জ্যানবো (Yarlung Zanbo) কীসের উদাহরণ?
ব্যাখ্যা: তিব্বতের (চিন) ইয়ারলুং জ্যানবো (Yarlung Zanbo) হল পৃথিবীর গভীরতম ক্যানিয়ন।
Question 11 of 30
11. ভারতের উচ্চতম জলপ্রপাত কোনটি?
ব্যাখ্যা: কর্ণাটকের ভারাহী নদীর ওপর সৃষ্টি হওয়া কুঞ্চিকল জলপ্রপাতটি হল ভারতের উচ্চতম জলপ্রপাত (উচ্চতা ৪৫৫ মিটার)।
Question 12 of 30
12. জলপ্রপাতের নীচে প্রবল জলস্রোতের আঘাত ও জলঘূর্ণির সৃষ্টি হওয়ায় যে গোলাকার গর্তের সৃষ্টি হয়, তাকে কী বলে?
ব্যাখ্যা: জলপ্রপাতের জলধারা সজোরে আছড়ে পড়ার ফলে জলপ্রপাতের নীচে প্রবল জলস্রোতের আঘাত ও জলঘূর্ণির সৃষ্টি হওয়ায় বুদবুদ ক্ষয়ের মাধ্যমে প্রায় গোলাকার গর্তের সৃষ্টি হয়, একে প্রপাত কূপ বলে।
Question 13 of 30
13. পার্বত্য অঞ্চল পেরিয়ে নদী যখন সমভূমিতে নেমে আসে তখন পর্বতের পাদদেশে পলল সঞ্চিত হয়ে হাতপাখার মতো যে ভূমিরূপ গঠিত হয়, তাকে কী বলে?
ব্যাখ্যা: সমভূমি অঞ্চলে নদী পার্বত্য পলিশঙ্কুর ওপর দিয়ে নানান খাতে প্রবাহিত হলে পলিশঙ্কুটি অর্ধগোলাকার আকৃতি ধারণ করে। অনেকটা হাতপাখার মতো দেখতে অর্ধগোলাকার এই ভূমিরূপটিকে পলল ব্যজনী (Alluvial fan) বলে।
Question 14 of 30
14. অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ (Oxbow lake) নদীর কোন গতির ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপ?
ব্যাখ্যা: মধ্যপ্রবাহে নদী খুব এঁকেবেঁকে প্রবাহিত হলে নদীবাঁকের অবতল ঢালে ক্ষয় বেশি হয় ও উত্তল ঢালে সঞ্চয় বেশি হয়। পার্শ্বক্ষয়ের ফলে নদীবাঁকের মধ্যবর্তী অংশটি ক্ষয় পেয়ে সংকীর্ণ হতে হতে অবশেষে জুড়ে যায় এবং পরিত্যক্ত বাঁকটি হ্রদের মতো অবস্থান করে, একে অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ বলে।
Question 15 of 30
15. নদীতে বন্যার ফলে নদীর জলের সঙ্গে বহন করা পলি, বালি, কাদা প্রভৃতি পদার্থ নদীর দু-পাড় বরাবর সঞ্চিত হয়ে প্রাকৃতিকভাবে যে উঁচু বাঁধের সৃষ্টি হয় তাকে কী বলে?
ব্যাখ্যা: নদীতে বন্যার ফলে নদীর জলের সঙ্গে বহন করা পলি, বালি, কাদা প্রভৃতি পদার্থ নদীর দু-পাড় বরাবর সঞ্চিত হয়ে প্রাকৃতিকভাবে যে উঁচু বাঁধের সৃষ্টি হয় তাকে বলে স্বাভাবিক বাঁধ।
Question 16 of 30
16. নীলনদ, গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র, পো ও হোয়াং হো নদীর বদ্বীপ কী আকৃতির বদ্বীপের উদাহরণ?
ব্যাখ্যা: নীলনদ, গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র, পো ও হোয়াং হো নদীর বদ্বীপগুলি ধনুকাকৃতি বদ্বীপের (Arcuate delta) উদাহরণ। এদের সমুদ্রমুখী বহিঃরেখা ধনুকের মতো বেঁকে থাকে।
Question 17 of 30
17. পাখির পায়ের মতো বদ্বীপ (Bird foot delta) কোন নদীর মোহানায় দেখা যায়?
ব্যাখ্যা: পাখির পায়ের মতো বদ্বীপের উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপি-মিসৌরি নদীর বদ্বীপ এবং ভারতের কৃষ্ণা নদীর বদ্বীপ।
Question 18 of 30
18. বিজ্ঞানীদের মতে, পৃথিবীর প্রথম জনবসতিপূর্ণ দ্বীপ কোনটি যা সমুদ্রের জলস্তর বৃদ্ধির জন্য নিমজ্জিত হয়েছে?
ব্যাখ্যা: সমুদ্রবিজ্ঞানীদের ধারণা, সুন্দরবন অঞ্চলের লোহাচড়া হল পৃথিবীর প্রথম জনবসতিপূর্ণ দ্বীপ যা সমুদ্রের জলস্তর বৃদ্ধির জন্য নিমজ্জিত হয়েছে (১৯৯৫ সাল নাগাদ)।
Question 19 of 30
19. ভারতের দীর্ঘতম পার্বত্য বা উপত্যকা হিমবাহ কোনটি?
ব্যাখ্যা: কারাকোরাম পর্বতের সিয়াচেন হিমবাহটি হল ভারতের দীর্ঘতম (৭০ কিমি) উপত্যকা হিমবাহ।
Question 20 of 30
20. হিমবাহের উপরের পৃষ্ঠে ফাটল ধরলে তাকে কী বলে?
ব্যাখ্যা: হিমবাহের উপরের পৃষ্ঠে ফাটল ধরলে তাকে ক্রেভাস (Crevasse) বলে। হিমবাহের পৃষ্ঠে টান পড়লে এই ফাটলের সৃষ্টি হয়।
Question 21 of 30
21. হাতল ছাড়া ডেক চেয়ারের মতো আকৃতিবিশিষ্ট হিমবাহ সৃষ্ট ভূমিরূপটিকে কী বলা হয়?
ব্যাখ্যা: হিমবাহের অবঘর্ষ ও উৎপাটনজনিত ক্ষয়কাজের ফলে সৃষ্টি হওয়া হাতল ছাড়া ডেক চেয়ারের মতো মাঝখানে গর্তবিশিষ্ট ভূমিরূপকে ফরাসি ভাষায় সার্ক এবং ইংরেজিতে করি বলে।
Question 22 of 30
22. হিমবাহ উপত্যকার আকৃতি কেমন হয়?
ব্যাখ্যা: হিমবাহ যে উপত্যকার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয় সেখানে হিমবাহের পার্শ্বক্ষয় ও নিম্নক্ষয় সমানভাবে হওয়ার ফলে পার্বত্য উপত্যকাটি অনেকটা ইংরেজি 'U' অক্ষরের মতো আকৃতি ধারণ করে। একে হিমদ্রোণী বা 'U' আকৃতির উপত্যকা বলে।
Question 23 of 30
23. হিমবাহের ক্ষয়কাজের ফলে সৃষ্টি হওয়া বর্তমানে আংশিক জলমগ্ন উপত্যকাকে কী বলে?
ব্যাখ্যা: সমুদ্রোপকূলে পার্বত্য হিমবাহ তার উপত্যকাকে গভীরভাবে ক্ষয় করার পর হিমবাহ সরে গেলে সেই গভীর উপত্যকাগুলি সমুদ্রের জলে ভরে আংশিক জলপূর্ণ হয়। একে ফিয়র্ড বলে (যেমন: নরওয়ের ফিয়র্ড)।
Question 24 of 30
24. উলটানো নৌকা বা আধখানা ডিমের মতো আকৃতির হিমবাহ সঞ্চয়জাত ভূমিরূপটিকে কী বলে?
ব্যাখ্যা: হিমবাহের সঙ্গে বয়ে আসা বালি ও কাদার সঙ্গে বিভিন্ন আকৃতির নুড়ি-পাথর অবক্ষেপ হিসেবে সঞ্চিত হয়ে উলটানো নৌকা বা আধখানা ডিমের মতো যে টিলার সৃষ্টি হয় তাকে ড্রামলিন বলে।
Question 25 of 30
25. হিমবাহের বহন করে আনা বিভিন্ন আকৃতির নুড়ি, পাথর, কাদা, বালি প্রভৃতি জলস্রোতের দ্বারা পরিবাহিত হয়ে একটি দীর্ঘ, সংকীর্ণ আঁকাবাঁকা শৈলশিরার মতো যে ভূমিরূপ গঠন করে তাকে কী বলে?
ব্যাখ্যা: হিমবাহের বহন করে আনা পদার্থ জলস্রোতের দ্বারা পরিবাহিত হয়ে সঞ্চিত হলে দীর্ঘ, সংকীর্ণ আঁকাবাঁকা শৈলশিরার মতো ভূমিরূপ গঠিত হয়, যাকে এস্কার বলে।
Question 26 of 30
26. মরু অঞ্চলে বায়ু সজোরে প্রবাহিত হওয়ার সময় তা কোনো স্থানের প্রচুর পরিমাণ বালি অপসারিত করে যে অবনত ভূভাগের সৃষ্টি করে, তাকে কী বলে?
ব্যাখ্যা: প্রবল বায়ুপ্রবাহের ফলে মরুভূমির শিথিল বালিরাশি এক স্থান থেকে অপর স্থানে স্থানান্তরিত হওয়ার ফলে যে বিস্তীর্ণ অবনত ভূভাগের সৃষ্টি হয়, তাকে অপসারণ গর্ত বলে।
Question 27 of 30
27. ব্যাঙের ছাতার মতো আকৃতিবিশিষ্ট বায়ুর ক্ষয়জাত ভূমিরূপটিকে কী বলা হয়?
ব্যাখ্যা: কঠিন ও কোমল শিলায় গড়া কোনো বৃহৎ শিলাখণ্ড অনুভূমিকভাবে অবস্থান করলে নীচের কোমল অংশ বায়ুর ঘর্ষণে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে সরু স্তম্ভের মতো হয় এবং ওপরের কঠিন অংশটি ব্যাঙের ছাতার মতো দাঁড়িয়ে থাকে। একে গৌর বলে।
Question 28 of 30
28. মরুভূমি অঞ্চলে বায়ুপ্রবাহের পথে আড়াআড়িভাবে গঠিত অর্ধচন্দ্রাকৃতি বালির স্তূপকে কী বলা হয়?
ব্যাখ্যা: উয় মরুভূমি অঞ্চলে বায়ুপ্রবাহের পথে আড়াআড়িভাবে গঠিত বালির স্তূপ বা বালিয়াড়িকে বার্খান বলা হয়। এর সামনের দিক উত্তল এবং পিছনের দিক অবতল হয়।
Question 29 of 30
29. বায়ুর গতিপ্রবাহের সঙ্গে সমান্তরালভাবে যে সমস্ত বালির স্তূপ গঠিত হয়, তাদের কী বলে?
ব্যাখ্যা: বায়ুর গতিপ্রবাহের সঙ্গে সমান্তরালভাবে যে সমস্ত বালির স্তূপ গঠিত হয়, তাদের অনুদৈর্ঘ্য বালিয়াড়ি বলে। এর মধ্যে দীর্ঘ ও সংকীর্ণ বালিয়াড়িগুলিকে সিফ বালিয়াড়ি বলে।
Question 30 of 30
30. মরুভূমি অঞ্চলে পর্বতের পাদদেশবর্তী নিম্নভূমি বা প্লায়া অঞ্চলে নুড়ি, বালি, কাদা ও পলি সঞ্চয়ের ফলে যে প্রায় সমতলভূমির সৃষ্টি হয় তাকে কী বলে?
ব্যাখ্যা: মরু ও মরুপ্রায় অঞ্চলে অস্থায়ী জলধারার সঞ্চয় কাজের ফলে পর্বতের পাদদেশবর্তী নিম্নভূমি বা প্লায়া অঞ্চলে নুড়ি, বালি, কাদা ও পলি সঞ্চয়ের ফলে যে প্রায় সমতলভূমির সৃষ্টি হয় তাকে বাজাদা বলে।

🎉 পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে!

Madhyamik Geography Chapter 1 (Set 1) মক টেস্টে আপনার অর্জিত ফলাফল:

0/30

চমৎকার প্রচেষ্টা!

📋 সকল সেট দেখুন